দিল্লিতে হাসিনা-মনমোহন সফল বৈঠক বাংলাদেশী পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে : বিদ্যুৎ আমদানি ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সমঝোতা স্মারক


স্মৃতিবিজড়িত দিল্লির সেই বাড়িটি 
যুগান্তর ডেস্কআটপৌরে শাড়িপরা এক বঙ্গবধূর স্মৃতিময় নয়াদিল্লির পান্দারা পার্কের সেই বাড়িটি এখন কেবলই ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী। জনশূন্য নির্জনতা এবং কার্যত নির্বাসিত জীবন থেকে অনেক দূরে সরে এসেছেন এক সময়কার ওই বাড়ির বাসিন্দা বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে বর্ণময় রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বসে হয়তো তার মনে পড়েছে ওই বাড়িটির নানা স্মৃতির কথা। ১৯৭৫ সালে ধানমণ্ডিতে ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের পর দিল্লির যে বাড়িতে প্রায় ৬ বছর কাটিয়েছেন, সেই সময়ের নানা স্মৃতি এখনও হয়তো তাকে তাড়া করে বেড়াবে, সেটাই স্বাভাবিক। শীতের কুয়াশায় আচ্ছন্ন এ বাড়িটি এখন কিছুটা অযত্নে দাঁড়িয়ে রয়েছে অর্জুন, পেয়ারা ও নারকেল গাছের আড়ালে।১৯৭৬-৮১ সাল পর্যন্ত দিল্লিতেই নির্বাসিত জীবনে ছিলেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা, তার স্বামী এমএ ওয়াজেদ এবং দুই সন্তান সজীব ও সায়মা পুতুল একসময় এ শহরের লাজপাত নগরের ৫৬ রিং রোডে থাকতেন। পরে তারা ১৯৭৫ সালের ডিসেম্বরে উঠেছিলেন পান্দারা পার্কের সি-ব্লকের এই বাড়িটিতে। পরে ৫৬ রিং রোডের এ বাড়ি নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কার্যালয়ে পরিণত হয় এবং চানক্যপুরীর কূটনৈতিকপাড়ায় যাওয়ার আগ পর্যন্ত দূতাবাসের কার্যালয় বেশ কিছুদিন এ বাড়িতেই ছিল।বঙ্গবন্ধুকে যখন হত্যা করা হয় সে সময় শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা জার্মানিতে ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর শেখ হাসিনা প্রথমে যুক্তরাজ্যে এবং পরে ভারতে আশ্রয় চান। বাংলাদেশে ফেরার আগ পর্যন্ত (১৯৮১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত) শেখ হাসিনা দিল্লির এ বাড়িতেই ছিলেন।

যুগান্তর ডেস্কআটপৌরে শাড়িপরা এক বঙ্গবধূর স্মৃতিময় নয়াদিল্লির পান্দারা পার্কের সেই বাড়িটি এখন কেবলই ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী। জনশূন্য নির্জনতা এবং কার্যত নির্বাসিত জীবন থেকে অনেক দূরে সরে এসেছেন এক সময়কার ওই বাড়ির বাসিন্দা বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে বর্ণময় রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বসে হয়তো তার মনে পড়েছে ওই বাড়িটির নানা স্মৃতির কথা। ১৯৭৫ সালে ধানমণ্ডিতে ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের পর দিল্লির যে বাড়িতে প্রায় ৬ বছর কাটিয়েছেন, সেই সময়ের নানা স্মৃতি এখনও হয়তো তাকে তাড়া করে বেড়াবে, সেটাই স্বাভাবিক। শীতের কুয়াশায় আচ্ছন্ন এ বাড়িটি এখন কিছুটা অযত্নে দাঁড়িয়ে রয়েছে অর্জুন, পেয়ারা ও নারকেল গাছের আড়ালে।১৯৭৬-৮১ সাল পর্যন্ত দিল্লিতেই নির্বাসিত জীবনে ছিলেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা, তার স্বামী এমএ ওয়াজেদ এবং দুই সন্তান সজীব ও সায়মা পুতুল একসময় এ শহরের লাজপাত নগরের ৫৬ রিং রোডে থাকতেন। পরে তারা ১৯৭৫ সালের ডিসেম্বরে উঠেছিলেন পান্দারা পার্কের সি-ব্লকের এই বাড়িটিতে। পরে ৫৬ রিং রোডের এ বাড়ি নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কার্যালয়ে পরিণত হয় এবং চানক্যপুরীর কূটনৈতিকপাড়ায় যাওয়ার আগ পর্যন্ত দূতাবাসের কার্যালয় বেশ কিছুদিন এ বাড়িতেই ছিল।বঙ্গবন্ধুকে যখন হত্যা করা হয় সে সময় শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা জার্মানিতে ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর শেখ হাসিনা প্রথমে যুক্তরাজ্যে এবং পরে ভারতে আশ্রয় চান। বাংলাদেশে ফেরার আগ পর্যন্ত (১৯৮১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত) শেখ হাসিনা দিল্লির এ বাড়িতেই ছিলেন।