Posts

বিদায় ২০০৯

Image
বিদায় ২০০৯ উত্তম চক্রবর্তিঃ আজ আলোড়িত বর্ষ বিদায়ের দিন। বহু ঘটনার জন্ম দিয়ে মহাকালের পরিক্রমায় বিদায় নিল আরও একটি বছর। বাংলাদেশের ৩৮ বছরের অনেক ইতিহাস বদলে দিয়েছে বিদায়ী বছরটি। সূচনা করেছে জাতীয় জীবনে ও রাজনীতির ইতিহাসে এক অভিনব অধ্যায়ের। দুই বছরের অগণতান্ত্রিক শাসনের অবসান, গণতন্ত্রের পুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে ২০০৯ সালের যাত্রা শুরম্ন। এরপর অনেক ঘটনা-অঘটন, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, চড়াই-উতরাই, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও আনন্দ-বেদনার সাক্ষী হয়ে কালের গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে এই বছরটি। আজ রাতটুকু পেরোলেই কাল পূর্বাকাশে উঠবে যে নতুন সূর্য, সে সূর্য নতুন বছরের। নতুন আশায় বুক বেঁধে আরও একটি নতুন বছরের দিনলিপি পড়ে থাকবে পেছনে। নতুন বছরে নতুন সূর্যের অসীম প্রতীৰা মানুষের। উতসব আয়োজনের মধ্য দিয়েই মানুষ স্বাগত জানাবে ইংরেজী নতুন বছর ২০১০ সালকে। ইংরেজী পঞ্জিকার সর্বজনীনতায় কাল বিশ্ববাসীও মেতে উঠবে নতুন বছরের আগমনী আনন্দ-উলস্নাসে। মহাকালের আবর্তে হারিয়ে গেলেও বিদায়ী বছরটি দেশের মানুষের মনে দাগ কেটে থাকবে বহুকাল, বহু বছর। কারণ বিদায়ী এ বছরটি পাল্টে দিয়েছে অনেক ইতিহাস। কারণ বাঙালী জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শাণিত দেশে...

নববর্ষ, তোমাকে অভিবাদন

Image
নববর্ষ, তোমাকে অভিবাদন সফেদ কুয়াশার বুক চিরে টকটকে লাল সূর্যটা নিয়ে এলো নতুন দিনের সন্ধান। শিশিরভেজা দূর্বাঘাস আর লাউয়ের ডগাগুলো লকলকিয়ে স্বাগত জানায় নতুন বছরকে। স্বাগতম হে ইংরেজি নববর্ষ " ২০১০ " নতুন বছর মানেই নতুন আনন্দ। নতুন পরিকল্পনা। চক্রাকারে দিবানিশির চলন্ত গতি। এ অমোঘ আইনের কোনোই ত্রুটি নেই। দিনপঞ্জির পাতা বলে দিলো ৩৬৫ দিন শেষ। বিদায় নিয়ে গেল ২০০৯ সাল। শুভ আগমন ২০১০। তাই তো ঊষার আকাশে নতুন দিনের আলোকচ্ছটা। পুরনো দিনের সব স্মৃতি পেছনে ফেলে আমরা পা রাখছি নতুন দিনের উঠানে। দেখতে দেখতেই তো সব কিছু শেষ হয়। এই তো সে দিনও যে শিশুটি বিনা নোটিশে কাঁথা-বালিশ ভিজিয়ে ফেলত, সে এখন মস্তবড় কচি-কাঁচার আসরের বাবা। দেখতে দেখতেই জন্ম, আবার দেখতে দেখতেই আমাদের মৃত্যু। এই তো জীবনধারা। বিদায়ী বছরের জীর্ণ-ক্লান্ত দিবারাত্রি আমাদের কত না কর্মের নীরব সাক্ষী! সত্যিই বিদায় বড় ব্যথার। কেমন করে যে একটি বছরে ১২টি মাস, ছয়টি ঋতু, ৫২ সপ্তাহ, ৩৬৫ দিন, আট হাজার ৭৬০ ঘণ্টা, ৫ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ মিনিট এবং তিন কোটি ১৫ লাখ ৩৬ হাজার সেকেন্ড পেরিয়ে আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে গেল টেরই পেলাম না। গেল বছরে আমরা অনে...

ওরা আমাকে দিনের পর দিন নির্যাতন করেছে : আবদুল জলিল

Image
ওরা আমাকে দিনের পর দিন নির্যাতন করেছে : আবদুল জলিল সোহেল হায়দার চৌধুরী আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মো. আবদুল জলিল এমপি ওয়ান ইলেভেনের পর যারা রাজনীতিবিদদের গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করেছে, তাদের বিরম্নদ্ধে আবারো সংসদীয় তদন্ত দাবি করে বলেছেন, যারা তারসহ রাজনীতিবিদদের চরিত্র হনন ও গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বিনা কারণে অত্যাচার-নির্যাতন করেছে, প্রাণের ভয় দেখিয়ে স্বজনদের জিম্মি করে তাদের মতো করে কথা বলতে বাধ্য করেছে তাদের বিচার হওয়া উচিত। জাতির সামনে তাদের মুখোশ উন্মোচিত হওয়া দরকার। নতুবা সুযোগ পেলেই অগণতান্ত্রিক শক্তি আবার মাথা তুলে দাঁড়াবে। গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে বাধাগ্রস্থ করতে চাইবে।২০০৭ সালের ২৮ মে নিজের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মার্কেন্টাইল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার হন আবদুল জলিল। প্রায় দেড় বছর তিনি বন্দি ও প্যারোলে ছিলেন। গত সোমবার তার গ্রেপ্তার ও পরবর্তী সময়ের ঘটনাবলী নিয়ে তিনি কথা বলেছেন যায়যায়দিনের সঙ্গে। আবদুল জলিল বলেন, এখনো তাকে ওই সময়ের দুঃসহ স্মৃতি তাড়া করে ফেরে। মাঝে মধ্যে সে সময়ের কথা মনে এলে চোখ জলে ভরে যায়। দীর...

জোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সৃষ্ট স'বিরতা কাটাতে বেগ পেতে হচ্ছে

Image
জোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সৃষ্ট স্তবিরতা কাটাতে বেগ পেতে হচ্ছে শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতু উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী কাগজ প্রতিবেদক : জনগণের বিশ্বাসের মর্যাদা আমরা রৰা করবোই- এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দিন বদলের প্রতিশ্র"তি পূরণে এই সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। নির্বাচনী ইশতেহার বাস-বায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। তবে জোট সরকার ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সৃষ্ট স'বিরতা কাটিয়ে উঠতে তার সরকারকে বেগ পেতে হচ্ছে বলেও মন-ব্য করেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতুর (তৃতীয় বুড়িগঙ্গা সেতু) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেনে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামর"ল ইসলাম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক প্রমুখ। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তিতে তার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের পৰ থেকে জনগণকে কৃতজ্ঞতা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা...

জামাতে ইসলামী হচ্ছে হত্যা, খুন, ধর্ষণ, নারী নির্যাতনের ইসলাম ঃ শাহরিয়ার কবির

জামাতে ইসলামী হচ্ছে হত্যা, খুন, ধর্ষণ, নারী নির্যাতনের ইসলাম : শাহরিয়ার কবির ভিওবিডি, টাঙ্গাইল থেকে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেছেন, জামাত ইসলামী এবং আমিনীদের ব্যবসা বন্ধ হবে বলে তারা আজ শিক্ষানীতির বিরোধিতা করছে। জামাতে ইসলামী হচ্ছে- হত্যা, খুন, ধর্ষণ, নারী নির্যাতনের ইসলাম। আর আমাদের ইসলাম হচ্ছে হাজার বছরের সুফিদের ইসলাম, সহনশীল ও শান্তির ইসলাম। গতকাল শনিবার সকালে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, ভূঞাপুর উপজেলা শাখার সমেমলনে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। ইবরাহীম খাঁ কলেজ অডিটরিয়ামে মাসুদুল হক মাসুদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ৮নং সেক্টর কমান্ডার লে. কর্নেল (অব.) আবু ওসমান চৌধুরী, বিশিষ্ট অভিনেত্রী শম্পা রেজা, জেলা শাখার সদস্য সচিব কে এম আব্দুস ছালাম, একাত্তরের কোম্পানি কমান্ডার আসাদুজ্জামান আরজু, ভূঞাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সামছুল হক তালুকদার, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি অধ্যাপক নাজির হোসেন, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদুজ্জামান মতি প্রমুখ। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন একাত্তরের কোম্পানি কমান্ডার খন্দকার হাবিবুর রহমান।

তিস্তার পানি বন্টন প্রশ্নে সুরাহা হচ্ছে

Image
তিস্তার পানি বন্টন প্রশ্নে সুরাহা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী আইডিইবি সম্মেলনে বললেন : ভারতের সঙ্গে ৫৪টি নদী নিয়েই আলোচনা হবে ০ ইত্তেফাক ডেস্ক প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত তিসৱা নদীর পানি বন্টন ইস্যুটির অবশেষে সুরাহা হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল রাজধানীতে ডিপেস্নামা প্রকৌশলীদের জাতীয় সম্মেলনে ভাষণ প্রদানকালে এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন। শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার শিগগিরই ভারতের সঙ্গে তিসৱাসহ দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত দেশের ৫৪টি নদীর পানি বন্টন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবে। তিনি বলেন, উভয় দেশের সরকারের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। ইতিমধ্যে টেকনিক্যাল কমিটি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছে। ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) বৈঠকেও বিষয়টি আলোচনার অপেৰায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে ইনস্টিটিউট অব ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ-এর জাতীয় সম্মেলন ২০০৯ এবং ৩৪তম কাউন্সিল উদ্বোধন করেন। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ারদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে প্রধানমন্ত্রী জনগণের কল্যাণে আনৱরিকতা ও নিবেদিত হয়ে কাজ করার জন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আপনারা...

প্রতিবন্ধী কল্যাণে সব ব্যবস্থা নেবে সরকার ঃ প্রধানমন্ত্রী

Image
প্রতিবন্ধী কল্যাণে সব ব্যবস্থা নেবে সরকার ঃ প্রধানমন্ত্রী ০ চাকরি দিলে আয়কর রেয়াত পাবে ০ স্কুলে ভর্তি না করালে কঠোর শাস্থি ০ গড়ে তোলা হবে প্রতিবন্ধী কম্পলেক্স প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থানের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, কোন কর্পোরেট বা বেসরকারি শিল্প ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান প্রতিবন্ধীদের চাকরি প্রদান করলে তাদের আয়কর রিবেট (ছাড়) দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। গতকাল শনিবার সকালে বঙ্গবন্ধু আনৱর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১৮তম আনৱর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলৰে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি আরো বলেন, সরকার ইতিমধ্যে প্রতিবন্ধী-উপযোগী কর্মৰেত্র চিহ্নিত করার কাজ শুরম্ন করেছে। প্রতিবন্ধিতার ধরন অনুসারে উপযুক্ত প্রশিৰণ দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে তাদের পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এনামূল হক মোসৱফা শহীদ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অধ্যাপক মোদাচ্ছের আলী, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ফোরামের সভাপতি জহুরম্নল আলম ও প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপ...