<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770</id><updated>2011-12-23T20:24:04.299+01:00</updated><category term='Daughter Of Democrecy PM.Sheikh Hasina'/><title type='text'>LONG LIVE BANGLADESH AND AWAMI LEAGUE</title><subtitle type='html'>The Bangladesh Awami League বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ is the mainstream socialist secular political party in Bangladesh. It was the political catalyst for Bengali discontent and rebellion in 1971. The party has been headed by Sheikh Hasina, the daughter of the late Father of the nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, since 1984. With the emergence of an independent Bangladesh on 16 December 1971</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><link rel='next' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default?start-index=101&amp;max-results=100'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>404</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-347361878866283072</id><published>2011-12-23T20:22:00.003+01:00</published><updated>2011-12-23T20:24:04.304+01:00</updated><title type='text'>তাঁর নামের সঙ্গে বিশেষণের দরকার নেই</title><content type='html'>&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-vm32aJADmLQ/TvTVSys8uII/AAAAAAAAChg/grWsH0ixbaE/s1600/2011-12-23-13-41-47-4ef4851b9deaa-razzak-new-photo.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5689406748100442242" style="FLOAT: right; MARGIN: 0px 0px 10px 10px; WIDTH: 340px; CURSOR: hand; HEIGHT: 233px" alt="" src="http://2.bp.blogspot.com/-vm32aJADmLQ/TvTVSys8uII/AAAAAAAAChg/grWsH0ixbaE/s400/2011-12-23-13-41-47-4ef4851b9deaa-razzak-new-photo.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;তাঁর নামের সঙ্গে বিশেষণের দরকার নেই&lt;br /&gt;আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ॥ আবদুর রাজ্জাক চলে গেলেন (ইন্নালিলস্নাহি...রাজিউন)। লন্ডনের একটি নয় দুটি হাসপাতালে দীর্ঘ কয়েক মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘকাল লিভারের জটিল অসুখে ভুগছিলেন। তাঁর দেহে নতুন লিভার সংযোজন জরুরী হয়ে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত একটি লিভারের ব্যবস্থা হলো। কিন্তু সেটি সুস্থ লিভার নয়। চিকিৎসায় অর্থাভাবও ছিল। সেই অর্থের সংস্থান হলো। কিন্তু নতুন লিভার সংস্থাপনের মতো শারীরিক অবস্থা তাঁর ছিল না। ডাক্তাররা তাঁর দেহে অস্ত্রোপচারের জন্য সময় নিচ্ছিলেন। তাঁর পর তো দেখা গেল, যার কাছ থেকে লিভার পাওয়া নিশ্চিত ছিল তিনি নিজেই অসুস্থ।&lt;br /&gt;একটি লিভারের অভাবে আবদুর রাজ্জাককে বাঁচানো যাবে না, এটা তখনই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। চিকিৎসকরাও বলছিলেন, তাঁর শারীরিক অবস্থা অপারেশন সহ্য করার মতো সবল হয়ে ওঠেনি। তাঁকে শেষ পর্যনত্ম লাইফ সাপোর্ট মেশিনে রাখা হয়েছিল। যখন দেখা গেল তাঁর জীবন রৰার আর কোন উপায় নেই, তখন আজ (২৩ ডিসেম্বর শুক্রবার) তাঁর শরীর থেকে লাইফ সাপোর্ট মেশিন খুলে নেয়া হয়। দুপুরের পরই সারা লন্ডন শহরে খবর প্রচারিত হয় আব্দুর রাজ্জাক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।&lt;br /&gt;তাঁর মৃত্যুর বেশ কিছুদিন আগে যখন তাঁকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলাম, তখনই দেখেছি রোগশয্যায় একটি কঙ্কাল পড়ে আছে। আমার দীর্ঘকালের চেনা আব্দুর রাজ্জাক আর নেই। আমাকে যখন চিনলেন, তখন তাঁর চোখে পানি। তাঁকে দেখাশোনা করছেন এমন এক যুবকের মুখে শুনলাম, রাজ্জাক আমলকী খেতে চান। তাঁর ইচ্ছা পূর্ণ করা হয়েছিল।&lt;br /&gt;সত্তর বছর বয়সের মৃত্যুকে অকাল মৃত্যুই বলব। বাংলাদেশের রাজনীতির এই ঘনঘটার দিনে আবদুর রাজ্জাকের বড় প্রয়োজন ছিল। গণতান্ত্রিক শিবিরের আগামী দিনের আরও জটিল সংগ্রামে আবদুর রাজ্জাক থাকবেন না_ এটা ভাবতেও শঙ্কা হয়। স্বাধীনতার শত্রম্নপৰের শিবির তো শূন্য হচ্ছে না। শূন্য হচ্ছে স্বাধীনতার পক্ষের শিবির। এই শূন্যতা পূরণ করবে কারা? পূরণ হবে কিভাবে?&lt;br /&gt;বঙ্গবন্ধুর দুই বিশ্বস্ত যুববাহুর মধ্যে একজন ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক এবং আরেকজন তোফায়েল আহমেদ। তাদের দু'জনের মধ্যে রাজনৈতিক নেতৃত্বের স্বাভাবিক প্রতিযোগিতা ছিল। কিন্তু সব কিছু ছাপিয়ে ছিল একই রাজনৈতিক লৰ্যের গভীর মৈত্রী দু'জনের মধ্যে। আবদুর রাজ্জাকের শরীরে লিভার সংস্থাপনের দিনৰণ যখন চিকিৎসকরা ঠিক করেছিলেন, তখন তোফায়েল দু'দুবার ঢাকা থেকে লন্ডনে ছুটে এসেছেন, আর রাজ্জাক ভাইয়ের জীবন- মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তাঁর পাশে থাকার জন্য। কিন্তু রাজ্জাকের শারীরিক অবস্থার জন্য ও লিভারের অভাবে অস্ত্রোপচার দুই দুইবার স্থগিত করতে হয়েছে।&lt;br /&gt;গত পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবদুর রাজ্জাক একটি নাম, যে নামের কোন পরিচয়, কোন বিশেষণের দরকার নেই। আবদুর রাজ্জাক নিজেই বলতেন, 'আমি বঙ্গবন্ধুর একজন শিষ্য, এটাই আমার একমাত্র পরিচয়।' বঙ্গবন্ধু তাঁকে এতটাই বিশ্বাস করতেন যে, বাকশাল গঠনের পর সংগঠনের তিন সেক্রেটারির অন্যতম সেক্রেটারি তাঁকে করেছিলেন। আর দু'জন ছিলেন জিল্লুর রহমান (বর্তমানে রাষ্ট্রপতি) এবং শেখ ফজলুল হক মণি। বঙ্গবন্ধু তাঁকে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগেরও প্রধানের পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন।&lt;br /&gt;বঙ্গবন্ধুর শাহাদের পর আওয়ামী লীগ সংগঠনের ভিত্তি ধ্বংস হতে না দেয়া, শেখ হাসিনাকে দলের নেতৃত্ব গ্রহণে টেনে আনা থেকে শুরু করে ঘাতক দালাল নিমর্ূল আন্দোলনে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দান, সামরিক শাসন ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সাহসী নেতৃত্ব গ্রহণ অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পৰের শিবিরে আবদুর রাজ্জাক ছিলেন একজন সর্বৰণিক সেনাপতি। প্রথম হাসিনা সরকারের পানি সম্পদমন্ত্রী হিসেবে ভারতের সঙ্গে ফারাক্কা বাঁধ ও গঙ্গার পানির হিস্যা লাভের চুক্তি সম্পাদনেও তাঁর ছিল সফল ভূমিকা।&lt;br /&gt;আজ শুক্রবার তাঁর মৃতদেহ আমার বাসার অদূরে লন্ডনের এক হাসপাতালে যখন কফিনে তোলার জন্য প্রস্তুতি চলছে, তখন স্মৃতিচারণ করার মতো মনমানসিকতা কোনটাই আমার নেই। তিনি ছিলেন আমার ছোট ভাই এবং দীর্ঘকালের বন্ধু। লন্ডনে এলেই আমার সঙ্গে দেখা করতেন। ঢাকায় গেলেও আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য ছুটে আসতেন। তাঁকে হারানোর বেদনা আত্মীয় বিয়োগব্যথার চাইতেও বেশি। মনমানসিকতা একটু স্বাভাবিক হলে তাঁর সম্পর্কে একটি দীর্ঘ স্মৃতিকথা লেখার ইচ্ছা রাখি। এই মুহূর্তে তাঁর শোকসনত্মপ্ত স্ত্রী ও পরিবার পরিজনকে আন্তরিক সমবেদনা জানাই এবং প্রার্থনা করি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে আবদুর রাজ্জাক যেন মৃত্যুর পরেও অনন্ত শক্তি ও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকেন।&lt;br /&gt;[লন্ডন, ২৩ ডিসেম্বর, শুক্রবার, ২০১১&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-347361878866283072?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/347361878866283072'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/347361878866283072'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/12/blog-post_7823.html' title='তাঁর নামের সঙ্গে বিশেষণের দরকার নেই'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-vm32aJADmLQ/TvTVSys8uII/AAAAAAAAChg/grWsH0ixbaE/s72-c/2011-12-23-13-41-47-4ef4851b9deaa-razzak-new-photo.jpg' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-8111036501579417718</id><published>2011-12-23T19:13:00.001+01:00</published><updated>2011-12-23T19:15:25.490+01:00</updated><title type='text'>মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আব্দুর রাজ্জাক আর নেই</title><content type='html'>&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#006600;"&gt;মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আব্দুর রাজ্জাক আর নেই।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দীর্ঘ রোগভোগের পর লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের এই সদস্যের। শুক্রবার লন্ডন সময় বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে আব্দুর রাজ্জাকের লাইফ সাপোর্ট খুলে নিয়ে মৃত্যুর ঘোষণা দেন লন্ডনের কিংস কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা, বাংলাদেশে সময় তখন রাত ৯টা ৫০ মিনিট। লন্ডনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার রাশেদ চৌধুরী হাসপাতালে উপস্থিত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রতিনিধি সৈয়দ নাহাস পাশাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। যকৃৎ (লিভার), বৃক্ক (কিডনি) ও ফুসফুসে জটিলতা নিয়ে তিন মাসের বেশি সময় ধরে লন্ডনে চিকিৎসাধীন ছিলেন রাজ্জাক। যকৃৎ প্রতিস্থাপনের জন্য লন্ডন গেলেও পরে অন্য দুটি অঙ্গেও সমস্যা দেখা দেয়। একাত্তরে মুজিব বাহিনীর অন্যতম পুরোধা এবং ’৯০ এর দশকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাািবতে সূচিত আন্দোলনের সংগঠক এবং গণআদালতের অন্যতম উদ্যোক্তা রাজ্জাকের বয়স হয়েছিলো ৬৯ বছর। তিনি স্ত্রী ফরিদা রাজ্জাক এবং দুই ছেলে রেখে গেছেন। রাজ্জাকের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার ডামুড্ডায়। ইমাম উদ্দিন ও আকফতুন নেছার সন্তান রাজ্জাক যতবার সেখান থেকে নির্বাচন করেছিলেন, ততবারই বিজয়ী হন। বর্তমান সংসদেও প্রতিনিধিত্ব করছিলেন রাজ্জাক, পাশাপাশি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তিনি। রাজ্জাক লাইফসাপোর্টে থাকলেও বাংলাদেশের কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজ্জাকের মৃত্যু সংবাদ প্রকাশ করে এবং সেই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতার শোকবার্তার কথাও জানায়। তবে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, আওয়ামী লীগ কার্যালয় এবং বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে কেউ তখন পর্যন্ত এ বিষয়ে মুখ খুলছিলো না। রাজ্জাকের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী তোফায়েল আহমেদ সন্ধ্যা ৭টায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমি এক ঘণ্টা আগেও যোগাযোগ করেছিলাম। তখন পর্যন্ত লাইফসাপোর্ট খোলা হয়নি।” রাজ্জাকের চিকিৎসার খোঁজ-খবর লন্ডন দূতাবাসের কর্মকর্তারা শুরুতে না নেওয়ায় তা নিয়ে সংসদে ক্ষোভও প্রকাশ করেছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও রাজ্জাকের দীর্ঘদিনের সহকর্মী তোফায়েল। রাজ্জাক ’৭৫ এ বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরে বাকশাল নামে আলাদা দল নিয়েই চলেন তিনি। ’৯০ এর দশকে বাকশাল আওয়ামী লীগে একীভূত হয়। আওয়ামী লীগে ফেরার পর সভাপতিমণ্ডলীতে স্থান পান রাজ্জাক। দীর্ঘদিন দলের নীতি-নির্ধারণী এই ফোরামে দীর্ঘদিন ছিলেন তিনি। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার সরকারে পানিসম্পদমন্ত্রীও করা হয় তাকে। গঙ্গা পানিবন্টন চুক্তির জন্য স্মরণীয় তিনি। তবে ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির পর আওয়ামী লীগের যে কজন নেতা সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিতি পান, তার মধ্যে রাজ্জাকও ছিলেন। এরপর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরলেও মন্ত্রিসভায় স্থান হয়নি রাজ্জাকের। এরপর ২০০৯ সালের দলের সম্মেলনে নীতি-নির্ধারণী ফোরামের সদস্যপদও হারান তিনি। তাকে করা হয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-8111036501579417718?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/8111036501579417718'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/8111036501579417718'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/12/blog-post_2245.html' title='মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আব্দুর রাজ্জাক আর নেই'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-2874136688417127333</id><published>2011-12-23T19:11:00.000+01:00</published><updated>2011-12-23T19:13:01.662+01:00</updated><title type='text'>বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে রাজ্জাকের স্মৃতিচারণ</title><content type='html'>&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#009900;"&gt;বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে রাজ্জাকের স্মৃতিচারণ&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার নানা ষড়যন্ত্র চলছিল। শোনা যাচ্ছিল-এমনকি হতে পারে কমান্ডো হামলা। এমন পরিস্থিতিতে রেসকোর্সে ভাষণের আগে-পরে বঙ্গবন্ধুকে আনা নেওয়ার দায়িত্ব ছিল আমার উপর। আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর প্রধান হিসেবে সেই দায়িত্ব ছিল আমার। ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর বাসা থেকে সমাবেশস্থলে আনা নেওয়ায় বিশেষ কৌশল নিতে হয়েছিল। পূর্ব পরিকল্পিত যাত্রাপথ পাল্টে বঙ্গবন্ধুকে আনা হয় রেসকোর্সে। ভাষণের পরেও বদলাতে হয়েছিল পথ। ধানমণ্ডি থেকে রেসকোর্স হয়ে ফের বাসায় পৌঁছে দেওয়ার পরই স্বস্তিবোধ করছিলাম। ১৯৭১ সালে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ১ মার্চেই বঙ্গবন্ধু সিদ্ধান্ত দেন ৭ মার্চে ভাষণ দেবেন তিনি। এসময় দলমত নির্বিশেষে ছাত্র-যুবা, আওয়ামী লীগসহ শীর্ষনেতারা গিয়ে বঙ্গবন্ধুর কাছে তাদের মতামত দিতেন। ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আয়োজিত সমাবেশে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধু রেসকোর্সে ভাষণ দেবেন। ওই দিন কী ঘোষণা দেবেন বঙ্গবন্ধু? এ নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। আগেরদিন (৬ মার্চ) ইকবাল হল থেকে সব ছাত্র আমার কাছে এসে দাবি করলো, কাল (৭ মার্চ) যেনো স্বাধীনতার ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু। রাতে ৩২ নম্বরে গেলাম। বঙ্গবন্ধু বাসার উপরতলায় ছিলেন। অনেকের মাঝে স্বাধীনতার ডাক দেওয়া নিয়ে দ্বিমতও রয়েছে। তাদের মত, স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেই তো দেশ স্বাধীন হয়ে যাবে না। বঙ্গবন্ধু বলেন-‘চুপ থাক’। টিপিক্যাল ওয়েতে বঙ্গবন্ধু আমাকে চোখ টিপ দিলেন। বঙ্গবন্ধু বলেন, “যথাসময়ে সঠিক কথাটাই বলব আমি।” এদিকে বঙ্গবন্ধুকে ৭ মার্চ রেসকোর্সে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে পরিকল্পনা তৈরি করি। স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর প্রধান হিসেবে আমার উপর দায়িত্ব ছিল বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যাওয়া ও আনার। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল, অসহযোগ আন্দোলনের দিনগুলোতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে থাকার। ৭ মার্চ। আমার জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। ৭ মার্চের সকাল থেকেই আমি ছিলাম বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সঙ্গে। ঠিক হলো তিনটি গাড়ি আমাদের সঙ্গে রেসকোর্সে যাবে। দুইটি গাড়িতে থাকবে যাদের গোঁফ আছে এবং তাদের পরণে থাকবে পাঞ্জাবি। চুল থাকবে ব্যাক ব্রাশ করা। সামনের গাড়িতে আমরা। ঠিক দুইটার সময় ৩২ নম্বরের বাড়ি থেকে বের হন বঙ্গবন্ধু। আমি অত্যন্ত চিন্তিত ছিলাম। কোনো অঘটন ঘটে কিনা! তখন বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ষড়যন্ত্র চারদিকে। বলা হয়েছিল-কমান্ডো অ্যাটাক করে হত্যা করা হবে। আকাশে হেলিকপ্টারও ঘুরছে। অ্যাটাক হলে বাঁচানো যাবে না। ৩২ নম্বর থেকে এলিফ্যান্ট রোড, তৎকালীন পিজি হাসপাতালের পাশ দিয়ে রেসকোর্সে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) যাওয়ার কথা। যাত্রার শুরুতেই তাৎক্ষণিকভাবে আগের সব পরিকল্পনা বদলে ফেলি। আমি কৌশলটা নিলাম-যেভাবে যাওয়ার কথা ওভাবে যাবো না। বঙ্গবন্ধুকে আমাদের গাড়িতে তুললাম। গাড়ির ভেতরে বঙ্গবন্ধুকে রেখে আমরা এমনভাবে দাঁড়ালাম যাতে তাকে দেখা না যায়। এবার বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রওনা দিলাম নিউমার্কেট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে হাইকোর্টের পাশ দিয়ে রেসকোর্সের পথে। বিশাল জনতার ঢেউয়ের মধ্যে সোজা মঞ্চে উঠলেন তিনি। পিছনে দাঁড়িয়ে মহিউদ্দিন, আমি আর গাজীউল হক। সমাবেশে কোনো সভাপতি ছিল না। গিয়েই বঙ্গবন্ধু আমাকে বলেন, “মাইকটা দে।” জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু-স্লোগান দুটি দিতে দিতেই বঙ্গবন্ধুকে মাইক দিই। এর পরের ঘটনাতো ইতিহাস। ১৭ মিনিটে ঐতিহাসিক ভাষণটি শেষ করেন তিনি। লাখ-লাখ মানুষ দাঁড়িয়ে মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনলেন প্রতিটি কথা। আর আমার প্রতিটি মুহুর্ত ছিল আশঙ্কার। কারণ, মাথার উপরে তখনো হেলিকপ্টার ঘুরছে। ওই ভাষণেই সব নির্দেশনা পেয়ে গেলাম আমরা। জাতির জনক ৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, ডাক দেন স্বাধীনতা সংগ্রামের। মনে হল, আজকে থেকেই আমরা লডাই শুরু করে দিলাম। দেশ স্বাধীন হবেই। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ২৫ মার্চ তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ভাষণ দিয়ে নেমেই বঙ্গবন্ধু সোজা উঠেন গাড়িতে। কেউ জানে না আমরা কোন দিকে কোথায় যাচ্ছি। সেই একই কায়দায় (আগের পরিকল্পনা পাল্টে)। সমাবেশস্থল থেকে শাজাহানপুর, মতিঝিল কলোনির পাশ দিয়ে (আজকের) শেরে বাংলানগর হয়ে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে। স্বস্তি পেয়েছি, বঙ্গবন্ধুকে একেবারে, সঠিকভাবে বাড়িতে পৌঁছে দিতে পেরে। আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। দেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু রাজাকারমুক্ত হয়নি। এটাই দুঃখজনক। আজ পর্যন্ত দেশের মানুষ মুক্তির স্বাদ পায়নি। অর্থনৈতিক, সুখী, সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়তে পারলেই বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে। এখন বর্তমান প্রজন্মের কাছে আমার তিনটি চাওয়া। দেশকে রাজাকারমুক্ত করতে হবে, সুখী সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর সোনার বাংলা গড়তে হবে এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হবে। এই তিনটি কাজই এগিয়ে নিয়ে যাক নতুন প্রজন্ম। পরিচয়: ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে øাতকোত্তর ডিগ্রি নেন আব্দুর রাজ্জাক। ১৯৬৫ থেকে ৬৭ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯ থেকে ৭৫ সাল পর্যন্ত স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর প্রধান ছিলেন। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের এই সদস্য বর্তমান সংসদেও প্রতিনিধিত্ব করছিলেন, পাশাপাশি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তিনি।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-2874136688417127333?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/2874136688417127333'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/2874136688417127333'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/12/blog-post_23.html' title='বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে রাজ্জাকের স্মৃতিচারণ'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-420798861264428154</id><published>2011-12-15T19:32:00.004+01:00</published><updated>2011-12-15T19:42:37.163+01:00</updated><title type='text'>বাঙালির বিজয়ের ৪০ বছর পূর্ণ হলো : আজ উৎসব, আজ আনন্দ</title><content type='html'>&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-uXhKh8aKisU/Tuo_i8l0-PI/AAAAAAAAChQ/MsuhZWFTeSA/s1600/48300_1.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5686427349121562866" style="FLOAT: right; MARGIN: 0px 0px 10px 10px; WIDTH: 350px; CURSOR: hand; HEIGHT: 229px" alt="" src="http://4.bp.blogspot.com/-uXhKh8aKisU/Tuo_i8l0-PI/AAAAAAAAChQ/MsuhZWFTeSA/s400/48300_1.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#ff0000;"&gt;বাঙালির বিজয়ের ৪০ বছর পূর্ণ হলো : আজ উৎসব, আজ আনন্দ&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#ff0000;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#ff0000;"&gt;মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয়ের ৪০ বছর পূর্ণ হলো আজ ১৬ ডিসেম্বর&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;, &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;শুক্রবার। আজ মহান বিজয় দিবস। আজকের প্রভাতে পূর্ব দিগনেৱ যে নতুন সূর্যের উদয় হলো তার রঙ এতো লাল কেন? সেকি ‘হরিদাসী’র সিঁথির সিঁদুর মেখে, নাকি বীর মুক্তিসেনার রক্তের সাগরে স্নাত হয়ে এসেছে বলে? বিজয় আনন্দের, বিজয় গৌরবের, বিজয় মাথা তুলে দাঁড়াবার। কিন্তু বাঙালির বিজয় একাধারে বেদনারও। ৩০ লাখ শহীদের আত্মদান আর কয়েক লাখ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত যে বিজয়- সে তো বেদনার অশ্রম্নতে সিক্ত হবেই। তবু শত বেদনার মধ্যেও, বিজয় মানেই যে উৎসব! আজ তাই বাঙালির বিজয় উৎসব। ঘরে ঘরে আজ উড়ছে বিজয় কেতন। হৃদয়ে হৃদয়ে স্ফুরিত আনন্দ প্রভা। এই বাংলাদেশ আমাদের, এই স্বাধীনতা আমাদের। এই বিজয় আমাদের।মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির গৌরবময় বিজয়ের ৪০তম বার্ষিকী আজ। এ জাতির হাজার বছরের ইতিহাসে গৌরবের মহিমায় সমুন্নত অনন্য এই দিনটি। এমন একটি দিনের প্রতীক্ষায় এ দেশের মানুষ প্রহরের পর প্রহর গুনেছে, লড়াই করেছে জীবন বাজি রেখে, ঝরিয়েছে বুকের তাজা রক্ত। অবশেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাসের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে অর্জন করে চূড়ানৱ বিজয়। পূর্ণ হয় মুক্তিপাগল বাঙালির স্বপ্নসাধ। প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। দেশের সর্বত্র আজ আনন্দ-উৎসব, শোক ও শ্রদ্ধার এক অপূর্ব সম্মিলনে পালিত হবে জাতীয় জীবনের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ এই দিন- বিজয়ের ৪০তম বার্ষিকী।বাঙালির জাতীয় জীবনে এবারের বিজয় দিবস এসেছে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে, ভিন্ন মাত্রায়। এবার যখন আমরা বিজয় উৎসব উদযাপন করতে যাচ্ছি তখন দেশ চালাচ্ছে মহান মুক্তিযুদ্ধেরই চেতনায় ঋদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার। জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তিন বছর বয়সী এ সরকার এরই মধ্যে শুরম্ন করেছে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের আনুষ্ঠানিক বিচার। চিহ্নিত শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়েছে। এসব যুদ্ধাপরাধীর বিচার দাবিতে গোটা জাতি আজ একাট্টা। এবারের বিজয় দিবসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দৃঢ় অঙ্গীকার গ্রহণ করবে জাতি। শপথ নেবে একাত্তরের পরাজিত শত্রম্নদের নির্মূল করার।এদিকে, উচ্চ আদালতের রায়ে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে ৭২-এর সংবিধান। ফিরে এসেছে সংবিধানের চার মূলনীতি- গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র,বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতা। বাংলাদেশ আবার ফিরে এসেছে সাংবিধানিকভাবে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের ধারায়। রম্নদ্ধ হয়েছে ধর্মের জিগির তুলে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের পথ। এই অর্জন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে নিঃসন্দেহে এক ধাপ অগ্রগতি।বাঙালি বরাবরই স্বাধীনচেতা জাতি। বীরত্বপূর্ণ লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস এ জাতির গৌরবময় ঐতিহ্যেরই অংশ। তবুও ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে বাঙালির জন্মভূমি হয়েছে বহিরাগত শাসক-শোষকদের করতলগত। হানাদার বিদেশী শাসকরা বারবার আক্রমণ ও দখল করেছে এ দেশের শাসনদ-, লুণ্ঠন করেছে সম্পদ, শোষণ-নিষ্পেষণে করেছে জর্জরিত। কিন্তু কোনোভাবেই পারেনি বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্নকে কেড়ে নিতে। তাই সুযোগ পেলেই এ দেশের মানুষ করেছে বিদ্রোহ। শত্রম্নর বিশাল শক্তিমত্তা জেনেও অসীম সাহসে নেমেছে অসম লড়াইয়ে। বাঙালির এই লড়াই-সংগ্রামেরই চূড়ানৱ বহিঃপ্রকাশ ঘটে ১৯৭১ সালে।১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত বিভক্তির মধ্য দিয়ে পূর্ববাংলা পাকিসৱান রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে পরিগণিত হয়। কিন্তু পাকিসৱানের জন্মলগ্নেই শাসকগোষ্ঠী বাঙালির অসিৱত্বের ওপর আঘাত হানে। ১৯৪৮ সালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জনসভা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে পাকিসৱানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা করেন উর্দুই হবে পাকিসৱানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। ছাত্ররা উভয় স্থানেই তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘোষণার প্রতিবাদ জানায়। ছাত্র সমাজের এ প্রতিবাদের ধারাবাহিকতায় আমাদের মাতৃভাষা ‘বাংলা’র মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবিতে দেশব্যাপী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ ভাষা দিবস উপলক্ষে আহূত ধর্মঘটে পিকেটিং করার সময় পূর্ব বাংলার সচিবালয় ইডেন বিল্ডিংয়ের গেইট থেকে পুলিশ শেখ মুজিবসহ নেতৃবৃন্দকে গ্রেপ্তার ও কারাগারে নিক্ষেপ করে। দিনে দিনে ছাত্র সমাজের ভাষার অধিকারের এ আন্দোলন ব্যাপক জনসমর্থন লাভ করে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রম্নয়ারি আন্দোলনের এক পর্যায়ে কারাগারে আটক শেখ মুজিবুর রহমানের পরামর্শ অনুযায়ী ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মিছিল বের হলে পুলিশ গুলি চালায়। গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরসহ অনেকেই হতাহত হন। ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদের’ অনমনীয় এ আন্দোলনের ফলে পাকিসৱানের অবাঙালি শাসকগোষ্ঠী বাংলাভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিতে বাধ্য হয়। বাহান্নর ভাষা আন্দোলন নিছক একটি ভাষা আন্দোলনই ছিল না। এ আন্দোলন ছিল বাঙালির ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি তথা জাতীয় অসিৱত্ব রক্ষার একটি সংগ্রামের সূচনা। এ ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই আসে ৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২-এর শিক্ষা সংকোচন নীতি ও আইয়ুব খানের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন, ’৬৬ সালের বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা ও ছাত্রদের ১১ দফা, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচন এবং চূড়ানৱ পর্যায়ে ’৭১-এর স্বাধীনতা সংগ্রাম।পাকিসৱানের রাষ্ট্র কাঠামোয় বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশ সম্ভব নয় বিবেচনা করে মূলত ১৯৬২ সালেই তৎকালীন ছাত্রনেতাদের মধ্যে পূর্ব বাংলাকে স্বাধীন করার চিনৱার উন্মেষ ঘটে। বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ এ ছাত্রনেতারা গোপনে ছাত্রদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। সশস্ত্র সংগ্রামের প্রস্তুতির লক্ষ্যে সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক ও কাজী আরেফ ‘স্বাধীন বাংলা বিপস্নবী পরিষদ’ গঠন করেন সংক্ষেপে যাকে ‘নিউক্লিয়াস’ বলা হতো। ’৬৬ সালের ৫ ফেব্রম্নয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় জাতীয় সংহতি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের দাবি সংবলিত ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন। এই ৬ দফাই ছিল মূলত বাঙালির মুক্তি সনদ। পরবর্তী সময়ে ৬ দফাকে ধারণ করে ছাত্ররা ১১ দফা দাবি উত্থাপন করে। ৬ দফা ও ১১ দফা বাঙালির প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়। এ সময় পাকিসৱান সরকার মিথ্যা ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’য় বঙ্গবন্ধুকে অভিযুক্ত ও বন্দী করে। এতে আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ হয়। এক পর্যায়ে এ আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।ব্যাপক গণঅভ্যুত্থানের মুখে ’৬৯-এর ২৫ মার্চ আইয়ুব খান সামরিক আইন জারি করে সেনাবাহিনী প্রধান ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হসৱানৱর করেন। ইয়াহিয়ার সামরিক সরকার গণদাবিকে উপেক্ষা করতে পারেনি- সাধারণ নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়। ’৭০-এর ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সাংবিধানিক প্রথা অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের কাছে ক্ষমতা হসৱানৱরের বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও পাকিসৱানি শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর কাছে ক্ষমতা হসৱানৱরে টালবাহানা শুরম্ন করে। শুরম্ন হয় ষড়যন্ত্র। ’৭১ সালের ১ মার্চ এক বেতার ঘোষণায় ইয়াহিয়া খান ৩ মার্চ আহূত পার্লামেন্ট অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। এর মাধ্যমে তাদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে যায়। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অগ্নিগর্ভ ভাষণ, তার বজ্রকণ্ঠের ঘোষণা ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’- জাতির চূড়ানৱ লড়াই-সংগ্রামের পথ দেখায়। শুরম্ন হয় অসহযোগ আন্দোলন। শুরম্ন হয় মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতিও।এদিকে সংকট নিরসনে আলোচনার নামে কালক্ষেপণ শুরম্ন করে পাকিসৱানি সামরিক জানৱা। এই কালক্ষেপণের সুযোগে পাকিসৱানি শাসকগোষ্ঠী এ দেশে নিয়ে আসে বিপুল সংখ্যক সৈন্য ও অস্ত্র। তারপর ২৫ মার্চ গভীর রাতে পাকিসৱানি বাহিনী ঘুমনৱ বাঙালির ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের ধারণা ছিল অতর্কিত আক্রমণে বাঙালি হতচকিত হয়ে পড়বে, হত্যা নির্যাতনের ভয়ে স্বাধীনতার দাবি পরিত্যাগ করবে। কিন্তু তারা জানতো না বাঙালির আপোসহীন বীরত্বের ইতিহাস। তারা অনুভব করতে পারেনি বাঙালির স্বাধীনতার স্পৃহা কতোটা তীব্র, অদম্য। পাকিসৱানি শাসকগোষ্ঠীকে হতবাক করে দিয়ে সেই কালরাতেই রম্নখে দাঁড়ায় স্বাধীনতাকামী বাঙালি। শুরম্ন হয় প্রতিরোধ সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ।একাত্তরের মার্চ থেকে ডিসেম্বর, ৯ মাস পাকিসৱানি হানাদার বাহিনী এ দেশে যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে তার কোনো পরিমাপ হয় না। ৩০ লাখ শহীদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে মাটি। সম্ভ্রম হারিয়েছেন, চরম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২ লাখ মা-বোন। জাতি এ যুদ্ধে হারিয়েছে তার শ্রেষ্ঠ সনৱান বুদ্ধিজীবীদের। পাকিসৱানি বাহিনীর গণহত্যার প্রত্যুত্তরে একাত্তরের ২৬ মার্চ থেকে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে বিজয় অর্জনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে অকুতোভয় বাঙালি জাতি যে যুদ্ধ শুরম্ন করেছিল তার সমাপ্তি হয় আনন্দ-বেদনার সম্মিলনে ওই বছর ১৬ ডিসেম্বর।২৫ মার্চ গভীর রাতে পাকিসৱানি সেনাবাহিনী অতর্কিত আক্রমণ চালায় ঢাকাসহ দেশের সবগুলো বড় শহর ও সেনানিবাসে বাঙালি রেজিমেন্টগুলোর ওপর। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রাত ১২টার পর তার ধানম-ির বাসভবনে পাকিসৱানি সেনাবাহিনীর হাতে বন্দী হন। বন্দী হওয়ার পূর্বে তিনি দলীয় নেতৃবৃন্দকে করণীয় বিষয়ে যথাযথ নির্দেশনা দিয়ে অবস্থান পরিবর্তনের কথা বলেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধুর এ ঘোষণা অয়্যারলেস মেসেজের মাধ্যমে সারা দেশে পৌঁছে যায়। চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর এই স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করেন। তাছাড়া, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা লিফলেট আকারে বিলিও করা হয়। পরে ২৭ মার্চ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার এ ঘোষণা বেতার কেন্দ্র থেকে একাধিকবার প্রচার করা হয়।ইতোমধ্যে শুরম্ন হয়ে যায় প্রতিরোধ সংগ্রাম। ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইপিআর, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর বাঙালি সদস্যরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জনতার সহযোগিতায় মরণপণ সংগ্রামে লিপ্ত হন। কিন্তু শক্তিশালী হানাদার পাকিসৱানি সৈন্যদের বিরম্নদ্ধে বেশিদিন টিকতে না পেরে প্রতিরোধ যোদ্ধারা সীমানৱ অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করেন। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারাও ভারতে গিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন। বঙ্গবন্ধুর পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ১৯৭১’র ১০ এপ্রিল নির্বাচিত সাংসদরা ভারতের আগরতলায় একত্রিত হয়ে এক সর্বসম্মত সিদ্ধানেৱ সরকার গঠন করেন। এ সরকার স্বাধীন সার্বভৌম ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’। স্বাধীনতার সনদ বলে এ সরকারের কার্যকারিতা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত হয়। ১৭ এপ্রিল এই প্রবাসী সরকার মেহেরপুরের ভবেরপাড়ায় (বৈদ্যনাথতলা) আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ করে। বাঙালির প্রাণপুরম্নষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে শপথ গ্রহণের এ স্থানটির নামকরণ করা হয় মুজিবনগর। মুজিবনগরে শপথ নেয় বলে এ সরকার মুজিব নগর সরকার নামেও আখ্যায়িত হয়ে থাকে। এ সরকারের রাষ্ট্রপতি পদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়। এ সরকারের নেতৃত্বে এবং বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সহযোগিতায় পরিচালিত হয় দীর্ঘ ৯ মাসব্যাপী বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ। অবশেষে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধের কাঙ্ক্ষিত বিজয়। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করে অবনত মসৱকে দাঁড়িয়েছিল হানাদার পাকিসৱানি বাহিনী। পাকিসৱানি জেনারেল নিয়াজী তার ৯৩ হাজার সৈন্য এবং বিপুল অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হন এই দিনে। আর সেই থেকে এই দিনটি হয়ে ওঠে আমাদের বিজয়ের স্মারক- ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-420798861264428154?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/420798861264428154'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/420798861264428154'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/12/blog-post_9181.html' title='বাঙালির বিজয়ের ৪০ বছর পূর্ণ হলো : আজ উৎসব, আজ আনন্দ'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-uXhKh8aKisU/Tuo_i8l0-PI/AAAAAAAAChQ/MsuhZWFTeSA/s72-c/48300_1.jpg' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-7402435292516798184</id><published>2011-12-15T19:27:00.003+01:00</published><updated>2011-12-15T19:31:18.421+01:00</updated><title type='text'>বিজয়ের ৪০ বছর</title><content type='html'>&lt;div align="justify"&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#cc0000;"&gt;বিজয়ের ৪০ বছর" বিজয়ের ৪০ বছর&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;ঢাকা, ডিসেম্বর ১৬ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের &lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-lpkXFONq3d8/Tuo8uEXYljI/AAAAAAAAChE/l6jZH50_lU8/s1600/2011-12-16-00-01-24-Savar_tm.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5686424241652143666" style="FLOAT: right; MARGIN: 0px 0px 10px 10px; WIDTH: 291px; CURSOR: hand; HEIGHT: 203px" alt="" src="http://1.bp.blogspot.com/-lpkXFONq3d8/Tuo8uEXYljI/AAAAAAAAChE/l6jZH50_lU8/s400/2011-12-16-00-01-24-Savar_tm.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;মাধ্যমে ১৯৭১ সালের এই দিনে দুই যুগের পাকিস্তানী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল বাংলাদেশ। বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের এ দিনটি উদযাপনে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে। সকালে শেরে বাংলা নগরে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে (পুরনো বিমানবন্দর) ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সূর্যোদয়ের সঙ্গেসঙ্গে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা হবে। রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপগুলো জাতীয় পতাকা ও রং-বেরংয়ের বিভিন্ন পতাকায় সজ্জিত করা হবে। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপসানালয়ে মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হবে। হাসপাতাল, জেলখানা, বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানা, শিশুপরিবার ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানগুলোয় উন্নতমানের খাবার সরবরাহ করা হবে। রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এদিন বিকেলে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সংবর্ধনা দেবেন। বাণী রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, “এ বছর বিজয়ের চল্লিশ বছর পূর্তি উদযাপিত হচ্ছে। সঙ্গত কারণেই এবারের বিজয় দিবস উদ্যাপন তাৎপর্যপূর্ণ। ভৌগোলিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্বয়ম্ভরতা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য।” প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, “আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ইতিহাসের কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। জাতির পিতার অবিসংবাদিত নেতৃত্বে বাঙালি জাতির দীর্ঘ তেইশ বছরের স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত ফসল ছিল একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ।” “বর্তমান সরকার সংবিধানে পনেরতম সংশোধনীর মাধ্যমে জনগণের আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকে প্রতিহত করতে এ উদ্যোগ এক মাইলফলক।” সেই দিন ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স (পরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ময়দানে বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী ও যুদ্ধে সক্রিয় সহায়তাকারী ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সেনা কমান্ডের যৌথ নেতৃত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করেন যুদ্ধে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেওয়া লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমীর আব্দুলাহ খান নিয়াজী। এর মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত বিজয় পেয়ে বিশ্ব মানচিত্রে নতুন রাষ্ট্র হিসেবে যুক্ত হয় বাংলাদেশ। ’৭১ এর ২৫ মার্চ পাকিস্তানী সেনাবাহিনী বাংলাদেশের নিরস্ত্র জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এর আগেই ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে তার ঐতিহাসিক ভাষণে ‘যার যা কিছু আছে, তা নিয়েই স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত’ থাকার আহ্বান জানান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ২৫ মার্চ তিনি পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন। নানা কর্মসূচি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর পর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। পুষ্পস্তবক দেবেন বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকরাও। এছাড়া সর্বস্তরের জনগণ জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবে। দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ হবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিএনসিসি, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ড এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করবে। প্রধানমন্ত্রী কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ ও কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করবেন। রীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সালাম গ্রহণ করে থাকেন। তবে স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি এবার কুচকাওয়াজে উপস্থিত থাকতে পারছেন না। কুচকাওয়াজে থাকবে বিমান বাহিনীর ফ্লাইপাস্ট, উড়ন্ত হেলিকপ্টার থেকে রজ্জু বেয়ে অবতরণ, প্যারাস্যুট জাম্প ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সম্পর্কে যান্ত্রিক বহর প্রদর্শনী। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা স্তম্ভে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা, পোস্টার প্রদর্শনী ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনসহ অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল দিবসটি উপলক্ষে পৃথক কর্মসূচি দিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়েছে। &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-7402435292516798184?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/7402435292516798184'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/7402435292516798184'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/12/blog-post_15.html' title='বিজয়ের ৪০ বছর'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-lpkXFONq3d8/Tuo8uEXYljI/AAAAAAAAChE/l6jZH50_lU8/s72-c/2011-12-16-00-01-24-Savar_tm.jpg' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-7071551109315572346</id><published>2011-12-15T19:22:00.003+01:00</published><updated>2011-12-15T19:26:33.545+01:00</updated><title type='text'>শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত : সবার কণ্ঠেই আওয়াজ ছিল দ্রম্নত হোক যুদ্ধাপরাধ বিচার</title><content type='html'>&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-bg0Wh5Yffu0/Tuo7qBL-uHI/AAAAAAAACg4/s9ywuwe6lLQ/s1600/thumb1.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5686423072567900274" style="FLOAT: right; MARGIN: 0px 0px 10px 10px; WIDTH: 202px; CURSOR: hand; HEIGHT: 178px" alt="" src="http://3.bp.blogspot.com/-bg0Wh5Yffu0/Tuo7qBL-uHI/AAAAAAAACg4/s9ywuwe6lLQ/s400/thumb1.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;em&gt;&lt;strong&gt;শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত : সবার কণ্ঠেই আওয়াজ ছিল দ্রম্নত হোক যুদ্ধাপরাধ বিচার&lt;/strong&gt;&lt;/em&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;em&gt;&lt;strong&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/em&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div align="justify"&gt;ফুলেল শ্রদ্ধা আর বিনম্র ভালোবাসায় দেশের শ্রেষ্ঠ সনৱান শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করলো জাতি। শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাবনতচিত্তে দাঁড়িয়ে সবার অঙ্গীকার ছিল রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশ গড়বো। সবার কণ্ঠেই ছিল এক আওয়াজ, দ্রম্নত হোক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের দ্রম্নত বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দাবি জানান তারা।যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবির মধ্য দিয়ে গতকাল বুধবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। কাকডাকা ভোরে জনতার ঢল নামে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ আর রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে আসেন এবং ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও সাংসদ এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা উপসি'ত ছিলেন। শ্রদ্ধা জানানোর পর প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। মুক্তিযোদ্ধারা তার কাছে বিভিন্ন অনুযোগ জানান। প্রধানমন্ত্রী তাদের সেগুলো পূরণের আশ্বাস দেন।মুক্তিযোদ্ধাদের একজন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রম্নত শেষ করার দাবি জানালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষও তা-ই চায়।প্রধানমন্ত্রীর পর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই প্রশাসক, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। সকাল ৭টার পর স্মৃতিসৌধ সর্বসৱরের মানুষের জন্য খুলে দেয়া হয়। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে স্মৃতিসৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। এ সময় দলটির মহাসচিব রম্নহুল আমিন হাওলাদার তার সঙ্গে ছিলেন।সকাল পৌনে ৮টার দিকে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে আসেন বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া। দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীকে সঙ্গে বিরোধীদলীয় নেত্রী শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পসৱবক অর্পণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরম্নল ইসলামসহ সিনিয়র নেতারা।তারপর একে একে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শুরম্ন করে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। শহীদ পরিবারের সদস্যরা শ্রদ্ধা জানান হারানো স্বজনদের প্রতি। এছাড়াও দিনভর বিভিন্ন সংগঠন এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহীদ স্মৃতিসৌধসহ বুদ্ধিজীবীনিধনযজ্ঞস'ল রায়েরবাজার স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের ঢল নামে। এ সময় ফুলেল শ্রদ্ধায় রায়েরবাজার স্মৃতিসৌধ ভরে ওঠে। আর এখানে আসা মুক্তিযোদ্ধারা নতুন করে দেশ গড়ার শপথ নিলেন। তাদের মনে ৪০ বছর ধরে যে ক্ষত জমেছে তাকে মুছে ফেলতে সরকারকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রম্নত বাসৱবায়ন করার আহ্বান জানান তারা। নানা সময়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে- এ কথা উলেস্নখ করে বধ্যভূমিতে আসা সাধারণ মানুষ এর সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার দাবি জানিয়েছেন।৭১-এর এইদিনে দেশকে মেধাশূন্য করতে রাজাকার, আল-বদর বাহিনীরা বুদ্ধিজীবীদের ধরে এনে এখানেই হত্যা করেছিল। স্বাধীনতার পর দীর্ঘসময় পেরিয়ে গেলেও এখনো এসব হত্যার বিচার হয়নি। দেশের মানুষের জোরালো দাবি সত্ত্বেও কেন তা বাসৱবায়িত হয়নি সাধারণ মানুষের মনে এ প্রশ্নই তাড়া করছে।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ : সকাল সাড়ে ৭টায় দলের কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও সারা দেশে সংগঠনের কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। সকাল সাড়ে ৬টায় মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং সকাল সাড়ে ৭টায় রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। সকাল ৯টায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন দলীয় নেতাকর্মীরা। বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু আনৱর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্ব আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।জাতীয় পার্টি : জাতীয় পার্টির প্রেসিডেন্ট এইচ এম এরশাদ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পসৱবক অর্পণ করেন। এ সময় এইচ এম এরশাদ বলেন, আমরা চাই বিচার হোক। কিন' বিচারের কার্যক্রম খুব ঢিমেতালে চলছে।বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি : জাতির শ্রেষ্ঠ সনৱান বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। সকালে পার্টির সভাপতি মনজুরম্নল আহসান খান এবং সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এবং রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়।মইনুদ্দীন খান বাদলের নেতৃত্বে স্মৃতিসৌধে ফুল দেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) নেতাকর্মীরা। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাংসদ রাশেদ খান মেনন দলের পক্ষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। জাসদের নেতা আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বে বেদিতে ফুল দেন একদল নেতাকর্মী। সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের পক্ষে ফুল দিতে আসেন মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারম্নন হাবিব ও সুব্রত ঘোষ।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় : নানা কর্মসূচির মাধ্যমে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল সকাল সাড়ে ৭টায় সকল হল, উপাচার্য ভবন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে কালো পতাকা উত্তোলন, সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে সমবেত হওয়া, সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ সংলগ্ন কবরস'ান, জগন্নাথ হল স্মৃতিসৌধ ও বিশ্বদ্যিালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলের স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ।বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের মানববন্ধন : গতকাল সকালে রাজধানীর রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের মানববন্ধনে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তাদের হত্যাকা-ে সহযোগী রাজাকার, আলবদর বাহিনীর দৃষ্টানৱমূলক শাসিৱর দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনে উপসি'ত ছিলেন স'ানীয় সরকার, পলস্নী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তারানা হালিম, যুগ্ম-সম্পাদক অরম্নণ সরকার রানা, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানুসহ জোটের নেতারা।শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, সিপিবি, নজরম্নল ইনস্টিটিউট, বাংলা একাডেমী, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, মনন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ স্মৃতি পাঠাগার, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন, শিক্ষক ও ছাত্র সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক-সাংস্কৃতিক-পেশাজীবী সংগঠন, শহীদ পরিবারের সদস্যসহ সর্বসৱরের মানুষ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান। দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্মৃতিচারণ, চিত্রপ্রদর্শনী। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ বেতার, বিটিভি, জাতীয় দৈনিক পত্রিকা, বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও এফএম রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এদিকে দিবসটি পালন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, সংসদের বিরোধীদলীয় নেত্রী, সরকারের সংশিস্নষ্ট মন্ত্রীবর্গ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন সংগঠন-প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি বাণী প্রদান করেছেন। রেডিও-টেলিভিশনে বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচারিত হ"েছ। সংবাদপত্রগুলো বিশেষ প্রবন্ধ-নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-7071551109315572346?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/7071551109315572346'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/7071551109315572346'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/12/blog-post.html' title='শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত : সবার কণ্ঠেই আওয়াজ ছিল দ্রম্নত হোক যুদ্ধাপরাধ বিচার'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/-bg0Wh5Yffu0/Tuo7qBL-uHI/AAAAAAAACg4/s9ywuwe6lLQ/s72-c/thumb1.jpg' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-7575706574409536108</id><published>2011-08-16T00:57:00.004+02:00</published><updated>2011-08-17T00:37:49.001+02:00</updated><title type='text'>সেরনিয়াবাতের বাসায় গুলিবিদ্ধ : সেই রাতের কথা মনে হলে আঁতকে ওঠেন ডা. জিল্লুর</title><content type='html'>&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#009900;"&gt;সেরনিয়াবাতের বাসায় গুলিবিদ্ধ : সেই রাতের কথা মনে হলে আঁতকে ওঠেন ডা. জিল্লুর &lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-Gvaitg1pIhs/Tkmks5iZWZI/AAAAAAAACgQ/ejdrizTwOrE/s1600/15-Barisal.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5641221099524544914" style="FLOAT: right; MARGIN: 0px 0px 10px 10px; WIDTH: 228px; CURSOR: hand; HEIGHT: 266px" alt="" src="http://4.bp.blogspot.com/-Gvaitg1pIhs/Tkmks5iZWZI/AAAAAAAACgQ/ejdrizTwOrE/s400/15-Barisal.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;ঘাতকের বুলেটের আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হয়েও বেঁচে থাকা ডা. খ ম জিল্লুুর রহমান এখনো রাতে আঁতকে ওঠেন। ১৫ আগস্টের সেই বিভীষিকাময় রাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বারবার প্রিয় নেতার কথা বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন। সেই রাতের ভয়াল ও লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ঘাতকরা এতোই পাষাণ যে তারা বঙ্গবন্ধুর ছোট শিশু সন্তান শেখ রাসেল ও আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর শিশুপুত্র সুকান্ত বাবুকেও ওরা বাঁচিয়ে রাখেনি। নির্মমভাবে তাদেরকে হত্যা করেছে। ডা. জিল্লুুর বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতার ৪০ বছর পর হলেও বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করেছেন দেখতে পেয়ে আমার কাছে ভালো লেগেছে। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;যে বঙ্গবন্ধু না হলে দেশ স্বাধীন হতো না, আমরা বাংলাদেশ পেতাম না। সেই স্বাধীনতার স্থপতির খুনিদের বিচারে এতো বিলম্ব হওয়াটা জাতির জন্য বড় বেদনাদায়ক। গত ১৪ আগস্ট পবিত্র মাহে রমজানের তারাবির নামাজ আদায়ের পর ভারাক্রান্ত হৃদয়ে মর্মস্পর্শী ১৫ আগস্টের সেই ভয়াল রাতের বর্ণনা করেন তিনি। তিনি বলেন, তৎকালীন মন্ত্রী কামরুজ্জামান বরিশাল এলে ক্রিডেন্স ব্যান্ড তাকে বিপুলভাবে সংবর্ধনা প্রদান করে। মন্ত্রী কামরুজ্জামান ক্রিডেন্স ব্যান্ডের গানে মুগ্ধ হয়ে ব্যান্ড দলকে ঢাকায় যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান এবং শিল্পীদের বেতারে গান গাওয়ার ব্যবস্থা করে দেবেন বলে আশ্বাস দেন। মন্ত্রীর আশ্বাসে ক্রিডেন্স ব্যান্ড দলের ১০ সদস্য ১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকায় গিয়ে বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি মন্ত্রী আঃ রব সেরনিয়াবাতের বাসায় ওঠেন। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;ওই দলের নেতৃত্ব দেন বরিশাল অপসোনিনের বর্তমান ম্যানেজিং ডিরেক্টর আঃ রউফ খান নান্টু। তার নেতৃত্বে ওই প্রতিনিধিদল ১৪ আগস্ট বিকালে আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় মিলাদে অংশগ্রহণ করেন। ডা. জিল্লুর বঙ্গবন্ধুর হাতে মিলাদের তবারক তুলে দেন। জিল্লুুর বলেন, রাতে মন্ত্রী কামরুজ্জামানের বাসায় একটি শিশুর জন্মদিনে আমরা ব্যান্ড দল অংশগ্রহণ করি। আমাদের ব্যান্ড দলের গানে মুগ্ধ হয়ে অনেকেই পুরস্কৃত করেন। আমরা ক্রিডেন্স ব্যান্ড দল সেখান থেকে চলে এসে আঃ রব সেরনিয়াবাতের বাসার নিচতলার ফ্লোরে ঘুমানোর আয়োজন করি। ১৫ আগস্ট ভোররাতে হঠাৎ গুলির শব্দে আমার ঘুম ভেঙে যায়। কিছুক্ষণ পরে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে এলেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। তিনি সবাইকে ভেতরের রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে চুপচাপ থাকবে বলে চলে গেলেন দোতালায়। আমিসহ সবাই ভয়ে কাতর হয়ে জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখি বাইরে সেনা সদস্যরা অস্ত্র হাতে বাড়ি ঘিরে রেখেছে। অল্প সময় পরই যে রুমে আমরা প্রথম শুয়েছিলাম সৈনিকরা সেই রুমের কাঁচের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;সৈনিকরা অনেকে উর্দুতে গালাগাল করে আমাদের রুমের দরজা খুলতে নির্দেশ দেয়। কিছু সময় পরে আমি দরজা খুলে দিলে একজন সৈনিক ভেতরে প্রবেশ করেন। তখন আমাদের সঙ্গে থাকা সৈয়দ গোলাম মাহমুদ ওই সৈনিকের পা জড়িয়ে ধরে বলেন, স্যার আমরা এই বাসার কেউ নই, আমরা এখানে গান গাইতে এসেছি। তখন ওই সৈনিক আমাদের সবাইকে ‘ফরোয়ার্ড’ বলে সামনের দিকে নিয়ে যায়। এ সময় দেখতে পাই দোতালা থেকে আঃ রব সেরনিয়াবাত ও তার পরিবার বর্গকে সৈনিকরা নিচে নিয়ে আসছে। ওই সময় আঃ রব সেরনিয়াবাতের কন্যা বেবিকে একজন মেজরের সঙ্গে ঝগড়া করতে দেখেছি। বেবিকে বলতে শুনেছি আপনারা কারা? কেন আপনারা এ বাসায় এসেছেন ? আপনারা জানেন এ বাসা বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতির বাসা। সৈনিকরা সবাইকে নিচতলায় ড্রইং রুমে নিয়ে আসে। ড্রইং রুমে আমরা ক্রিডেন্স ব্যান্ড দলের ৮-১০ জনসহ মোট ৩০-৩২ জন অবস্থানকালীন দেখতে পাই বাইরে প্রচ- গুলি হচ্ছে। এ সময় একজন সৈনিক ড্রইং রুমের দরজায় দাঁড়িয়ে ব্রাশ ফায়ার করছেন। একে একে অনেককেই লুটিয়ে পড়তে দেখে আমি বাঁচার জন্য প্রাণপণে আল্লাহকে ডাকতে থাকি। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমার শরীরের নিচের অংশে অনেকগুলো গুলি লাগে (পরে জানতে পারি ১৩টি)। আমি নিচে লুটিয়ে পড়ি। তখনো আমার হুশ ছিল। সবকিছু দেখতে পাচ্ছি। ওই সৈনিক একাই পরপর ৩টি অস্ত্র দিয়ে রুমের মধ্যে ব্রাশ ফায়ার করলো। সবাই লুটিয়ে পড়ার পর অন্য একজন সৈনিক ১টি রিভলবার নিয়ে রুমের মধ্যে প্রবেশ করে অনেকের মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করে। আমার ডান হাতে ২টি ও বাম হাতে ২টি গুলি করে। আজ আমি ১৭টি গুলির ক্ষতচিহ্ন নিয়ে বেঁচে আছি। ওই সৈনিক রুম থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর কে যেন আমাকে টেনে হিঁচড়ে ড্রইং রুমের সোফার নিচে ঢুকিয়ে দেয়। যাদের গায়ে গুলি লাগেনি তারা সৈনিকরা চলে যাওয়ার পর পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ আমাদের রুমে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার স্ত্রীর গায়েও গুলি লাগে। এ সময় হাসানাত ভাইকে চলে যেতে অনুরোধ করি। তখন তিনি ওই বাড়ি থেকে চলে যান। সকাল হলে রমনা থানার ওসি এসে সবাইকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। ওই মর্মস্পর্শী হত্যাকা-ে আমার সঙ্গে থাকা আবু নঈম খান রিন্টু গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই শহীদ হন। ক্রিডেন্স ব্যান্ড গ্রুপের সৈয়দ গোলাম মাহমুদ, বাবু ললিত কুমার দাস, রফিকুল ইসলাম পিন্টু, দিলীপ দাও গুলিবিদ্ধ হন। আমাদের সঙ্গে থাকা লে. কর্নেল (অব.) কায়জার, জন মাইকেল চৌধুরী ও মুকুল দাসের গায়ে গুলি লাগেনি। ওই ভয়াল রাতের দৃশ্য আজো মনে পড়লে গা শিউরে ওঠে। রাতে মাঝে মধ্যে এখনো আঁতকে উঠি।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-7575706574409536108?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/7575706574409536108'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/7575706574409536108'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/08/blog-post_16.html' title='সেরনিয়াবাতের বাসায় গুলিবিদ্ধ : সেই রাতের কথা মনে হলে আঁতকে ওঠেন ডা. জিল্লুর'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-Gvaitg1pIhs/Tkmks5iZWZI/AAAAAAAACgQ/ejdrizTwOrE/s72-c/15-Barisal.jpg' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-2716470993670119233</id><published>2011-08-14T23:56:00.002+02:00</published><updated>2011-08-15T00:00:51.007+02:00</updated><title type='text'>আজ বাঙালির শোকের দিন</title><content type='html'>&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-2-CHEQlAwpM/TkhFW66RFGI/AAAAAAAACgI/qrdIZfI_V_U/s1600/top1.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5640834793354630242" style="FLOAT: right; MARGIN: 0px 0px 10px 10px; WIDTH: 292px; CURSOR: hand; HEIGHT: 196px" alt="" src="http://3.bp.blogspot.com/-2-CHEQlAwpM/TkhFW66RFGI/AAAAAAAACgI/qrdIZfI_V_U/s400/top1.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;আজ বাঙালির শোকের দিন &lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div align="justify"&gt;বাঙালির শোকের দিন ১৫ আগস্ট আজ। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৬তম শাহাদাতবার্ষিকী, জাতীয় শোক দিবস। বাঙালির জাতীয় জীবনে শোকাচ্ছন্ন রক্তাক্ত স্মৃতিবিজড়িত এক কালো দিন আজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ভোরে একদল রক্তলোলুপ ষড়যন্ত্রকারীর নীলনকশা অনুযায়ী সেনাবাহিনীর আদর্শচ্যুত কয়েকজন হিংস্র লোভী ঘাতক ধানম-ির ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িটিতে সপরিবারে হত্যা করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে। বিগত ৩৬টি বছর ধরে সেই ঐতিহাসিক বাড়িটির দেয়ালে দেয়ালে, সিঁড়িতে, সারাবাড়ি জুড়ে ছড়িয়ে আছে নির্মম সেই হত্যাকা-ের নিদর্শন। বছর ঘুরে আজ আবার এসেছে বেদনাবিধুর সেই ১৫ আগস্ট। তবে এবার এক নতুন প্রেক্ষাপটে পালিত হচ্ছে জাতির জনকের শাহাদাতবার্ষিকী। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div align="justify"&gt;অবৈধ ৰমতা দখল চিরতরে রদকল্পে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী দেশের সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে মহান জাতীয় সংসদ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির চির অবসান ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটানো হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে উদ্ভাসিত হয়ে সংবিধান থেকে অপরাজনীতির অগণতান্ত্রিক স্বৈর ধারাকে অপসারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি জাতিগত কলঙ্ক মোচনের আরেকটি মাইলফলক হিসেবে স্বাধীনতাবিরোধী, জাতিদ্রোহী, দেশদ্রোহী, স্বদেশের মুক্তিকামী মানুষের বির্বদ্ধে ভিনদেশী ঔপনিবেশিক দখলদারদের পক্ষাবলম্বনকারী অর্থাৎ মানবতার বির্বদ্ধে অপরাধী ’৭১-এর নরঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুর্ব হয়েছে। নতুন এই প্রেক্ষাপটে শোককে শক্তিতে পরিণত করার নতুন প্রেরণায় ব্যাপক আয়োজনের মাধ্যমে যথাযোগ্য মর্যাদায় রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে জাতীয় শোক দিবস। জাতি আজ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে শপথ নেবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার। আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন এ উপলক্ষে গ্রহণ করেছে নানা কর্মসূচি। জাতীয় শোক দিবসে সকল সরকারি ও বেসকারি ভবন এবং বিদেশী দূতাবাসগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ জিলৱুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে পৃথক বাণী দিয়েছেন।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;’৭১ সালের মহান স্বাধীনতা একদিকে যেমন বাঙালি জাতির জীবনে নতুন এক আস্বাদ এনে দিয়েছিল, ঠিক তেমনি স্বাধীন দেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের পরিবর্তন প্রক্রিয়া, স্বচ্ছতা, সমৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রহণ করেছিলেন নানা উদ্যোগ। বঙ্গবন্ধুর গৃহীত পদক্ষেপসমূহ সদ্য স্বাধীন দেশকে যখন দ্র্বত উন্নতি ও অগ্রগতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল তখনই শুর্ব হয় ষড়যন্ত্র। আন্তর্জাতিক কুচক্রী ও ষড়যন্ত্রকারীদের একটি গোষ্ঠী, সেনাবাহিনীর ক্ষমতালিপ্সু কতিপয় সদস্য এবং সর্বোপরি দুর্নীতিগ্রস্ত মুনাফালোভী কিছু ব্যক্তি এই বজ্রকণ্ঠ অমিততেজী নেতাকে অপসারণের নীলনকশা প্রণয়ন করে। তারা বুঝতে পেরেছিল বঙ্গবন্ধুকে বাংলার মাটিতে জীবিত অবস্থায় অপসারণ সম্ভব নয়। আর তা না হলে তাদের শেষ পর্যন্ত এই দেশ ছাড়তে হবে। একইভাবে আন্তর্জাতিক তাঁবেদারিতে অনভ্যস্ত বঙ্গবন্ধুর প্রতি বিরূপ ও নাখোশ মহলও শামিল হয়েছিল নির্মম হত্যাযজ্ঞের নকশা প্রণয়নে। এরই জের ধরে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর রক্তাক্ত লাশ ডিঙিয়ে ক্ষমতার মসনদে বসেছিলেন তারই দলের একটি অংশ। খন্দকার মুশতাক সেই ষড়যন্ত্রীদেরই প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। এই নির্মম হত্যাকা-ের বিচার যাতে না করা যায় সেই কুখ্যাত ইনডেমনিটিও জারি করেছিলেন। বাংলাদেশে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেই কাকডাকা ভোরে কী ঘটেছিল আজ সারা পৃথিবীজুড়ে তা রক্তাক্ত দলিল হয়ে আছে। যে ষড়যন্ত্রময় রাজনীতির রক্তবীজ রোপিত হয়েছিল বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মম হত্যাকা-ের মধ্য দিয়ে, আজ তা বিষবৃক্ষে পরিণত হয়েছে। আজো অব্যাহত আছে সেই ষড়যন্ত্রের জাল বোনা। বাঙালির ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার জন্য অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। ঘটানো হয়েছে ইতিহাসের নির্লজ্জ বিকৃতি। কিন্তু বাঙালির হৃদয় থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলা যায়নি। শোকাবহ আগস্টে সমগ্র জাতির সঙ্গে একাত্ম হয়ে আওয়ামী লীগ, সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন বেদনাবিধুর পরিবেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় শোক দিবস স্মরণ ও পালন করছে। যথাযোগ্য মর্যাদা, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে এই উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে শিশু, নর-নারী, আবালবৃদ্ধবনিতা, সকল শ্রেণী-পেশার শোকাহত মানুষের ঢল নামছে। সমগ্র জাতি শ্রদ্ধাবনতচিত্তে স্মরণ করছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মহান স্থপতি, রাষ্ট্রপিতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহীদ সদস্যবর্গকে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারবর্গের হত্যাকা-ের বিচারকার্য সম্পন্ন হয়েছে। মানবতার শত্র্ব, ঘৃণ্য নরপিশাচ ৫ আত্মস্বীকৃত খুনির ফাঁসির দ-াদেশ কার্যকর হয়েছে। বিদেশে পলাতক বাকি খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ আদালতের রায় কার্যকর করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। যারা এক সময় নিজেদের বিচারের ঊর্ধ্বে ভেবেছিল এবং কেউ তাদের কেশাগ্রও স্পর্শ করতে পারবে না বলে দম্ভ করেছিল, এই বিচার ও দ-াদেশ কার্যকর করার ভেতর দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে বাংলার মাটিতে কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। যে যতো ক্ষমতাধরই হোক না কেন, ইতিহাসের অমোঘ বিধানানুযায়ী শাস্তি ভোগ থেকে খুনিরা কেউই রেহাই পাবে না। এছাড়াও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে নস্যাৎ করার পাশাপাশি হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের অপরাজনীতি চালু হয়েছিল। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div align="justify"&gt;রাতের অন্ধকারে বন্দুকের নল উঁচিয়ে সংবিধান পদদলিত করে অবৈধ পথে ক্ষমতা দখল ও দখলিকৃত ক্ষমতাকে নিষ্কণ্টক করার জন্য সংবিধান পরিবর্তনের অশুভ ধারা সূচিত হয়েছিল। তা চিরতরে রদকল্পে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী দেশের সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে মহান জাতীয় সংসদ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির চির অবসান ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটানো হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে উদ্ভাসিত হয়ে সংবিধান থেকে অপরাজনীতির অগণতান্ত্রিক স্বৈরধারাকে অপসারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি জাতিগত কলঙ্ক মোচনের আরেকটি মাইলফলক হিসেবে স্বাধীনতাবিরোধী, জাতিদ্রোহী, দেশদ্রোহী, স্বদেশের মুক্তিকামী মানুষের বির্বদ্ধে ভিনদেশী ঔপনিবেশিক দখলদারদের পক্ষাবলম্বনকারী অর্থাৎ মানবতার বির্বদ্ধে অপরাধী ’৭১-এর নরঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুর্ব হয়েছে। উলিৱখিত পটভূমিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মহতী আদর্শ তথা শ্রেণী, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে গরিব, দুঃখী সাধারণ সকল মানুষের উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা বিধানের জন্য সুখী-সমৃদ্ধ প্রগতিশীল অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক আধুনিক কল্যাণরাষ্ট্র বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই বঙ্গবন্ধুর রক্তঋণ পরিশোধে বাঙালি জাতি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই জাতির জনকের ৩৬তম শাহাদাতবার্ষিকীতে সকলের সম্মিলিত শপথ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের লৰ্যে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা গৃহীত দিনবদলের কর্মসূচি তথা জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নয়ন, গণতন্ত্র, শান্তি ও প্রগতির পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। আওয়ামী লীগের কর্মসূচি জাতীয় শোক দিবস উপলৰে আজ সোমবার সূর্য উদয় ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সংগঠনের সকল স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন। সকাল সাড়ে ৬টায় ধানম-ির বঙ্গবন্ধু জাদুঘর প্রাঙ্গণে রক্ষিত জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধনামন্ত্রীর পুষ্পস্তবক অর্পণ, সশস্ত্র বাহিনীর গার্ড অব অনার প্রদান এবং মোনাজাত অনুষ্ঠানে যোগদান। সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে রক্ষিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। (ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন এবং নগরীর প্রতিটি শাখা থেকে শোক মিছিলসহ বঙ্গবন্ধু ভবনের সম্মুখে আগমন এবং শ্রদ্ধা নিবেদন)। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div align="justify"&gt;সকাল সাড়ে ৭টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল। সকাল সোয়া ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত এবং দুপুর দেড়টায় মিলাদ ও বিশেষ দোয়া মাহফিল (বাদ জোহর)। টুঙ্গিপাড়ার কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও কাজী জাফর উলৱাহ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক, বি এম মোজাম্মেল হক ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ শেখ মোহাম্মদ আব্দুলৱাহ, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফার্বক খান, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আলতাফ হোসেন, শেখ হার্বন অর রশিদ, সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, বেগম মন্নুজান সুফিয়ান ও শ্রী সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে অনুষ্ঠিতব্য আওয়ামী লীগের সকল কর্মসূচিতে তার সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া, সকাল ১১টায় মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। সকাল ৮টায় মিরপুর গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠান। সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠান। বিকাল ৪টায় মের্বল বাড্ডা আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারে প্রার্থনা অনুষ্ঠান। বাদ আছর দেশের সকল ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলায় মিলাদ মাহফিল ও ইফতার। ১৬ আগস্ট মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভায় সভাপতিত্ব করবেন দলের প্রেসিডিয়াম ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। আলোচনায় অংশ নেবেন জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও বরেণ্য বুদ্ধিজীবীরা। সৈয়দ আশরাফের আহ্বান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আজ ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৬তম শাহাদাতবার্ষিকী জাতীয় শোক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে পালন করার জন্য দল ও সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সংস্থাসমূহের সকল স্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের সকল জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন, ওয়ার্ডসহ সকল শাখার নেতৃবৃন্দকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করে দিবসটি স্মরণ ও পালন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;৩৬ বছর আগে এইদিনে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়াও তার স্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, বড় ছেলে শেখ কামাল, মেজো ছেলে শেখ জামাল, ছোট ছেলে শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, শেখ জামালের স্ত্রী রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই শেখ নাসের ও পুলিশের বিশেষ শাখার সাব ইন্সপেক্টর সিদ্দিকুর রহমানকে গুলি করে হত্যা করে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। সেই রাতে আরও নিহত হন বঙ্গবন্ধুর বোনের স্বামী আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ, মেয়ে বেবী ও শিশুপৌত্র সুকান্ত বাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, নিকটাত্মীয় শহীদ সেরনিয়াবাত, রিন্টু ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল। তখন থেকেই আওয়ামী লীগসহ কয়েকটি সমমনা রাজনৈতিক দল ও সংগঠন দিনটি পালন করে আসছিল। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ১৫ আগস্ট প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারও ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন করে। ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট ক্ষমতায় এসে দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত বাতিল করে। এছাড়া জাতীয় পতাকা বিধি সংশোধন করে সরকার নির্ধারিত দিন ছাড়া জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এরপর থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মসূচির মধ্য দিয়েই দিনটি পালিত হয়ে আসছিল। ২০০৮ সালে হাইকোর্ট এক রায়ে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পুনর্বহালের নির্দেশ দেয়। সরকারও সে অনুযায়ী দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয় এবং ১৫ আগস্ট ছুটির দিন ঘোষণা করে। বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রবাদপুরুষ বলে পরিচিত শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন অবসানের পর পূর্ব পাকিস্তানে ছাত্রলীগ গঠনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসেন। এরপর '৫২-র ভাষা আন্দোলন, '৫৪-তে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন, '৬৬-তে ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা এবং '৬৮-তে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হন। ১৯৬৯-এ ছাত্র-জনতা গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ মুজিবকে কারামুক্ত করে তাকে বঙ্গবন্ধু খেতাবে ভূষিত করে। ১৯৭১ সালের উত্তাল মার্চে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) বিপ্লবী কণ্ঠে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার চূড়ান্ত ডাক- 'এবারের সংগ্রাম-আমাদের মুক্তির সংগ্রাম; এবারের সংগ্রাম- আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম' জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে এবং ঐক্যবদ্ধ হতে প্রেরণা যোগায়। তার নেতৃত্বেই দীর্ঘদিনের পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-2716470993670119233?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/2716470993670119233'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/2716470993670119233'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/08/blog-post_14.html' title='আজ বাঙালির শোকের দিন'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/-2-CHEQlAwpM/TkhFW66RFGI/AAAAAAAACgI/qrdIZfI_V_U/s72-c/top1.jpg' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-2471794800109578508</id><published>2011-08-10T00:58:00.002+02:00</published><updated>2011-08-10T01:01:02.031+02:00</updated><title type='text'>বিশ্বের সেরা নারী নেত্রীদের তালিকায় শেখ হাসিনা</title><content type='html'>&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-UjSwRVYx7XU/TkG710jrBDI/AAAAAAAACgA/jorLMYPUtUw/s1600/Hasina-33.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5638994741760295986" style="FLOAT: right; MARGIN: 0px 0px 10px 10px; WIDTH: 290px; CURSOR: hand; HEIGHT: 344px" alt="" src="http://2.bp.blogspot.com/-UjSwRVYx7XU/TkG710jrBDI/AAAAAAAACgA/jorLMYPUtUw/s400/Hasina-33.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#006600;"&gt;বিশ্বের সেরা নারী নেত্রীদের তালিকায় শেখ হাসিনা&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt; &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;বিশ্বের শীর্ষ ১২ নারী নেত্রীর একজন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনলাইন টাইম ম্যাগাজিন গত ৫ আগস্ট ওইসব নেত্রীর একটি তালিকা প্রকাশ করে। এতে ৭ নম্বরে ঠাঁই পেয়েছেন শেখ হাসিনা। তালিকার ১ নম্বর অবস্থানে রয়েছেন থাইল্যান্ডের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যানজেলা মারকেল। ৩ নম্বরে রয়েছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট ক্রিশ্চিনা ফার্নান্দেজ ডি কিশ্চেনার। টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এ বিষয়ক প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘টপ ১২ ফিমেল লিডারস এরাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড’। অনলাইন নিউজ এজেন্সি ইউকে বিডিনিউজ এ তথ্য জানায়। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ (৬৩) আওয়ামী লীগের নেত্রীও। তার বেঁচে থাকাটাও একটি ইতিহাস। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;১৯৭৫ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের সময় তার পরিবারের ১৭ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছিল। ওই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা হারিয়েছেন তার তিন ভাই, মা ও পিতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকে। তখন শেখ হাসিনার বয়স ২৮ বছর। তিনি ছিলেন বিদেশে। এজন্য তিনি প্রাণে বেঁচে যান। পরে তিনি দেশে একটি গ্রেনেড হামলায় বেঁচে যান। ওই হামলায় কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন। ওই হামলায় বুলেটে তার গাড়ি ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিল। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। কিন্তু ২০০১ সালে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশকে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে অভিহিত করে। এর পরের নির্বাচনে শেখ হাসিনা ভূমিধস হেরে যান। তবে তার গতি থেমে থাকেনি। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;২০০৯ সালের জানুয়ারিতে আওয়ামী লীগ জাতীয় সংসদের ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৩০ টিতেই বিজয়ী হয়। ফের তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতা ফিরে পান। ওই তালিকায় আরো নাম রয়েছে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা র্বশেফ, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড, লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইলেন জনসন শিরলিফ, আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী য়োহানা সিগুরদারডোত্তি, কোস্টারিকার প্রেসিডেন্ট লরা সিনসিলা, ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট তারজহা হালোনেন, লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্ট ডালিয়া গ্রিবুউসকাইতি এবং ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোব্যাগোর প্রধানমন্ত্রী কামলা পেরসাদ বিসেসার।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-2471794800109578508?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/2471794800109578508'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/2471794800109578508'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/08/blog-post.html' title='বিশ্বের সেরা নারী নেত্রীদের তালিকায় শেখ হাসিনা'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-UjSwRVYx7XU/TkG710jrBDI/AAAAAAAACgA/jorLMYPUtUw/s72-c/Hasina-33.jpg' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-6600033170447564964</id><published>2011-06-23T00:52:00.004+02:00</published><updated>2011-06-23T01:02:29.921+02:00</updated><title type='text'>৬৩ বছরে আওয়ামী লীগ</title><content type='html'>&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#006600;"&gt;৬৩ বছরে আওয়ামী লীগ&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-pH7b_1CkGUU/TgJzslYQLiI/AAAAAAAACf4/lRifM6j8BSc/s1600/2011-06-23-01-21-01-al%2520tm.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5621182494697074210" style="FLOAT: right; MARGIN: 0px 0px 10px 10px; WIDTH: 318px; CURSOR: hand; HEIGHT: 199px" alt="" src="http://3.bp.blogspot.com/-pH7b_1CkGUU/TgJzslYQLiI/AAAAAAAACf4/lRifM6j8BSc/s400/2011-06-23-01-21-01-al%252520tm.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#ff0000;"&gt;আওয়ামী লীগের ৬২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৩ জুন।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div align="justify"&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#009900;"&gt;১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার টিকাটুলীর কেএম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' প্রতিষ্ঠিত হয়।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;div align="justify"&gt;দলটি বৃহস্পতিবার ৬৩ বছরে পা রাখতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, "ছয় দশকেরও বেশি কাল ধরে পথ পরিক্রমায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও ম্ুিক্তযুদ্ধসহ সকল গণতান্ত্রিক এবং সাধারণ মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্বদানের সুমহান গৌরব অর্জন করেছে।" তিনি আওয়ামী লীগ গঠনে এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদন স্মরণ করেন। প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশে রঙিন পোস্টার, ব্যানার, বিলবোর্ড টানানো হয়েছে। ২৩ জুন (বৃহস্পতিবার) ভোরে বঙ্গবন্ধু ভবন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল সাড়ে ৭ টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করবেন দলের শীর্ষ নেতারা। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভা আওয়ামী লীগের।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;যেভাবে প্রতিষ্ঠা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশেমের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একাংশের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার টিকাটুলীর কেএম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' প্রতিষ্ঠিত হয়। ধর্মনিরপেক্ষতা চর্চা এবং অসা¤প্রদাায়িক চেতনার ধারাবাহিকতায় সংগঠনটির নাম থেকে পরে মুসলিম শব্দটি বাদ দেয়া হয়। প্রতিষ্ঠালগ্নে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি হন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, সহ-সভাপতি হন আতাউর রহমান খান, শাখাওয়াত হোসেন ও আলী আহমদ। টাঙ্গাইলের শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক এবং শেখ মুজিবুর রহমান, খন্দকার মোশতাক আহমদ ও এ কে রফিকুল হোসেনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কোষাধ্যক্ষ হন ইয়ার মোহাম্মদ খান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে অন্তরীণ থাকা অবস্থাতেই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। অন্যদিকে, পুরো পাকিস্তানের ক্ষেত্রে সংগঠনটির নাম রাখা হয় নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। এর সভাপতি হন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৫২ সালে শেখ মুজিবুর রহমান সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। পরের বছর ঢাকার মুকুল প্রেক্ষাগৃহে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সম্মেলনে তাকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। এরপর, ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত ১৩ বছর তিনি দলটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আওয়ামী লীগই ছিলো তৎকালীন পাকিস্তানে প্রথম বিরোধী দল। জন্মলগ্ন থেকেই দলটি প্রাদেশিক স্বায়ত্ত্বশাসনের ওপর বিশেষ গুরুত্বসহ ৪২ দফা কর্মসূচি গ্রহণ করে। পাকিস্তান আমলের গোড়ার রাষ্ট্রভাষা হিসাবে বাংলার স্বীকৃতি, একজনের এক ভোট, গণতন্ত্র, সংবিধান প্রণয়ন, সংসদীয় পদ্ধতির সরকার, আঞ্চলিক স্বায়ত্ত্বশাসন এবং তৎকালীন পাকিস্তানের দু'অঞ্চলের মধ্যে বৈষম্য বিলোপ ছিল দলটির প্রধান দাবিগুলোর অন্যতম। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য অন্যান্য দলকে সঙ্গে নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠন করতে আওয়ামী মুসলিম লীগ মুখ্য ভূমিকা পালন করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর দলটি কৃষক শ্রমিক পার্টি, পাকিস্তান গণতন্ত্রী দল ও পাকিস্তান খেলাফত পার্টি মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৫৪ সালের মার্চের মাসের আট থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান পরিষদের নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন পায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরমধ্যে, ১৪৩টি পেয়েছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২৪ বছরের পাকিস্তান শাসনামলে আওয়ামী লীগ আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে দু'বছর প্রদেশে ক্ষমতাসীন ছিল এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে কেন্দ্রে ১৩ মাস কোয়ালিশন সরকারের অংশীদার ছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধর্মনিরপেক্ষ ও অসা¤প্রদায়িক ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে ১৯৫৫ সালের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত দলের তৃতীয় সম্মেলনে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। সংকট ও গণ আন্দোলন পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ে মতপার্থক্যের কারণে ১৯৫৭ সালে দল ভাঙনের ফলে আওয়ামী লীগ সংকটে পড়ে। ওই বছরের সাত ও আট ফেব্র"য়ারি কাগমারি সম্মেলনে দলে বিভক্তির বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মওলানা ভাসানী ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করে। আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ১৯৬৬ সালের ফেব্র"য়ারিতে লাহোরে বিরোধী দলের সম্মেলনে তিনি ছয় দফা উপস্থাপন করেন। এর জবাবে আইয়ুব সরকার তাকেসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। এর প্রেক্ষিতে ১৯৯৬তে গণআন্দোলন শুরু হয় এবং আইয়ুব খানের পতন ঘটে। ওই বছরের ২২ ফেব্র"য়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে নিঃশর্তে মুক্তি দেয় পাকিস্তান সরকার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরদিন তৎকালীন রমনা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়াদী উদ্যান) সংবর্ধনায় তাকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেয় সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গণআন্দোলন ও আইয়ুবের পতনের পটভূমিতে '৭০ এর নির্বাচনে কেন্দ্রিয় আইনসভায় (জাতীয় পরিষদ) পূর্ব পাকিস্তানের ১৬২টির মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৬০ আসনে জয়ী হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অন্যদিকে প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৮ আসন পায় দলটি। জাতীয় পরিষদের সাতটি মহিলা আসন এবং প্রাদেশিক পরিষদের দশটি মহিলা আসনের সবগুলোতেই জয়ী হয় আওয়ামী লীগ। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও আওয়ামী লীগকে সরকার গঠনে আমন্ত্রণ জানানোর পরিবর্তে সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বাঙালির অধিকার নস্যাৎ করার পথ বেছে নেয়। ৭১'র মার্চে বঙ্গবন্ধুর অসহযোগের ডাকে জনগণ সর্বাত্মকভাবে সাড়া নেয়। ২৫ মার্চ বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বঙ্গবন্ধুকে আটক করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেদিন থেকেই শুরু হয়ে যায় মুক্তিযুদ্ধ। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত প্রবাসী সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে। তিন মেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আওয়ামী লীগ তিন মেয়াদে এখন পর্যন্ত প্রায় ১১ বছর রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে। ১৯৭২ থেকে ৭৫ পর্যন্ত যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের কঠিন সমস্যা মোকাবেলা করতে হয় আওয়ামী লীগকে। এরমধ্যে ১৯৭৩ সালে নতুন সংবিধানের অধীনে সাধারণ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৩ আসন লাভ করে দলটি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে একটি মাত্র জাতীয় দল 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ' (বাকশাল) গঠনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগসহ সব রাজনৈতিক দলের বিলুপ্তি ঘটানো হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;'৭৫ এর ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। এরপর সামরিক সরকার রাজনৈতিক দল প্রবিধান ঘোষণা করলে ১৯৭৬ সালে আওয়ামী লীগের পুনরুজ্জীবন ঘটে। আওয়ামী লীগ সম্মেলন করে প্রবাসে থাকা বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করে। ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসে দলের দায়িত্ব নেন। এর আগে, জিয়াউর রহমানের অধীনে ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগ ৩৯টি আসনে জয় লাভ করে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ '৮৬ সালে এরশাদের অধীনে নির্বাচনে গিয়ে ৭৬টি আসন পায়। এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৮৮ আসনে জয়ী হয়ে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করে।&lt;br /&gt;'৯৬ সালে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নিয়ে আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আন্দোলন শুরু করে। পরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আওয়ামী লীগ একই বছর সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ১৪৬টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে।&lt;br /&gt;২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ চারদলীয় জোটের কাছে পরাজিত হয়ে ফের বিরোধী দলে চলে আসে। ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে চারদলীয় জোটের বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে দলীয়করণের অভিযোগ, নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা, ১১ জানুয়ারি ক্ষমতায় পালাবদল ও বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে আওয়ামী লীগের সমর্থন, পরবর্তীতে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার ও চিকিৎসার জন্য ১১ জুন সাময়িক মুক্তি সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক সময়েও বেশ চড়াই উতড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চলেছে আওয়ামী লীগ।&lt;br /&gt;২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট বিপুল বিজয় অর্জন করে। ৩০০ আসনের মধ্যে এককভাবে আওয়ামী লীগ পায় ২৩৩টি আসন। পরে, আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে দলটির নেতৃত্বে ব্যাপক পরিবর্তন আসে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-6600033170447564964?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/6600033170447564964'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/6600033170447564964'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/06/blog-post.html' title='৬৩ বছরে আওয়ামী লীগ'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/-pH7b_1CkGUU/TgJzslYQLiI/AAAAAAAACf4/lRifM6j8BSc/s72-c/2011-06-23-01-21-01-al%252520tm.jpg' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-3091686293673519919</id><published>2011-05-16T23:35:00.001+02:00</published><updated>2011-05-16T23:37:00.003+02:00</updated><title type='text'>শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ</title><content type='html'>&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-5-lAgeT3MtQ/TdGY6ipHF9I/AAAAAAAACfs/ZRJ6wMFtwnY/s1600/sh.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5607431142552049618" style="FLOAT: right; MARGIN: 0px 0px 10px 10px; WIDTH: 288px; CURSOR: hand; HEIGHT: 339px" alt="" src="http://1.bp.blogspot.com/-5-lAgeT3MtQ/TdGY6ipHF9I/AAAAAAAACfs/ZRJ6wMFtwnY/s400/sh.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস&lt;/strong&gt; &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#009900;"&gt;আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ ১৭ মে।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt; &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;দীর্ঘ নির্বাসন শেষে ১৯৮১ সালের এই দিনে তিনি দেশে ফিরে আসেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানবতার শত্র" ঘৃণ্য ঘাতকদের হাতে সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন। ঐ সময়ে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা প্রবাসে থাকায় ঘাতকদের নির্মমতার হাত থেকে রেহাই পান। ১৯৮১ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্র"য়ারি অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস-বায়নের দৃঢ় অঙ্গীকার, সপরিবারে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার, স্বৈরতন্ত্রের চিরঅবসান ঘটিয়ে জনগণের হৃত গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সার্বভৌম সংসদীয় পদ্ধতির শাসন ও সরকার প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী নির্বাচিত করা হয়।১৭ মে ১৯৮১ সাল; সারা দেশের গ্রামগঞ্জ, শহর-বন্দর থেকে লাখ লাখ অধিকারবঞ্চিত মুক্তিকামী জনতা সেদিন ছুটে এসেছিল রাজধানী ঢাকায়। স্বাধীনতার অমর স্লোগান ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়েছিল ঢাকার আকাশ-বাতাস।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;জনতার কণ্ঠে বজ্রনিনাদে ঘোষিত হয়েছিল ‘হাসিনা তোমায় কথা দিলাম-পিতৃ হত্যার বদলা নেবো’। ‘শেখ হাসিনার আগমন, শুভে"ছা স্বাগতম’, ধ্বনিতে মুখরিত হয়েছিল রাজধানী শহর ঢাকা।বস'ত, ১৭ মে ১৯৮১ আবারো প্রমাণিত হয়েছিল, ‘মুজিব বাংলার, বাংলা মুজিবের’। লাখো জনতার প্রাণঢালা উষ্ণ সম্ভাষণ এবং গোটা জাতির স্নেহাশীষ ও ভালোবাসার ডালা মাথায় নিয়ে প্রিয় স্বদেশভূমিতে ফিরে এসেছিলেন জনতার আশীর্বাদধন্য নেত্রী, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন গগন বিদারী মেঘ গর্জন, ঝঞ্ঝা-বিড়্গুব্ধ প্রকৃতি যেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার বদলা নেয়ার লড়্গ্যে গর্জে উঠেছিল, আর অবিরাম মুষলধারে বারি-বরষণে যেন ধুয়ে-মুছে যা"িছল বাংলার মাটিতে পিতৃহত্যার জমাট বাঁধা পাপ আর কলঙ্কের চিহ্ন। ঝড়-বাদল আর জনতার আনন্দাশ্র"তে অবগাহন করে শেরে বাংলা নগরে লাখ লাখ জনতার সংবর্ধনার জবাবে শেখ হাসিনা সেদিন বলেছিলেন, সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। আমার আর হারাবার কিছুই নেই। পিতা-মাতা, ভাই রাসেলসহ সকলকে হারিয়ে আমি আপনাদের কাছে এসেছি, আমি আপনাদের মাঝেই তাদেরকে ফিরে পেতে চাই। আপনাদের নিয়েই আমি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তা বাস-বায়ন করে বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে চাই, বাঙালি জাতির আর্থ-সামাজিক তথা সার্বিক মুক্তি ছিনিয়ে আনতে চাই। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ফলে দেশে গণ-জাগরণের ঢেউ জাগলো, গুণগত পরিবর্তন সূচিত হলো আন্দোলনের, সংগঠনের সঙ্গে নতুন করে গণসম্পৃক্ততা সৃষ্টি হলো ব্যাপকভাবে। দেশবাসী নতুন আলোর দিশা পেলো। সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কর্মতৎপরতা, স্বৈরাচারবিরোধী মুক্তি আন্দোলন এবং গণমানুষের অধিকার আদায়ে সংগ্রামী ইতিহাসের নতুন দিগন- উন্মোচিত হলো সেদিন থেকে।দেশে ফেরার পর থেকেই শেখ হাসিনা নিরলসভাবে দেশের অধিকারহারা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নিরব"িছন্ন লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছেন। এদেশের অধিকারহারা মানুষের মুক্তির লড়্গ্যে আন্দোলন সংগ্রাম করার ‘অপরাধে’ তাকে বারবার ঘাতকদের হামলার শিকার ও কারা নির্যাতন ভোগ করতে হয়েছে। জনগণের ভালোবাসায় অভিষিক্ত হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়ে তিনি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং সকল শ্রেণী ও পেশার জনগণের কল্যাণে যুগান-কারী অবদান রেখে চলেছেন। দীর্ঘদিনের অগণতান্ত্রিক স্বৈরশাসন কবলিত জীর্ণ বাংলাদেশকে তিনি একটি উন্নত আধুনিক অসামপ্রদায়িক গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করার সংগ্রামে নিয়োজিত রয়েছেন। &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-3091686293673519919?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/3091686293673519919'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/3091686293673519919'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/05/blog-post_16.html' title='শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-5-lAgeT3MtQ/TdGY6ipHF9I/AAAAAAAACfs/ZRJ6wMFtwnY/s72-c/sh.jpg' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-375550336035382745</id><published>2011-05-01T15:27:00.003+02:00</published><updated>2011-05-01T15:37:50.695+02:00</updated><title type='text'>সংবিধানের মূল স-ম্ভগুলো কোনভাবেই পরিবর্তনযোগ্য নয় : প্রধান বিচারপতি</title><content type='html'>&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-pux2YCFyqdk/Tb1iIXr5qKI/AAAAAAAACfY/JBineCIDesk/s1600/new-cj-oath300px.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5601741407455389858" style="FLOAT: right; MARGIN: 0px 0px 10px 10px; WIDTH: 319px; CURSOR: hand; HEIGHT: 211px" alt="" src="http://2.bp.blogspot.com/-pux2YCFyqdk/Tb1iIXr5qKI/AAAAAAAACfY/JBineCIDesk/s400/new-cj-oath300px.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#009900;"&gt;সংবিধানের মূল স-ম্ভগুলো কোনভাবেই পরিবর্তনযোগ্য নয় : প্রধান বিচারপতি &lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="color:#009900;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;strong&gt;মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ, আদর্শ ও চিন-াধারা মাথায় রেখে সংবিধান সংশোধন করার পরামর্শ দিয়েছেন &lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়র"ল হক&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের কথা চিন-া করতে হবে লাখো মুক্তিযোদ্ধা, লাখো শহীদের কথা মাথায় রেখে। শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন-র্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে নবীন আইনজীবীদের সনদ বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন। বার কাউন্সিলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়র"ল হক বলেন, সংবিধানের মৌলিক কাঠামো কোনভাবেই পরিবর্তনযোগ্য নয়। বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে যেন সামান্যতম পদস্খলন না হয়। এছাড়া বিচারপতিদের অভিশংসনের (ইমপিচমেন্ট) বিষয়েও কথা বলেন তিনি। বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল বাসেত মজুমদার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রায় দেড় হাজার আইনজীবীকে সনদ প্রদান করা হয়।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়র"ল হক বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন করেছেন ১৯৭১ সালে লাখো শহীদ। যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, জীবন দিয়েছেন তাদের রক্তের আকরে আমাদের সংবিধান লেখা হয়েছে। সেই মুক্তিবাহিনী যারা নিজের জীবন বাজি রেখে এই বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে নিয়ে এসেছে, এই মুক্তিবাহিনী যারা আমাদের দেশবাসীকে একটা পতাকা উপহার দিয়েছে, পৃথিবীর বুকে একটা স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে জন্ম দিয়েছে। একটা মানচিত্র ও জাতীয় সংগীত উপহার দিয়েছে। যখনই আমরা আমাদের সংবিধান সংশোধনের কথা চিন-া করব, আমরা যেন সেই লাখো মুক্তিযোদ্ধা, লাখো শহীদের কথা চিন-া করি ও মাথায় রাখি। তারা কী চিন-া করে, কী উদ্দেশ্যে কোন স্বপ্নে এই বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছিলেন, সেটা আমাদের ভাবতে হবে। এই বাংলাদেশ লাখো মুক্তিযোদ্ধার সৃষ্টি। এগুলোর প্রেক্ষাপটে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। অন্য কোনভাবে নয়। আমরা তাদের আত্মত্যাগের সুবিধাভোগী (বেনিফিশিয়ারি) মাত্র। প্রধান বিচারপতি বলেন, ’৭২ সালে যে বেসিক প্রিন্সিপালের (মূলনীতি) আমাদের পূর্বপুর"ষরা চিন-ায় রেখেছিলেন, মুক্তিযোদ্ধারা চিন-ায় রেখেছিলেন, সেই বেসিক প্রিন্সিপাল থেকে এতটুকু পদস্খলন আমাদের কাম্য নয়। আমাদের বেসিক স্ট্রাকচার (মৌলিক কাঠামো) অবশ্যই পরিবর্তনযোগ্য নয়। সংবিধানের বেসিক কাঠামো কেউই পরিবর্তন করতে পারে না। ইমপিচমেন্ট অব দ্য জাজেস (বিচারপতিদের অভিশংসন) প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়র"ল হক বলেন, সংসদ সদস্যরা, পাল্টার্মেন্ট এ ব্যাপারে কী সিদ্ধান- নেবেন-এটা তাদের ব্যাপার। তাদের ব্যাপারে আমার কোন বক্তব্য নেই। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে তারা যে কোন সিদ্ধান- নিতে পারেন। তবে এর একটু ইতিহাস আছে। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;ইমপিচমেন্ট কিভাবে হল, এটাও জানা দরকার। মুঘল আমলে কিংবা যে কোন সময়ে সম্রাট, রাজা-বাদশা বা কিং তারা তাদের খুশিমতো কাজী, বিচারক, বিচারপতি নিয়োগ করতেন এবং খুশিমতো তাদের বরখাস- (ডিসমিস) করতেন। রাজারা তাদের খুশিমতো নিয়োগ দিতে পারতেন এবং খুশিমতো, এমনকি কোন নোটিশ ছাড়াই এক সেকেন্ডের কথায় তাদের গর্দানও চলে যেতে পারত। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;স্যার থমাস ম্যুর এর একটা উদাহরণ। স্যার এডওয়ার্ড কুকের উদাহরণ টেনে প্রধান বিচারপতি বলেন, ১৬১৭ সালে তিনি বরখাস- হন প্রথম কিং জেমস দ্বারা। সেই সময় রাজাদের এক"ছত্র ক্ষমতা ছিল। এরপর এলো অ্যাক্ট অব সেটেলমেন্ট ১৭০১। এই প্রথম ঠিক হল, না, রাজার খুশিমতো বিচারকদের অব্যাহতি দেয়া সম্ভব নয়। বিচারকদের যদি উনি একবার নিয়োগ দেন, তাহলে তিনি কোন বিচারপতিকে বরখাস- করতে পারবেন না। যদি না কোন সুনির্দিষ্ট অসদাচরণের অভিযোগ না থাকে। সেটা কে দেখবে? দেখবে সংসদ। সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা যদি ইমপিচমেন্টের পক্ষে থাকে, তাহলে একজন সুপিরিয়র কোর্টের জাজকে ইমপিচ করা যাবে, অন্যথায় নয়। এই প্রথম রাজার ক্ষমতা থেকে প্রজাদের মধ্যে ক্ষমতাটা চলে এলো। এর ইতিহাস এজন্য গুর"ত্বপূর্ণ যে সেই সময় রাজার হাত থেকে রক্ষা করার জন্যই হাউস অব পার্লামেন্ট এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছিল। এভাবেই ইমপিচমেন্টের অধিকারটা সংসদের হাতে আসে। একজন বিচারপতিকে ক্ষতিগ্রস- করার জন্য নয়। বরং বিচারপতিদের রক্ষা করার জন্য রাজার দ্বারা ক্ষতিগ্রস- হওয়া থেকে রক্ষার জন্য। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়র"ল হক বলেন, যে কোন বিচারক বা বিচারপতির বড় অস্ত্র হ"েছ জনগণের আস্থা। জনগণের আশা-ভরসার স'ল হ"েছন বিচারপতিরা। এটা সেই ১৭০০ ও ১৮০০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ বুঝত। আজও সর্বত্রই বোঝে। বিচারকদের নিয়ে, বিচারব্যবস'া নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়। কিন' তার পরও কিন' সবাই বিচারালয়েই আসে। বিচারকদের কাছেই আসে। এর কারণ হ"েছ, এখনও বিচারকরা জনগণের আস'া হারাননি। এখনও মানুষ মনে করে, সুপ্রিমকোর্ট বা জেলা আদালতে আমরা ন্যায়বিচার পাব। প্রধান বিচারপতি প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের এ আস'া আমরা কিছুতেই অবসান হতে দেব না। বিচারকদের প্রধান দায়িত্ব হ"েছ ন্যায়বিচার কায়েম করা। আজকাল প্রায়ই আমি কথাটা শুনি, রিলিফ দিতে হবে। রিলিফ দেয়াটা কোন বিচারকের দায়িত্ব নয়। তাদের দায়িত্ব ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। ব্যক্তিগত চিন-াধারা কোনভাবেই যেন বিচারিক চিন-াকে প্রভাবিত না করে সেটা দেখার দায়িত্ব বিচারপতিদের, বিচারকদের এবং সে ব্যাপারে সর্বোতভাবে সহায়তা করার দায়িত্ব আইনজীবীদের। এখানে উল্লেখ্য, আইন বিশেষজ্ঞদের মত, সংবিধানের সত্তর অনু"েছদের সংশোধন না করে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে দেয়া হলে তা অর্থবহ হবে না। কারণ সংসদ সদস্যদের নিজেদের ই"ছায় নয়, দলের সিদ্ধানে-ই কোন বিচারপতির অভিশংসনের পক্ষে বা বিপক্ষে ভোট দিতে হবে। &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-375550336035382745?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/375550336035382745'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/375550336035382745'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/05/blog-post.html' title='সংবিধানের মূল স-ম্ভগুলো কোনভাবেই পরিবর্তনযোগ্য নয় : প্রধান বিচারপতি'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-pux2YCFyqdk/Tb1iIXr5qKI/AAAAAAAACfY/JBineCIDesk/s72-c/new-cj-oath300px.jpg' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-3232769583549818444</id><published>2011-03-21T23:48:00.001+01:00</published><updated>2011-03-21T23:50:40.201+01:00</updated><title type='text'>স্মরণ:ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব</title><content type='html'>&lt;strong&gt;ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব&lt;br /&gt;&lt;/strong&gt;গত ১৯ মার্চ ছিলো ভাষা সৈনিক গোলাম মাহবুবের ৫ম মৃতু্যবার্ষিকী। ২০০৬ সালের এ দিনে তিনি ৭৮ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। গোলাম মাহবুব ১৯৫২ সালের সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন। একজন প্রবীণ আইনজীবী হিসাবে তিনি ১৯৯৩ সালে সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।আমাদের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনে কাজী গোলাম মাহবুবের অবদান অবিস্মরণীয়। ছাত্রলীগের নেতা হিসাবে তিনি ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। সে বছর ১১ মার্চ প্রথম গণবিস্ফোরণ ঘটেছিল রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে। সেদিন সচিবালয়ে পিকেটিংকালে সহকর্মীদের নিয়ে তিনি রাস্তায় আইজি'র গাড়ির সামনে শুয়ে ব্যরিকেড দেন। এ কারণে তাকে বর্বরোচিত পুলিশি নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং সে অবস্থায়ই তাকে করা হয় গ্রেফতার। ১৫ মার্চ রাষ্ট্রভাষা চুক্তি সত্ত্বেও তিনি মুক্তি পাননি। ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তাকে ও অন্যান্য রাজবন্দিদের ছাড়া জেল থেকে বের হবেন না বলে ঘোষণা দেন। এ অবস্থায় সরকার তাদেরকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। ৩১ জানুয়ারি মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বার লাইব্রেরির সভায় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। সর্বসম্মতিভাবে এর আহ্বায়ক হলেন কাজী গোলাম মাহবুব। ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনের কর্মসূচি তার নেতৃত্বে সাফল্যমণ্ডিত হয়েছিল। ২১ ফেব্রুয়ারি লাঠিচার্জে আহত ছাত্রদের সাহায্যার্থে এগিয়ে যেতে তিনি ভয় পাননি। এরপর গ্রেফতার এড়িয়ে আন্দোলন পরিচালনার কৌশল অবলম্বন করেন। একুশের ঘটনাবলী সম্পর্কে তৎকালীন পূর্বপাক প্রধানমন্ত্রী নূরুল আমীনের বেতার ভাষণের তীব্র প্রতিবাদকারী হিসাবে তিনি বিবৃতি প্রদান করেন। একুশের রাতে তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (বর্তমানে বুয়েট) সংগ্রাম পরিষদের বৈঠক ডাকেন। এতে নতুন করে সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় এবং সিদ্ধান্ত হয়, লাগাতার হরতাল চলবে। এ সময় তার বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি হয়। এরপর গোলাম মাহবুব আত্মগোপন করে আন্দোলন চালিয়ে যায়। ৭ মার্চ ঢাকার শান্তিনগরে নেতৃবৃন্দের বৈঠকে চলাকালে পুলিশ বাড়িটি ঘেরাও করে এবং সাতজন নেতা গ্রেফতার হন। গোলাম মাহবুব কৌশলে গ্রেফতার এড়িয়ে গভীর রাতে অন্য জায়গায় চলে যান। এরপর যান ফরিদপুর। ২৯ মার্চ আইনজীবীর পরামর্শে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে যান আইনের আশ্রয় নিতে। সেখানে তাকে বন্দি করে কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয় এক বছর। এম আর মাহবুব&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-3232769583549818444?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/3232769583549818444'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/3232769583549818444'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/03/blog-post_21.html' title='স্মরণ:ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-994763132130822347</id><published>2011-03-16T21:56:00.002+01:00</published><updated>2011-03-16T22:00:30.089+01:00</updated><title type='text'>বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন</title><content type='html'>&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#000099;"&gt;বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন &lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-NZ_nl_qwdrA/TYEkvfPXzhI/AAAAAAAACfQ/fzaXGf6t8HM/s1600/naamloos1.bmp"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5584785411174551058" style="FLOAT: right; MARGIN: 0px 0px 10px 10px; WIDTH: 314px; CURSOR: hand; HEIGHT: 426px" alt="" src="http://4.bp.blogspot.com/-NZ_nl_qwdrA/TYEkvfPXzhI/AAAAAAAACfQ/fzaXGf6t8HM/s400/naamloos1.bmp" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt; &lt;/div&gt;&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&lt;div align="justify"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/strong&gt;বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯১তম জন্মদিন বৃহস্পতিবার। এ দিনটি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এদিন সরকারি ছুটি। চলতি বছর এ দিবসের প্রতিপাদ্য- 'বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নদেশ, দিন বদলের বাংলাদেশ'। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান ও মোসাম্মৎ সায়রা বেগমের সংসারে জন্ম নেন শেখ মুজিবুর রহমান। চার মেয়ে ও দুই ছেলের মধ্যে মুজিব ছিলেন তৃতীয়। কালক্রমে মুজিব পরিণত হন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতায়। রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, আত্মত্যাগ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে তিনি পরিচিত হন 'বঙ্গবন্ধু' হিসেবে। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে হয়তো বাংলাদেশের জন্ম হতো না। বাঙালি জাতির ইতিহাসে তার অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর বাণীতে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্বের শোষিত মানুষের অধিকার আদায় ও মুক্তির প্রতিভূ। প্রকৃত ইতিহাস জানতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বাঙালির স্বার্থের ব্যাপারে আপসহীন এই নেতা সহকর্মীদের নিয়ে ১৯৪৮ সালে গঠন করেন ছাত্রলীগ। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন তৎকালীন মুসলিম লীগ সরকারের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের প্রথম বিরোধী দল আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হলে তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান নবগঠিত দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত হন। পরে অসা¤প্রদায়িক চেতনায় আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দিয়ে দলের নামকরণ হয় আওয়ামী লীগ। তার নেতৃত্বে স্বাধীনতার মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয় বাঙালি। এ জাতির অধিকার আদায়ের আন্দোলনের দীর্ঘ পরিক্রমায় বহুবার কারাবরণ করতে হয়েছে এই নেতাকে। ১৯৬৯ এর ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতা তাকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেয়। ১৯৭০ এর নির্বাচনে বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার পক্ষে অকুণ্ঠ সমর্থন জানায়। আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনৈতিক দলের ম্যান্ডেট পায়। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে নির্বাচনে বাঙালির এ বিজয়কে মেনে নেয়নি। এরপর স্বায়ত্ত্বশাসনের দাবিতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালির আন্দোলন নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনের রূপ নেয়। ১৯৭১ এর মার্চে শুরু হয় অসহযোগ। &lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div&gt;ওই বছর ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জনসমুদ্রে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন, 'এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম'। ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ শুরু করলে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুকে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর রোডের বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। একাত্তরে নয় মাস যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হয়। ১৯৭২ এর ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিজ বাসভবনে ঘাতকদের হাতে সপরিবারে নিহত হন তিনি।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-994763132130822347?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/994763132130822347'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/994763132130822347'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/03/blog-post.html' title='বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-NZ_nl_qwdrA/TYEkvfPXzhI/AAAAAAAACfQ/fzaXGf6t8HM/s72-c/naamloos1.bmp' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-8666155674884499144</id><published>2011-02-23T20:22:00.004+01:00</published><updated>2011-02-23T20:32:58.099+01:00</updated><title type='text'>ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও বঙ্গবন্ধু</title><content type='html'>&lt;div&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-Js8-TkM-aYE/TWVf4sdrxMI/AAAAAAAACe4/4C7gbI0pg9A/s1600/183766_180289335349742_100001060318927_454346_6910308_n.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5576969141181203650" style="FLOAT: right; MARGIN: 0px 0px 10px 10px; WIDTH: 400px; CURSOR: hand; HEIGHT: 306px" alt="" src="http://1.bp.blogspot.com/-Js8-TkM-aYE/TWVf4sdrxMI/AAAAAAAACe4/4C7gbI0pg9A/s400/183766_180289335349742_100001060318927_454346_6910308_n.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#ff0000;"&gt;ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও বঙ্গবন্ধু&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#ff0000;"&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color:#009900;"&gt;তোফায়েল আহমেদ &lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;&lt;strong&gt;&lt;em&gt;&lt;span style="color:#000099;"&gt;প্রতি বছর ২৩ ফেব্র"য়ারি দিনটি আমি গভীরভাবে স্মরণ করি।&lt;/span&gt;&lt;/em&gt;&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;&lt;span style="color:#006600;"&gt;এ দিনটি আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ দিন। ১৯৬৯-এর ২৩ ফেব্র"য়ারি ইতিহাসের মহামানব, বাংলার মুকুটহীন সম্রাট জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পক্ষ থেকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। প্রিয় নেতা তার যৌবনের চৌদ্দটি মূল্যবান বছর পাকিস্তানের কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে কাটিয়েছিলেন।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt; কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বসে যে নেতা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলার ছবি হূদয় দিয়ে এঁকেছিলেন, ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছিলেন, সেই নেতাকেই সেদিন জাতির পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞচিত্তে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেছিলাম। তিনি শুধু বাঙালি জাতিরই মহান নেতা ছিলেন না, সারা বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা ছিলেন। পাকিস-ান প্রতিষ্ঠার পরপরই তিনি উপলব্ধি করেছিলেন এ পাকিস-ান বাঙালিদের জন্য হয়নি। একদিন বাঙালিকে বাংলার ভাগ্যনিয়ন-া হতে হবে। সে লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে ১৯৪৮-এর ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করে ১৯৪৯-এর ২৩ জুন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তারপর সংগ্রামের সুদীর্ঘ পথে নেতৃত্ব দিয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন সংগঠিত করার মধ্য দিয়ে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমাদের জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে ১৯৬৮-৬৯ এক গৗরবোজ্জ্বল অধ্যায়। কারণ ওই কালপর্বটি ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের ‘ড্রেস রিহার্সেল।’ &lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-VhZM4wo8QQY/TWVf_tLCuDI/AAAAAAAACfA/51R3vdLoKYM/s1600/183335_180077952037547_100001060318927_452809_6875582_n.jpg"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5576969261630535730" style="FLOAT: right; MARGIN: 0px 0px 10px 10px; WIDTH: 280px; CURSOR: hand; HEIGHT: 395px" alt="" src="http://4.bp.blogspot.com/-VhZM4wo8QQY/TWVf_tLCuDI/AAAAAAAACfA/51R3vdLoKYM/s400/183335_180077952037547_100001060318927_452809_6875582_n.jpg" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ ৬ দফা দেয়ার অপরাধে বঙ্গবন্ধু মুজিবসহ সর্বমোট ৩৫ জনকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি করে তাদের ফাঁসি দিয়ে নির্বিঘ্নে পুনরায় ক্ষমতায় আরোহণের এক ঘৃণ্য মনোবাসনা চরিতার্থে ষড়যন্ত্রের জাল বিস-ার করে আইয়ুব খান এগো"িছল। আগরতলা মামলার বিচার যখন শুর" হয় তখন আমরা উপলব্ধি করি, বঙ্গবন্ধুকে যদি ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো হয় তাহলে চিরদিনের জন্য বাঙালি জাতির কণ্ঠ স-ব্ধ হয়ে যাবে। তাই আমরা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে ১৯৬৯-এর ৫ জানুয়ারি ১১ দফা কর্মসূচি জাতির সামনে পেশ করি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে ‘ডাকসু’ কার্যালয়ে আমার সভাপতিত্বে এবং চার ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপসি'তিতে এক সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ছাত্রদের ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম ‘কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন এবং ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি ১১ দফা ঘোষণা করা হয়। ৮ জানুয়ারি সম্মিলিত বিরোধী দল সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ৮টি বিরোধী দলের ঐক্যফ্রন্ট কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে ৮ দফাভিত্তিক এক ঘোষণাপত্র প্রকাশ করে। ৯ জানুয়ারি দেশের ৮টি বিরোধী রাজনৈতিক দলের ঐক্যের ভিত্তিতে উবসড়পৎধঃরপ অপঃরড়হ ঈড়সসরঃবব সংক্ষেপে ‘ডাক’ গঠন করে। ১২ জানুয়ারি ডাক প্রাদেশিক সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৮ দফা দাবির ভিত্তিতে ১৭ জানুয়ারি ‘দাবি দিবস’ পালনের সিদ্ধান- গৃহীত হয়। ১৭ জানুয়ারি বায়তুল মোকাররমে ডাক-এর আর ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের জমায়েত অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় এবং পূর্ব ঘোষিত ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করা হয়। সেদিনের ব্যাপক পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে ১৮ জানুয়ারি শনিবার ঢাকা শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধর্মঘট পালনের আহ্বান জানানো হয়। ১৮ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সফল ছাত্র ধর্মঘট পালিত হয়। সকালে বটতলায় ছাত্র জমায়েতের পর খণ্ড খণ্ড মিছিল এবং সহস্র কণ্ঠের উ"চারণ- ‘শেখ মুজিবের মুক্তি চাই, আইয়ুব খানের পতন চাই।’ সন্ধ্যায় জিন্নাহ হলে (বর্তমানে সূর্যসেন হল) ইপিআর কর্তৃক ছাত্রদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ। ১৯ জানুয়ারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রদের স্বতঃস্ফূর্ত মিছিল, পুলিশের বাধা ও গুলিবর্ষণ। ২০ জানুয়ারি ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের মাইলফলক। এদিন ১১ দফার দাবিতে ঢাকাসহ প্রদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পূর্ণ ধর্মঘট পালিত হয়। মিছিলে পুলিশের গুলিতে আসাদের মৃত্যু হয়। শহীদ মিনারের সামনে অনুষ্ঠিত শোকসভায় আমার সংক্ষিপ্ত বক্তৃতার পর আসাদের রক্ত ছুঁয়ে আমরা শপথ গ্রহণ করি। ২১ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে শহীদ আসাদের গায়েবানা জানাজা শেষে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষে আমি তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করি : ২২ জানুয়ারি শোক মিছিল, কালো ব্যাজ ধারণ, কালো পতাকা উত্তোলন; ২৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় মশাল মিছিল, পরে কালো পতাকাসহ শোক মিছিল; ২৪ জানুয়ারি বেলা ২টা পর্যন- হরতাল।&lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt; ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে জানাজার পরে লাখো মানুষের মিছিল। ২২ জানুয়ারি ঢাকায় সব বাড়ি আর গাড়িতে কালো পতাকা আর প্রতিটি মানুষের বুকে কালো ব্যাজ। ২৩ জানুয়ারি ঢাকা শহর মশাল আর মিছিলের নগরী। ইতিহাসের বৃহত্তম মশাল মিছিল। ২৪ জানুয়ারি হরতাল। ছাত্র-গণমিছিলে গুলিতে ঢাকার নবকুমার ইন্সটিটিউটের নবম শ্রেণীর ছাত্র মতিউর রহমানের মৃত্যু। ‘দৈনিক পাকিস-ান’, ‘মর্নিং নিউজ’ এবং ‘পয়গাম’ পত্রিকা অফিসে আগুন। শহীদদের তালিকায় যুক্ত হয় আনোয়ার, র"স-ম, মিলন, আলমগীরসহ আরও অনেক নাম। দুপুরে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় পল্টন ময়দানে। আমার বক্তৃতার পর সেখান থেকে মিছিল জমায়েত হয় ইকবাল হলের (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুর"ল হক হল) মাঠে। সান্ধ্য আইন অমান্য করে রাজপথে লাখো মানুষের ঢল নামে। গণবিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে সংঘটিত হয় গণঅভ্যুত্থান। ২৫, ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি সান্ধ্য আইন বলবৎ থাকে। ২৭ জানুয়ারি ঢাকায় গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে পশ্চিম পাকিস-ানে গণবিক্ষোভ। ১ ফেব্র"য়ারি আইয়ুব খানের বেতার ভাষণ। বিরোধী দল এবং ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের প্রত্যাখ্যান। ৬ ফেব্র"য়ারি আইয়ুবের পূর্ব পাকিস-ান সফর। সংবাদ সম্মেলনে দেশরক্ষা আইন ও অর্ডিন্যান্সের প্রয়োগ বন্ধ রাখার সিদ্ধান- ঘোষণা।&lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt; ৮ ফেব্র"য়ারি দৈনিক ইত্তেফাকের ছাপাখানা নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেসের ওপর থেকে বাজেয়াপ্ত আদেশ এবং দৈনিক ইত্তেফাকের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;৯ ফেব্র"য়ারি সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পল্টন ময়দানে ‘শপথ দিবস’ পালন। পরিষদের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র হিসেবে আমার সভাপতিত্বে পল্টন ময়দানে এক বিশাল সমাবেশে ১০ জন ছাত্রনেতা জীবনের বিনিময়ে ১১ দফা দাবি প্রতিষ্ঠা করার সংকল্প ঘোষণা করেন এবং শেখ মুজিবসহ সব রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তি না হওয়া পর্যন- আন্দোলন অব্যাহত রাখার শপথ গ্রহণ করেন। এই দিন স্লোগান ওঠে ‘শপথ নিলাম শপথ নিলাম মুজিব তোমায় মুক্ত করবো; শপথ নিলাম শপথ নিলাম মা-গো তোমায় মুক্ত করবো।’ &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;১১ ফেব্র"য়ারি পাকিস-ান প্রতিরক্ষা আইনে ধৃত রাজবন্দিদের বিনাশর্তে মুক্তি লাভ। ১২ ফেব্র"য়ারি পূর্ব পাকিস-ান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমদের মুক্তি লাভ। &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;১৪ ফেব্র"য়ারি ‘ডাক’-এর সারা দেশে হরতাল আহ্বান। পল্টনের সভায় জনতা কর্তৃক নুর"ল আমিন ও ফরিদ আহমদ লাঞ্ছিত। &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;১৫ ফেব্র"য়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামি সার্জেন্ট জহুর"ল হককে ক্যান্টনমেন্টের অভ্যন-রে নির্মমভাবে হত্যা। &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;১৫ থেকে ২০ ফেব্র"য়ারি পর্যন- সান্ধ্য আইন জারি। আইয়ুব খানের ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ প্রত্যাহার এবং প্যারোলে মুক্তি দিয়ে শেখ মুজিবসহ বিরোধী নেতৃবৃন্দকে গোলটেবিল বৈঠকে আমন্ত্রণ। ছাত্র-জনতা কর্তৃক প্যারোলে মুক্তির প্রস-াব প্রত্যাখ্যান। &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;১৬ ফেব্র"য়ারি দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে ঢাকা। বাংলা একাডেমী সংলগ্ন স্টেট হাউসে অগ্নিসংযোগ। পল্টনে লক্ষাধিক লোকের অংশগ্রহণে সার্জেন্ট জহুর"ল হকের গায়েবানা জানাজা। &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;১৭ ফেব্র"য়ারি সারাদেশে পূর্ণ দিবস হরতাল পালন। &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;১৮ ফেব্র"য়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রসায়ন বিভাগের রিডার শামসুজ্জোহাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে পাকিস-ানি সেনাদের বেয়োনেট চার্জ করে নির্মমভাবে হত্যা। &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;২০ ফেব্র"য়ারি বিকাল ৫টায় সান্ধ্য আইন প্রত্যাহার। &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;২১ ফেব্র"য়ারি শহীদ দিবসে আমার সভাপতিত্বে পল্টনের মহাসমুদ্রে সংগ্রামী ছাত্র সমাজের অগ্রনায়কদের সংগ্রামী শপথ এবং শেখ মুজিবসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় আটক সবার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম প্রদান। সমগ্র দেশ গণবিস্ফোরণে প্রকম্পিত। জনরোষের ভয়ে ২২ ফেব্র"য়ারি আইয়ুব শাহী সব রাজবন্দিকে বিনা শর্তে মুক্তি দিলে দেশজুড়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।বস'ত, &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;১৯৬৬-এর ৮ মে’র গভীর রাতে ৬ দফা কর্মসূচি প্রদানের অভিযোগে দেশরক্ষা আইনে যে মুজিব গ্রেফতার হয়েছিলেন, ৩৩ মাস পর ১৯৬৯-এর ২২ ফেব্র"য়ারি যে মুজিব মুক্তি লাভ করেন- নাম বিচারে এক হলেও, বাস-বে ওই দুই মুজিবের মধ্যে ছিল গুণগত ফারাক। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাটি ছিল সমগ্র বাঙালি জাতির জন্য অগ্নিপরীক্ষার মতো। সেই অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি বন্দিদশা থেকে মুক্ত মানব হয়ে বেরিয়ে আসেন। ২২ তারিখ আমরা ইকবাল হলের প্রভোস্টের কক্ষে সারা রাত সভা করি। অনেক প্রস-াব এসেছিল গণসংবর্ধনার- মওলানা ভাসানী, মনি সিংহ, জুলফিকার আলী ভুট্টো তাদেরও অভ্যর্থনা দেয়ার প্রেসার এসেছিল। কিন' আলোচনা করে সিদ্ধান- নেই, আমরা একজনকেই সংবর্ধনা জানাব। তিনি আমাদের প্রিয় নেতা শেখ মুজিব। সেই অনুসারেই রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ২৩ ফেব্র"য়ারি বিকাল ৩টায় সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে জনসভার আয়োজন করা হয়।শুর"তেই বলেছি এদিনটি আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ দিন। সেদিনের রেসকোর্স ময়দান যারা দেখেননি তাদের বলে বোঝানো যাবে না সেই জনসমাবেশের কথা। আমরা যখন সেখানে পৌঁছেছি, তখন রেসকোর্স ময়দানে মানুষ আর মানুষ। দেশের বিভিন্ন প্রান- থেকে ট্রেন, বাস, ট্রাক, লঞ্চ-স্টিমার বোঝাই হয়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মী, কৃষক-শ্রমিক, সাধারণ মানুষ ছুটে এসেছে। ঢাকার মানুষ তো আছেই। অভিভূত হয়ে পড়লাম আমি। এর আগে এত বড় জনসভা আমি দেখিনি। এটা জনসভা ছিল না, ছিল জনসমুদ্র। সেই জনসমুদ্রে লাখ লাখ লোক এসেছে প্রিয় নেতা শেখ মুজিবকে এক নজর দেখতে। প্রিয় নেতাকে নিয়ে আমরা মঞ্চে উঠলাম। তখন একটা রেওয়াজ হয়ে গিয়েছিল যে, আমি প্রত্যেকটি সভার সভাপতিত্ব করতাম এবং সভা পরিচালনা করতাম। কে বক্তৃতা করবে সেই নামটিও আমিই ঘোষণা করতাম। সেদিন ওই মঞ্চে ৪টি ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রেখেছিলেন। চিরাচরিত প্রথা ভঙ্গ করে আগেই সভাপতির ভাষণ দেয়ার জন্য মঞ্চে দাঁড়িয়ে লাখ লাখ মানুষকে অনুরোধ জানিয়ে বলেছিলাম, ‘সবার শেষে আমার বক্তৃতা করার কথা থাকলেও আপনাদের অনুমতি নিয়ে আমি আগেই বক্তৃতা করতে চাই।’ দশ লাখ লোক আমাকে সম্মতি জানাল। বঙ্গবন্ধুর আগেই বক্তৃতা দিলাম। আমার জীবনে এই বক্তৃতাটির কথা চিরদিন মনে থাকবে। সেদিন কী ভালোবাসা যে আমি মানুষের কাছ থেকে পেয়েছি তা বলে বোঝাতে পারব না। বক্তৃতায় আমি বঙ্গবন্ধুকে ‘তুমি’ বলে সম্বোধন করে বলেছিলাম, ‘প্রিয় নেতা তোমার কাছে আমরা ঋণী, বাঙালি জাতি চিরঋণী। এই ঋণ কোনদিনই শোধ করতে পারব না। সারা জীবন এই ঋণের বোঝা আমাদের বয়ে চলতে হবে। আজ এই ঋণের বোঝাটাকে একটু হালকা করতে চাই জাতির পক্ষ থেকে তোমাকে একটা উপাধি দিয়ে।’ আমি যখন ১০ লাখ লোককে জিজ্ঞেস করলাম, ‘প্রিয় নেতাকে আজ আমরা একটা উপাধি দিতে চাই।’ তখন ১০ লাখ লোক হাত তুলে আমাকে সম্মতি জানিয়েছিল। আর তখনই আমি ঘোষণা করেছিলাম, ‘যে নেতা তার জীবনের যৌবন কাটিয়েছেন পাকিস-ানের কারাগারে, ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছেন সেই নেতাকে জাতির পক্ষ থেকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করতে চাই।’ ১০ লাখ লোক তুমুল করতালির মধ্য দিয়ে সেদিন এ প্রস-াব গ্রহণ করে প্রিয় নেতাকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করে লাখ লাখ কণ্ঠে ধ্বনি তুলেছিল, ‘জয় বঙ্গবন্ধু।’এমন একটি মধুর দিন আমার জীবনে আর কোনদিন আসবে না। বছর ঘুরে দিনটি যখন ফিরে আসে হূদয়ের মানসপটে কত স্মৃতি ভেসে ওঠে। এদিনের প্রতিটি মুহূর্তে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে মনে পড়ে। সেদিন বক্তৃতায় আমি আরও বলেছিলাম, ‘৬ দফা ও ১১ দফা কর্মসূচি বাস-বায়নে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের রক্তের বিনিময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে আমরা ফিরে পেয়েছি। তাদের সে রক্ত যেন বৃথা না যায়, তার জন্য জোরদার আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানাই। &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;কৃষক, শ্রমিক, ছাত্রসহ সব মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য এ আন্দোলন শুর" হয়েছে। প্রিয়নেতা, মানুষ তোমার ওপর বিশ্বাস স্থাপন করেছে। যদি এই বিশ্বাসের বরখেলাপ করো, তবে বাংলার মানুষ তোমাকে ক্ষমা করবে না।’ বক্তৃতা শেষ করে ঘোষণা করেছিলাম, ‘এখন বক্তৃতা করবেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব।’ তুমুল করতালির মধ্যে তিনি বক্তৃতা দিতে দাঁড়ালেন।  চারদিকে তাকিয়ে উত্তাল জনসমুদ্রের উদ্দেশে বললেন, ‘রাতের অন্ধকারে সান্ধ্য আইনের কঠিন বেড়াজাল ছিন্ন করে যে মানুষ ‘মুজিবকে ফিরিয়ে আনতে হবে’ বলে আওয়াজ তুলে গুলির আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তাদের দাবির সঙ্গে আমি বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারি না।’ &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;সংগ্রামী ছাত্র সমাজকে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি ছাত্রদের ১১ দফা শুধু সমর্থনই করি না, এর জন্য আন্দোলন করে আমি পুনরায় কারাবরণে রাজি আছি। ছাত্রদের ১১ দফার মধ্যে আমার ৬ দফা দাবিও নিহিত রয়েছে। আপনারা নিশ্চিন- থাকুন। আমি যদি এদেশের মুক্তি আনতে ও জনগণের দাবি আদায় করতে না পারি, তবে আন্দোলন করে আবার কারাগারে যাব।’ উত্তাল গণআন্দোলনে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সংগ্রামী নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেছিলেন, ‘আমি তাদের নেতা মেনে নিয়েছি। তারা যে নেতৃত্ব দিয়েছে তার তুলনা নেই।’ সর্বজনপ্রিয় দাবি ‘এক মাথা এক ভোট’-এর ভিত্তিতে নির্বাচন ও পার্লামেন্ট প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি সংখ্যা সাম্য মানি না। &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;কোনমতেই আমার দল সংখ্যা সাম্য মেনে নেবে না। জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন পার্লামেন্ট গঠন করতে হবে। বর্তমান শাসনতন্ত্র বাতিল করা হবে, না তা সংশোধন করা হবে, নির্বাচিত পার্লামেন্টই তা নির্ধারণ করবে। সংখ্যা সাম্য যারা মানবে বাংলার মাটিতে তাদের ঠাঁই নাই। সংখ্যা সাম্যের নামে এতকাল বাঙালিকে ঠকানো হয়েছে। সর্বস-রে এবং সর্বপর্যায়ে জনসংখ্যার অনুপাতে প্রতিনিধিত্ব চাই।’ গোলটেবিলে জনগণের দাবি আদায় প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি রাওয়ালপিণ্ডি যাব এবং পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস-ানের জনগণের পক্ষ হতে তাদের দাবি তুলে ধরব। দেশ আমরা কারও কাছে বিকিয়ে দেইনি। আমার ৬ দফার সঙ্গে জনগণ আছে।’ দেশরক্ষা খাতের ব্যয় বৈষম্য সম্পর্কে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, ‘এই খাতের শতকরা ৮০ ভাগ অর্থই পশ্চিম পাকিস-ানে ব্যয় হয়। কারণ সামরিক সদর দফতর সেখানে অবসি'ত।’ পাকিস-ানের পূর্ব ও পশ্চিম অংশের মধ্যে চাকরি বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘রাজধানী পশ্চিম পাকিস-ানে অবসি'ত। ফলে সেখানকার লোক সব রকম সুবিধা পা"েছ। &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৫৬ জন বাঙালি হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন চাকরিতে বাঙালিদের সংখ্যা শতকরা ১০ জনেরও কম। কেন্দ্রীয় সরকারের সব অফিস-আদালত শুধু রাজধানীতে। তাই ব্যবসা-বাণিজ্যও সেখানে নিয়ন্ত্রিত হ"েছ। ফলে বাংলায় মূলধন গড়ে উঠছে না।’ রবীন্দ্র সঙ্গীত নিষিদ্ধের সরকারের ঘৃণ্য সিদ্ধানে-র বির"দ্ধে বলেন, ‘আমরা মির্জা গালিব, সক্রেটিস, শেকসপিয়র, অ্যারিস্টটল, দানে-, লেনিন, মাওসেতুং পড়ি জ্ঞান আহরণের জন্য আর দেউলিয়া সরকার রবীন্দ্রনাথের লেখা নিষিদ্ধ করেছে। রবীন্দ নাথ বাঙালি কবি। বাংলা ভাষায় কবিতা লিখে তিনি বিশ্বকবি হয়েছেন।’ তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ‘আমরা সরকারের এই সিদ্ধান- মানি না। আমরা রবীন্দ্রনাথের বই পড়বোই, রবীন্দ্র সঙ্গীত এদেশে গীত হবেই হবে।’ ক্যান্টনমেন্টে দুঃসহ কারাজীবনের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত স্বরে বলেন, ‘আমরা সবাই ফিরে এসেছি। কিন' সার্জেন্ট জহুর"ল হককে সঙ্গে নিয়ে আসতে পারিনি। তার ভাইয়ের বাসায় যখন দেখা করতে গিয়েছি তারা বলেছে, ‘আমাদের কোন দুঃখ নেই। আপনি ফিরে এসেছেন আপনিই আমাদের বড় ভাই।’ পরিশেষে তিনি স্বভাবসুলভ কণ্ঠে কৃতজ্ঞস্বরে বলেন, ‘ভায়েরা আমার, তোমরা যারা রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে আমাকে কারাগার থেকে মুক্ত করেছো, যদি কোনদিন পারি নিজের রক্ত দিয়ে আমি সেই রক্তের ঋণ শোধ করে যাবো।’ কী বিশাল হূদয়ের মানুষ ছিলেন তিনি। অবাক লাগে আজ ভাবতে, তিনি একা রক্ত দিয়ে যান নাই- ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে রক্ত দিয়ে বাঙালি জাতির রক্তের ঋণ তিনি শোধ করে গেছেন। বাঙালি জাতির ইতিহাসে ২৩ ফেব্র"য়ারি একটি ঐতিহাসিক গুর"ত্বপূর্ণ দিন। যতদিন বেঁচে থাকব হূদয়ের গভীরে লালিত এ দিবসটিকে স্মরণ করব।&lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt; &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt;তোফায়েল আহমেদ &lt;/div&gt;&lt;div align="justify"&gt; আওয়ামী লীগ দলীয়  সংসদ সদস্য; সভাপতি,  শিল্প মন্ত্রণালয় সংক্রান- সংসদীয় স্থায়ী কমিটি  &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-8666155674884499144?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/8666155674884499144'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/8666155674884499144'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/02/blog-post_880.html' title='ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও বঙ্গবন্ধু'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-Js8-TkM-aYE/TWVf4sdrxMI/AAAAAAAACe4/4C7gbI0pg9A/s72-c/183766_180289335349742_100001060318927_454346_6910308_n.jpg' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-6511851733004625348</id><published>2011-02-23T20:15:00.004+01:00</published><updated>2011-02-23T20:20:27.585+01:00</updated><title type='text'>সাবেক সামরিক জান্তা বীরউত্তম জিয়াউর রহমানের কথা</title><content type='html'>জিয়া ছিলেন যুগপৎ ধূর্ত কপট প্রতারক ষড়যন্ত্রকারী।….এমন অমানুষ সত্যি দুর্লভ "&lt;br /&gt; ---- প্রফেসর আহমদ শরীফ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাবেক সামরিক জান্তা বীরউত্তম জিয়াউর রহমানের কথা ----&lt;br /&gt;১৯৩৬ সালের এই দিনে বগুড়া জেলার বাগমারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান -&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১। যিনি সেনাবাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় ১৯৭১ সালে বিদ্রোহ করে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২।যিনি মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ও ফোর্স অধিনায়ক ছিলেন যার বিরুদ্ধে মুজিবনগর সরকার/ সিইনসি ওসমানী শাস্তিমূ্লক ব্যবস্থা নেয় ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩।যিনি ১৯৭৫ সালে ঘাত-সংঘাতময় সময়ের এক দু্র্বোধ্য চরিত্র ছিলেন !&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪। যিনি ৭ নভেম্বর '৭৫ এ জাসদের বীরউত্তম কর্নেল তাহেরের পরিকল্পনা ও উদ্যোগে পরিচালিত কথিত সিপাহি জনতার অভ্যুত্থানে মুক্তিযুদ্ধের বীরসেনানি খালেদ-হায়দার-হুদার লাশের উপর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত হন ২য় ফিল্ড রেজিমেন্টে ও ৪র্থ ইষ্ট বেঙ্গলের অফিসার ও সৈনিকদের প্রত্যক্ষ মদদে ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫। যিনি তাহেরের সাথে প্রথম দেখায় (৭ নভেম্বর '৭৫) তাকে আলিঙ্গন করে বলেন -"ইউ আর মাই ব্রাদার , ইউ আর মাই সেভার" । আর ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত হয়ে তাহের আর সিপাহিদের উপহার দেন ফাঁসি ।"Hang them by the neck till they are dead" -General Ziaur Rahman.  বীরউত্তম তাহেরের ফাঁসি তদারকি করেন বীর উত্তম মীর শওকত ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫। বলা হয়, জিয়া তাহেরের সাথে বেঈমানি করেছেন । কথা সত্য কিন্তু জিয়া কার সাথে বেঈমানি করেননি ? বিধায়, জিয়ার পাওয়ারে আসার পাঁচ মাসের মধ্যেই কর্নেল রশিদ-কর্নেল ফারুক জিয়ার বিরুদ্ধে ক্যুর উদ্যোগ নেয় ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬। যার আমলে ১৯টি মতান্তরে ২০ টি ক্যু হয়েছে । পিয়ালের মতও আমিও মনে করি "আসলে ক্যুর জুজু তুলে মুক্তিযোদ্ধা সামরিক অফিসারদের হত্যা এবং ফাঁসি দেওয়ার নীলনকশা ছিলো মাত্র।" তবে, শুধু "মুক্তিযোদ্ধা হত্যা" না বলে আমি বলব জিয়া তার নিরংকুশ ক্ষমতা বজায় রাখার স্বার্থে বিরুদ্ধ বা সম্ভাব্য শত্রুদের নির্মমভাবে হত্যা করেছেন । "He was a man who could kill with one hand &amp;amp;eat with the other"-A Zia colleague during the liberation war in Chittagong. আর জিয়ার এই সব গণহত্যায় তার ডান হাত ছিলেন জেনারেল মন্জুর বীরউত্তম ,মীর শওকত বীরউত্তম আর লেজেহুমো এরশাদ ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭। যিনি সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এমন কথা জোরেশোরে বলা হয় যা একটি মিথ বৈ কিছু নয় ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৮। যিনি সংবিধান থেকে 'ধর্মনিরপেক্ষতা'র উপরে কাঁচি চালিয়ে অন্তর্ভুক্ত করেন 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' মুলনীতি হিসেবে স্থাপন করেন - 'সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর আস্থা আর বিশ্বাস'কে। সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদের উচ্ছেদ করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি করার সুযোগ পুনঃ প্রতিষ্ঠিত করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৯। রাজাকারদের শুধু রাজনীতি করার অধিকারই দেননি তাদের মন্ত্রীসভায়ও স্থান দেন । আন্তর্জাতিক রাজাকার শাহ আজিজকে বানান প্রধানমন্ত্রী । আরেক রাজাকার মওলানা আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ (শর্ষিণার পীর সাহেব)কে স্বাধীনতা পদক দিয়েছেন ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১০। মুজিব হত্যায় তিনি জড়িত ছিলেন কিনা সেই প্রশ্নে না গিয়েও বলা যায় তিনি আগে থেকে জানতেন কিন্তু ঠেকাতে চাননি এবং পাওয়ারে এসেও তাদের বিচারের সম্মুখীন তো করেননি বরং বিচারের পথই রুদ্ধ করেন । হত্যার রাজনীতি যে ভাল নয় তা' স্বয়ং জিয়া নিজের জীবন দিয়ে প্রমান করেন । ৩০ শে মে ১৯৮১ , রোজ শনিবার , ভোর সাড়ে চারটা , চিটাগাং সার্কিট হাউজ । বর্ষন শ্রান্ত রজনীর শেষ প্রহর , চট্রগ্রামবাসীদের চকিত শংকিত করে জেগে উঠল নৈশ স্তব্ধতা ভঙ্গকারী গোলাগুলির শব্দ । সার্কিট হাউজ চত্বর ভরে গেল ধোয়া আর বারুদের গন্ধে । সার্কিট হাউজে ঘুমিয়েছিলেন তিনি ।গোলাগুলির শব্দে উঠে বসলেন ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কি ব্যাপার ? ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে বেরিয়ে এলেন দরজা খুলে , পরনে রাতে শয্যার পোষাক । গভীর আত্মপ্রত্যয় আর অগাধ আস্থা নিয়ে বেরিয়ে এলেন ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কি চাও তোমরা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কাছে দন্ডায়মান লে. মোসলেহউদ্দিন রীতিমত ঘাবরে যান । সে জিয়াকে আশ্বস্ত করে-‘‘স্যার আপনি ঘাবরাবেন না । এখানে ভয়ের কিছু নেই ।’’ মোসলেহউদ্দিনের ঠোট থেকে জিয়ার প্রতি আশ্বাসবানী মিলিয়ে যাবার আগেই লে. কর্নেল মতিউর রহমান তার এসএমজি থেকে অতি কাছ থেকে ব্রাশ ফায়ার করেন জিয়ার শরীরের ডানদিক একেবারে ঝাঝরা করে ফেলে । দরজার কাছেই মুখ থুবরে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন জিয়া ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লেখার ইতি টানছি জিয়াকে নিয়ে প্রফেসর আহমদ শরীফ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;"জিয়া ছিলেন যুগপৎ ধূর্ত কপট প্রতারক ষড়যন্ত্রকারী।….এমন অমানুষ সত্যি দুর্লভ "&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-6511851733004625348?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/6511851733004625348'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/6511851733004625348'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/02/blog-post_4336.html' title='সাবেক সামরিক জান্তা বীরউত্তম জিয়াউর রহমানের কথা'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-8241221337239098419</id><published>2011-02-23T19:22:00.003+01:00</published><updated>2011-02-23T19:53:25.022+01:00</updated><title type='text'>****আওয়ামী লীগ-বিএনপি তফাতটা কতদূর*****</title><content type='html'>&lt;strong&gt;****&lt;span style="color:#009900;"&gt;আওয়ামী লীগ&lt;/span&gt;-&lt;span style="color:#ff0000;"&gt;বিএনপি &lt;/span&gt;তফাতটা কতদূর*****&lt;br /&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;******আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির তফাত চিহ্নিত করা না গেলে শুধু তিমির হননের গান গাইতে হবে। প্রভাতের আলোয় চেহারা চিহ্নিত করা যাবে না। আওয়ামী লীগ আর বিএনপির মধ্যে যে কি বিসত্মর ব্যবধান তাকে দৃষ্টিগ্রাহ্য করে তুলতেই হবে। কখনও নানা কর্মকাণ্ডে দুই দলের পার্থক্যটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে, আবার কখনও সে ফারাক এতই মলিন হয়ে পড়ে যে সে একমাত্র অণুবীৰণ যন্ত্র দিয়ে দেখতে হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;******বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এই দুই সংগঠনের সাংগঠনিক পরিচয়কে এক আকার করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেনানিবাস আর হাওয়া ভবনের বিএনপি আর রাজপথের আওয়ামী লীগের ভিন্ন পরিচয়কে স্পষ্ট করে দিয়েছে। কিন্তু দু'বছর যেতে না যেতেই আবার জনগণ কিছুটা বিভ্রানত্ম হয়ে পড়েছে দুই সংগঠনের পার্থক্যটা নিয়ে। আচার-আচরণে নেতৃত্বের পরিচয়ে যে পার্থক্য প্রবল হয়ে উঠেছিল, তা যেন আবারও মস্নান হতে শুরু করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*****ভারত বিভাগের পর পূর্ব বাংলার হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে সকল বাঙালীর ওপর পাকিস্তানী শাসকদের ধর্মের নামে যে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ও কায়েমী স্বার্থের ধারকদের একনায়কসুলভ আচরণ, তার বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ও স্বাধিকার অর্জনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের জন্ম ছিল অবধারিত। পাকিস্তানীরা বাঙালীর ভাষা, কৃষ্টি, রাজনীতি ও অর্থনীতির বিরুদ্ধে গড়ে তুলেছিল এক দৃশ্যমান অবরোধ। তার বিরম্নদ্ধে ধারাবাহিক লড়াইয়ের ঐতিহাসিক প্রয়োজনেই আওয়ামী লীগের সৃষ্টি। ব্যক্তি বিশেষের অবৈধ ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখা কিংবা কারও ক্ষমতা অর্জনের পথ তৈরি করে দেয়ার জন্য আওয়ামী লীগের জন্ম হয়নি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আওয়ামী লীগের জন্ম হয়েছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*****আওয়ামী লীগের জন্মের আগেই কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে গেছে বাঙালী সমাজে। ১৯৪৮ সালেই মি. জিন্নাহর রাষ্ট্রভাষা উর্দু ঘোষণাকে রুখে দাঁড়িয়েছে বাংলার ছাত্রসমাজ। '৪৮ সালেই জন্ম  নিয়েছে ছাত্রলীগ। তৎপর হতে শুরু করেছে উদীয়মান বাঙালী তরুণ সমাজ। এই সব সম্ভাবনা ও  সংগ্রামকে রাজপথের লড়াইয়ে জীবনত্ম করার জন্য একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক গণসংগঠনের প্রয়োজন হয়ে উঠেছে অবধারিত। সেই ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনের জন্যই গড়ে উঠেছে আওয়ামী লীগ। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*****আর বিএনপির জন্ম কোন স্বাভাবিক পথে হয়নি। জাতির জনকের হত্যাকান্ডের পর দখল করা অবৈধ ক্ষমতার ফল ভোগ করার জন্য জন্মেছে বিএনপি। উর্দি পরা সেনাপতি সেনা ছাউনিতে বসেই তৈরি করেছে দল। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যার পর দেশে সৃষ্টি হয়েছে নেতৃত্বের শূন্যতা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;****সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে উর্দি পরে কামান দাগিয়ে নতুন নেতা হয়ে বসেছেন জিয়াউর রহমান। তিনি তার ক্ষমতার ছিটেফোঁটা ছড়িয়ে, রাজনীতিকদের চরিত্র হনন করে তার অস্ত্র ধরা রম্নৰ হাতে গড়ে তুলেছেন বিএনপি। গোয়েন্দা সংস্থা ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে চরিত্রহীন রাজনীতির অসাধু সামরিক বেসামরিক আমলা, কালো টাকার মালিক, নব্য ধনী, পেশিশক্তির অধিকারী সমাজবিরোধী ও স্বাধীনতার শত্রম্নদের নিয়ে গড়ে উঠেছে ৰমতাসীন দল বিএনপি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;****ব্যক্তির সম্পদ রক্ষ্যা আর সেই সম্পদের উচ্ছিষ্ট ভোগ করার লক্ষেই এই দলের জন্ম। আওয়ামী লীগের মতো রাজনৈতিক কর্মীদের নিয়ে বিএনপি গঠিত হয়নি। &lt;br /&gt;***শাসন শোষণের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের জন্ম হয়েছে। আর হত্যা ও অভু্যত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জন্মেছে বিএনপি।&lt;br /&gt;****সেই সেনা শাসনের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ দীর্ঘকাল সংগ্রাম করে দেশ স্বাধীন করেছে। সেই স্বাধীন দেশে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছে নতুন সেনা শাসন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;****যেই স্বাধীনতার শত্রুদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ লড়াই করে লাখ লাখ প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে, সেই স্বাধীনতার শত্রুদের নিয়ে ৰমতায় থাকা-অবস্থায় গঠিত হয়েছে বিএনপি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;***জন্মসূত্রে কতটা বৈরী পরিবেশে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির জন্ম তার জন্য কোন কঠিন অলৰ্য বিষয়ে গবেষণার প্রয়োজন নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;***সোনার পাথর বাটিতে রূপার পায়েস খেয়ে বিএনপির জন্ম তা দিবালোকের মতই পরিষ্কার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;***দীর্ঘ পথ চলায় আওয়ামী লীগের নানা উত্তরণ ঘটেছে। মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়েছিল। অসাম্প্রদায়িক আদর্শ চেতনা থেকেই মুসলিম শব্দ বাদ দিয়েছে পরবর্তীতে। মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে নানা ধারা উপ-ধারার সমাবেশ ঘটেছিল আওয়ামী লীগে। '৫৬ সালের সম্মেলনে মওলানা ভাসানী কাগমারিতে আওয়ামী লীগ ছেড়ে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি গঠন করেন বামপন্থীদের নিয়ে। মওলানা ভাসানীর বিদায়ে আওয়ামী লীগের ধারা-উপ-ধারার উপদলীয় কোন্দলের অবসান ঘটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*****শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের উপরি কাঠামো নির্মিত হলেও এই সময়ে আওয়ামী লীগের পুরো সংগঠন গড়ে উঠতে থাকে বঙ্গবন্ধুর সুদৃঢ় নেতৃত্বে। শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃতু্র পর আওয়ামী লীগের পাকিস্তান রক্ষার বাড়তি দায়িত্ব আর নেতৃত্বের আপোসকামিতা ও দোদুল্যমানতার অবসান ঘটল। নয় নেতার সমন্বয়ে এনডিএফ গঠন করে নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও পাকিসত্মানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন তার মৃতু্যর সাথে সমাপ্ত হলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*****এনডিএফের সাথে সাময়িক ইতি টেনেছিলেন সোহরাওয়ার্দী। বঙ্গবন্ধু পুনরম্নজ্জীবিত করলেন আওয়ামী লীগকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*****বাঙালীর স্বাধিকার, বাংলার স্বাধীনতা এই স্পষ্ট কর্মসূচী নিয়ে নতুন করে মাথা তুলে দাঁড়াল বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ। মুসলিম ভূখ- স্বাধীন করার লৰ্যে যে বাঙালীরা মরণপণ লড়াই করেছে। সেই পাকিসত্মানে বাঙালীদের মুসলমান হিসেবে স্বীকার করল না পাকিসত্মানীরা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;******গুটিকয় স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক দালালদের দিয়ে পাকিসত্মানের সেনারা পাকিসত্মান রৰা করতে পারল না। কিন্তু কেড়ে নিল ত্রিশ লাখ প্রাণ, লুণ্ঠন করল কোটি মা-বোনের সম্ভ্রম। জ্বালিয়ে পুড়িয়ে তামা করে দিল বাংলাদেশ। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ডাকে ঐক্যবদ্ধ বাঙালী স্বাধীন করল বাংলাদেশ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*****বঙ্গবন্ধু তার দীর্ঘ একক প্রচেষ্টায় আর নিরলস সংগ্রামে আওয়ামী লীগকে পোউছে দিয়েছেন বাঙালীর ঘরে ঘরে। কৃষকের আঙিনা, শ্রমিকের বসত্মি, বিশ্ববিদ্যালয়ের করিডোর, অফিস-আদালতের দোরগোড়া সর্বত্র আওয়ামী লীগ একক সংগঠন হয়ে উঠেছিল। '৭১-এ রাজপথের সংগঠনকে বঙ্গবন্ধু পেঁৗছে দিয়েছেন সশস্ত্র যুদ্ধ ৰেত্রে। সেই আওয়ামী লীগকেই আবার যুদ্ধ শেষে দেশ গড়ার হাতিয়ারে পরিণত করতে চেয়েছেন বঙ্গবন্ধু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;***সুদীর্ঘ আন্দোলনের অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এই দলটি, তাই স্বাধীনতার পরই যে পদৰেপ বাঞ্ছনীয় ছিল, বঙ্গবন্ধু তা গ্রহণ করলেন '৭৪-৭৫-এ। অর্থনৈতিক মুক্তির লৰ্যে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করে বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপস্নবের ডাক দিলেন। কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে। ভেতরে বাইরে শত্রম্নরা অনেকটা সংগঠিত হয়ে উঠেছে। তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সব সর্বনাশা পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করেনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;******বঙ্গবন্ধুর মৃতুর পর শুরু হলো ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। একের পর এক চক্রান্তেরর শেষে জিয়াউর রহমান অধিকারী হলেন নিরঙ্কুশ ক্ষমতার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মোশতাকের বিদায়,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সায়েমের অপসারণ,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে বিচারের নামে প্রহসনে ঘটল শত শত হত্যাকান্ড ,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সামরিক ফরমানের দ্বারা গণতান্ত্রিক সংবিধানের মৌলিক চরিত্র পরিবর্তন, যুদ্ধ অপরাধী স্বাধীনতার শত্রম্নদের মুক্তি ও ক্ষমতায় অধিষ্ঠান, রাষ্ট্র পরিচালনার আদর্শ হিসেবে স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িকতাকে গ্রহণ,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নব্য লুটেরা ধনিক শ্রেণীর সৃষ্টি এবং সরকারী ৰমতা খাটিয়ে ৰমতাসীন রাজনৈতিক দল তৈরি করা&lt;br /&gt;সব মিলিয়ে একক ক্ষমতার অধিকারী হলেন জিয়াউর রহমান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*******কিন্তু এত আয়োজন ভেস্তে গেল। অসময়ে উচ্চাভিলাষী ক্ষমতা দখলের ঝড়ো হাওয়ায় জিয়ার সাজানো বাগান ল-ভ- হয়ে গেল নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দখলের পাঁচ বছরের মাথায় কৃত্রিম সূতিকাগারে অসময়ে অকারণে জন্ম নেয়া বিএনপি এবার ক্ষমতা ধরে রাখতে পারল না। ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট ভোগী মেরম্নদ-হীন বিএনপি এরশাদের হুঙ্কার শুনে নুয়ে পড়ল। একই আদলে, একই আদর্শে, একই কায়দায় এরশাদও গড়ে তুললেন ক্ষমতাসীন জাতীয় পার্টি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;******বিএনপি দ্বিতীয় পর্বে এরশাদবিরোধী সংগ্রামে নামলেও এরশাদের ৰমতার উচ্ছিষ্ট প্রকাশ্যে ভোগ করতে দ্বিধান্বিত হলো না। সেনানিবাসের বাড়ি, গুলশানে দ্বিতীয় বাড়ি, সরকারী মাসোহারা, পড়াশোনা বিচ্ছিন্ন পুত্রদের পড়ার নামে রাখা খরচ নিতে ভুলল না জিয়া পরিবার। আন্দোলনে রাজপথ রঙিন করতে দলীয় প্রধান রূপে অভিষিক্ত করা হলো বেগম খালেদা জিয়াকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*****এই পর্বেও বিএনপির আন্দোলন কোন পণ দাবি পূরণের জন্য ছিল না। এরশাদকে হটিয়ে হারানো ৰমতা পুনরম্নদ্ধার করাই ছিল একমাত্র লৰ্য। জিয়াউর রহমান বিসমিলস্নাহ বলে স্বাধীনতার শত্রম্নদের পুনর্বাসনের পথ খুলে দিলেন আর এরশাদ রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের নামে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির নতুন শক্তি যোগালেন। খালেদা জিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে ছিলেন বিএনপির অপরাজনীতির। তিনি জোট গঠন করলেন স্বাধীনতাবিরোধীদের নিয়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*****এবার ৰমতার উচ্ছিষ্ট নয় তিনি সরাসরি ৰমতার অংশীদার করে নিলেন তাদের। সাম্প্রদায়িকতার সাথে জঙ্গীবাদ আর দুনর্ীতির মহাউৎসব ঘটালেন ৰমতায় বসে। তিনি বিএনপি নেতৃত্বের বৃহদাংশ তুলে দিলেন তার সুর্য সনত্মানদের হাতে। বিএনপির কাছে যুবরাজ ঘোষিত হলো তার এক ছেলে। সময়ের পরিবর্তনে যুগের দাবিতে এক চুল বদলালো না বিএনপি। স্বাধীনতার আদর্শ পরিপন্থী ধমর্ীয় সাম্প্রদায়িকতাকে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের নামে আরও আকড়ে ধরল বিএনপি। গণমানুষের প্রত্যাশাকে উপেৰা করে পাওয়া ৰমতা কেবল স্বৈরতান্ত্রিক রাজনীতির জন্ম দিতে পারে। জনকল্যাণ করতে পারে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;******আওয়ামী লীগের রাজনীতি ছিল যতটা স্পষ্ট ততটা পরিচ্ছন্ন। অর্ধ শতাব্দীর অধিক সময় আওয়ামী লীগ একই আদর্শের চর্চা করেছে। অসাম্প্রদায়িক গণতন্ত্র, বাঙালী জাতীয়তাবাদ ও শোষণহীন অর্থনীতির আপোসহীন ধারক আওয়ামী লীগ। কিন্তু জিয়াউর রহমান পার্টির লুটেরা অর্থনীতি ও রাজনীতির নব্য সংস্কৃতি আওয়ামী লীগকে কিছুটা বিভ্রানত্ম করে। আওয়ামী লীগের রাজনীতি যেমন স্পষ্ট, সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচীও হওয়া উচিত পরিচ্ছন্ন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*****বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের শোষণহীন বাংলাদেশ গড়তে তাঁর দ্বিতীয় বিপস্নবের কর্মসূচীর আলোকে পরিবর্তিত সময়ের প্রেৰাপটে আওয়ামী লীগের যুগোপযোগী কর্মসূচী প্রণয়ন জরম্নরী। কিন্তু সে পথে এখনও এগোয়নি আওয়ামী লীগ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;***জিয়ার নব্য রাজনৈতিক কালচার দেশে একটা বিকৃত গুণগত পরিবর্তন ঘটিয়েছে।দলীয় নেতৃত্বে অরাজনৈতিক পয়সাওয়ালাদের প্রতিষ্ঠা দান। সংসদে রাজনৈতিক কর্মীদের বাদ দিয়ে নব্য ধনীদের অগ্রাধিকার শুধু দৃষ্টিকটুই হয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;****বিএনপির জন্য মেধা ও উত্তরণের প্রশ্ন অবানত্মর। আর আওয়ামী লীগের জন্য মেধা ও উত্তরণের বিকল্প নেই। দলীয় নেতৃত্ব আর সংসদ সদস্যদের দেখে যদি জনগণ আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে চিহ্নিত করতে না পারে তবে সে দুঃখ আওয়ামী লীগের একার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;****আওয়ামী লীগ দিনবদলের ডাক দিয়েছে কিন্তু দিনবদল করতে হলে বিএনপি মার্কা আওয়ামী লীগারদের দিয়ে হবে না। বিএনপি ক্ষমতার জন্য লড়াই করবে, ক্ষমতা পেলে দুর্নীতির আশ্রয় নেবে। মওদুদ, সাকা, বাবররা বিএনপির জন্য বোঝা নয়, তারা বিএনপির অলঙ্কার। আর আওয়ামী লীগে এ রকম একটা জিনিসই দশটা বিষফোঁড়া হয়ে উঠবে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-8241221337239098419?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/8241221337239098419'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/8241221337239098419'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/02/blog-post_23.html' title='****আওয়ামী লীগ-বিএনপি তফাতটা কতদূর*****'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-8597850478949763444</id><published>2011-02-22T11:22:00.003+01:00</published><updated>2011-02-22T11:33:58.762+01:00</updated><title type='text'>আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী</title><content type='html'>&lt;a id="Top" name="Top"&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.bangladeshnews24x7.com/component/banners/click/11.html"&gt;&lt;/a&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#cc0000;"&gt;আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী &lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p align="center"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5576460148011387314" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; WIDTH: 348px; CURSOR: hand; HEIGHT: 169px; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://2.bp.blogspot.com/-O5HXubsZ8CQ/TWOQ9ZJXSbI/AAAAAAAACew/AekbhoZ_8Fc/s400/Prime%2BMinister%2BSheikh%2BHasina%2Balong%2Bwith%2Bthe%2Bwinners%2Bof%2Bprestigious%2BEkushey%2BPadak%2B2011%2Bposes%2Bfor%2Ba%2Bphotograph_2011-02-20.jpg" border="0" /&gt;&lt;/p&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#009900;"&gt;প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা ‘মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;‘‘মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষীসহ সকল ভাষা ও সংস্কৃতির জনগণকে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।মহান একুশে ফেব্রুয়ারী বাঙালীর জীবনে শোক, শক্তি ও গৌরবের প্রতীক। ১৯৫২ সালের এ দিনে ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে অকাতরে প্রাণ দিয়েছিলেন রফিক, শফিক, জব্বার, বরকত, শফিউদ্দিন, সালামসহ আরও অনেকে।আজকের এই দিনে আমি ভাষা শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর গ্রদ্ধা জানাই। গ্রদ্ধা জানাই বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নেতৃত্বদানকারী সর্বকালের সর্বগ্রেষ্ঠ বাঙালী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সকল ভাষা সৈনিকের প্রতি।ঔপনিবেশিক পাকিস্তানী শাসকদের ভাষা-দাসত্ব চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিরোধে ১৯৪৮ সাল থেকেই রুখে দাঁড়িয়েছিল বাংলার দামাল সন্তানেরা। সর্বস্তরের জনগণের আন্দোলনকে বেগবান করতে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে কারাবরণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কারাগার থেকেই তাঁর অবিচল ও দৃপ্ত দিকনির্দেশনা জনতার আন্দোলনে এনেছিল গতিময় উদ্দীপনা। সেই দুর্বার আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী শাসকগোষ্ঠীর জারি করা ১৪৪ ধারা ভাঙতে গিয়ে প্রাণ দিয়েছিলেন ভাষা শহীদরা।মহান একুশে ফেব্রুয়ারীর সেই রক্তাক্ত গৌরবের সুর বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে আজ বিশ্বের ১৮৯টি দেশের মানুষের প্রাণে অনুরণিত হয়। বিশ্বের সকল নাগরিকের সত্য ও ন্যায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রেরণার উৎস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগে এবং কানাডা প্রবাসী কয়েকজন তরুণের সহায়তায় ইউনেস্কো এই দিনকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আরও উচ্চতর মর্যাদায় অভিষিক্ত করেছে।বিশ্বের ২৫ কোটি মানুষের মুখের ভাষা বাংলাকে জাতিসংঘের অন্যতম সরকারী ভাষা হিসেবে স্বীকৃতিদানের জন্য আমি ইতোমধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দাবী উত্থাপন করেছি।বিশ্বের সকল ভাষা সংক্রান্ত গবেষণা এবং ভাষা সংরক্ষণের জন্য আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি।অমর একুশে আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বাঙালী জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতীক। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা এবং নিরক্ষরতামুক্ত আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বর্তমান সরকার যাত্রা শুরু করেছিল। গত দুই বছরে সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই কাক্সিক্ষত অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।আসুন সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার শপথ নেই।আমি ভাষা শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-8597850478949763444?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/8597850478949763444'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/8597850478949763444'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/02/blog-post_2007.html' title='আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-O5HXubsZ8CQ/TWOQ9ZJXSbI/AAAAAAAACew/AekbhoZ_8Fc/s72-c/Prime%2BMinister%2BSheikh%2BHasina%2Balong%2Bwith%2Bthe%2Bwinners%2Bof%2Bprestigious%2BEkushey%2BPadak%2B2011%2Bposes%2Bfor%2Ba%2Bphotograph_2011-02-20.jpg' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-3692124970375829883</id><published>2011-02-22T11:08:00.003+01:00</published><updated>2011-02-22T11:21:30.060+01:00</updated><title type='text'>প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরিশালে আসছেন</title><content type='html'>&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#006600;"&gt;প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরিশালে আসছেন &lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5576456933479966114" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; WIDTH: 439px; CURSOR: hand; HEIGHT: 331px; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://1.bp.blogspot.com/-PV5MrbF8F84/TWOOCSFWZaI/AAAAAAAACeo/2B1EH5M7-4E/s400/60685635-bangladeshs-prime.jpg" border="0" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#006600;"&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="color:#ff0000;"&gt;দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্নের দপদপিয়া সেতুর দুয়ার খুলে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ মঙ্গলবার বরিশাল আসছেন&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="color:#cc0000;"&gt;। &lt;/span&gt;&lt;div&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে অপরূপ সাজে সেজেছে নগরী। নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়েছে বরিশালকে। কীর্তনখোলার দুই তীরের বাসিন্দারা ভাসছেন আনন্দ-উচ্ছ্বাসের বন্যায়। প্রধানমন্ত্রী আজ বেলা ১১টায় হেলিকপ্টারযোগে এখানে পৌছবেন। এরপর দপদপিয়া সেতু (আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতু) উদ্বোধন করবেন। সেতু সংলগ্ন এলাকায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নগরীর সিএন্ডবি সড়কে আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এরপর নবনির্মিত বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের ভবন উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আয়োজন করা হয়েছে সেতু সংলগ্ন এলাকায়। জনসভা সফল করতে প্রত্যেক উপজেলায় কর্মীসভা ছাড়াও ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছে। দিন-রাত নগরজুড়ে চলছে মাইকিং। সাবেক চীফ হুইপ আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, বিসিসি মেয়র শওকত হোসেন হিরণ, তালুকদার মোঃ ইউনুস-এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, জনতা ব্যাংকের পরিচালক এডভোকেট বলরাম পোদ্দার বাবলু ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে গত কয়েকদিন যাবৎ এখানে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেতুর ইতিকথা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্নের এই সেতুর কাজ শুরু হয়েছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। নগর সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর উপর এক হাজার ৩৯০ মিটার দৈর্ঘ্য ওয়াই টাইপের ঐ সেতু নির্মাণের জন্য তখন কুয়েত সরকারের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন হয়। তখন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। আওয়ামী লীগ আমলেই ২০ একর জমি অধিগ্রহণ করে ৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা মূল্য পরিশোধ করা হয়। প্রকল্পের অধীন ৪ দশমিক ৩ কিলোমিটার এপ্রোচ সড়ক ও খয়রাবাদ নদীর উপর ২৭৪ মিটার একটি গার্ডার সেতু ও ৯টি কালভার্টসহ ব্যয় হয়েছে ২২৪ কোটি টাকা। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬১০ মিটার। এপ্রোচ সড়কের মধ্যে বরিশাল প্রান্তে ৩৬০ মিটার ও পটুয়াখালী প্রান্তে ৪২০ মিটার। পায়ে হেঁটে চলার জন্য উভয় প্রান্তে এক মিটার করে জায়গা রাখা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যে কারণে দীর্ঘসূত্রতা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিগত আওয়ামী লীগ আমলে জমি অধিগ্রহণ করে সেতু নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হলেও বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর যোগাযোগ মন্ত্রণালয় বিমাতাসুলভ আচারণ শুরু করে। ঠিকাদার নির্বাচনে দফায় দফায় মত পরিবর্তন করার পাশাপাশি কেএফআইডি'র সাথে চিঠি চালাচালি করতে থাকে। এক পর্যায়ে কাজের দীর্ঘসূত্রতা দেখে কেএফআইডি তাদের ফান্ড ফেরত নিতে চায়। ফলে বিএনপি ক্ষমতা ছাড়ার আগে ২০০৬ সালের অক্টোবর মাসে সেতুর ঠিকাদার নিয়োগ করে। তখন প্রজেক্ট বিল্ডার্স নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেয়া হয়। এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও বর্তমান সরকারের আমলে দফায় দফায় ঠিকাদারকে সময় বৃদ্ধি করায় নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে গত ৩১ ডিসেম্বর। শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০০৯ সালের ১০ অক্টোবর। দীর্ঘসূত্রিতার জন্য জোট সরকারকে দায়ী করে সিটি মেয়র শওকত হোসেন হিরন ও জনতা ব্যাংকের পরিচালক বলরাম পোদ্দার ইত্তেফাককে জানান, বিগত আওয়ামী লীগ আমলে দোয়ারিকা (বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতু), শিকারপুর (মেজর এমএ জলিল সেতু), গাবখান সেতু ও বলেশ্বর সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। তখন লাউকাঠী নদীর উপর পটুয়াখালী সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ছাড়ার পর বিগত জোট সরকার ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দক্ষিণাঞ্চলের বড় কোন সেতু নির্মাণ তো দূরের কথা, সড়ক-মহাসড়কেরও কোন উন্নয়ন হয়নি। স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ ইত্তেফাককে জানান, আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল আওয়ামী লীগ আমলে। আবার তা উদ্বোধনও হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। বিগত আওয়ামী লীগ আমলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। তিনিই আবার আজ সেতুর উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন। আজ থেকে এই সেতুর উপর দিয়ে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা, মহিপুর, আলিপুর, বাউফল, দশমিনা, বাকেরগঞ্জ, আমতলী, তালতলী ও বরগুনা রুটের যানবাহন যাতায়াত করতে পারবে।&lt;br /&gt;অপরূপ সাজে বরিশাল&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অপরূপ সাজে সাজানো হয়েছে বরিশাল নগরীকে। দপদপিয়া সেতুসহ কর্ণকাঠী এলাকা প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংবলিত বিলবোর্ড ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে। সেতু সংলগ্ন রূপাতলী চত্বরকে সাজানো হয়েছে রং-বেরংয়ের ফেস্টুন ও পস্ন্যাকার্ড দিয়ে। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। সড়কের দু'পাশে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন বাণী ও শেস্নাগান লিখে নতুন সাজে সাজানো হয়েছে। বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করার জন্য যে পথে প্রধানমন্ত্রী যাবেন সেই সড়ক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে নতুন রূপ দেয়া হয়েছে। নথুলস্নাবাদ থেকে রূপাতলী পর্যন্ত এখন অসংখ্য তোরণ শোভা পাচ্ছে। কোথাও কোন ধুলো-বালি নেই। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এক নগরীতে রূপ নিয়েছে বরিশাল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছয় বছর পর বরিশালে শেখ হাসিনা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেখ হাসিনার আজকের সফর দীর্ঘ ছয় বছরের প্রতীক্ষার ফসল। ২০০৫ সালে সর্বশেষ শেখ হাসিনা বরিশাল সফরে আসেন। তখন তিনি ছিলেন বিরোধী দলীয় নেত্রী। ঐ সময়ে তার গাড়িবহরে গৌরনদীতে হামলা চালানো হয়েছিল। বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশে চারদলীয় জোট ক্যাডাররা বাধা দেয়। প্রতিটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা-নেত্রীদের বিভাগীয় শহর থেকে শুরু করে জেলা-উপজেলায় সভা-সমাবেশ করার রেওয়াজ থাকলেও সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধরাবাঁধা সময়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বরিশাল সফরে আসতে পারেননি। তারপরও দক্ষিণাঞ্চলের ২১ আসনের মধ্যে ১৯টি আসনে বিজয়ী হন মহাজোটের প্রার্থীরা। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দু'বছর পর এই প্রথম শেখ হাসিনা বরিশাল সফরে আসছেন। প্রধানমন্ত্রীর আজকের আগমনের মূল উদ্দেশ্য আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতুর উদ্বোধন করা। কীর্তনখোলা নদীর উপর ঐ সেতু নির্মাণের পর দু'প্রান্তের মানুষ একাকার হয়ে যাবে। সেই স্বপ্নে প্রহর গুনছে উভয় তীরের বাসিন্দারা। সেতুর সাজগোজ নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের ব্যস্ততা তাদের কাছে বিয়ে বাড়ির আয়োজনের মতোই। সাজসজ্জার পর আজ প্রধানমন্ত্রী ফিতা কাটার পর উন্মুক্ত হয়ে যাবে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত দক্ষিণবঙ্গের কোটি মানুষের স্বপ্নের সেতুর দ্বার। সেই শুভ মহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় কীর্তনখোলা নদীর দুইতীরের বাসিন্দারা। দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝেও দেখা দিয়েছে প্রাণচাঞ্চল্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কোটি মানুষের স্বপ্নের সেতুর উদ্বোধনের পাশাপাশি কীর্তনখোলা নদীর পূর্বতীরে সেতু সংলগ্ন কর্নকাঠী এলাকায় আজ প্রধানমন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতুর প্রকল্পের অধীনে থাকা খয়রাবাদ সেতুর কাছাকাছি এলাকায় কর্নকাঠীতে ৫০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে। এরমধ্যে ৩৬ একর জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়ে গেছে। জমি অধিগ্রহণ বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৭ কোটি টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প পরিচালক জানান, জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত রিট খারিজ হয়ে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরই অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু হবে। সারাদেশের মধ্যে বরিশালে শিক্ষার হার বেশি হলেও এখানে কোন বিশ্ববিদ্যালয় নেই। দীর্ঘ ৩৩ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ফসল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের নির্মাণে ব্যয় হবে ৬০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৫ কোটি টাকা। একই দিন প্রধানমন্ত্রী বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের নবনির্মিত যে ভবন উদ্বোধন করবেন তাতে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি টাকা। ৬ একর জমির উপর নগরীর প্রবেশদ্বার নথুলস্নাবাদে নির্মাণ করা হয়েছে শিক্ষাবোর্ড ভবন। বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে রিট খারিজের দুইদিন পর প্রধানমন্ত্রীর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে আসার খবরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে গোটা দক্ষিণাঞ্চলে। কীর্তনখোলার দুই তীরে লাখো মানুষের অপেক্ষা এখন শুধুই প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে। তিনি কখন আসবেন, সেতুর উদ্বোধন করবেন, কখন দুই তীরের মানুষ এক হয়ে যাবে সেই স্বপ্ন এখন সকলের দুই চোখে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিরাপত্তার চাঁদরে পুরো নগরী&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্বোধন উপলক্ষে সরকারিভাবে সেতু এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিভিন্ন জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এনে মোতায়েন করা হয়েছে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে। সেতু সংলগ্ন এলাকায় র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা তৎপরতা শুরু করেছেন। রবিবার বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার এখানকার হেলিপ্যাডে এসে মহড়া দিয়ে ফিরে গেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে আজ প্রধানমন্ত্রীর বিদায়ের আগে পর্যন্ত বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দক্ষিণাঞ্চলবাসীর প্রত্যাশা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরিশাল সফরকে কেন্দ্র করে স্বপ্ন পূরণের প্রত্যাশায় বুক বেঁধে আছে দক্ষিণাঞ্চলের অবহেলিত কোটি মানুষ। এ অঞ্চলের দারিদ্র্যপীড়িত মানুষ প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে তাদের ভাগ্য বদলের ঘোষণা শুনতে চায়। এখানে লাখ লাখ দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের বসবাস। ক্ষুধার জ্বালা মেটাতে এরা দিনভর শ্রম করেও তিনবেলা খাবার জোটাতে পারে না। দ্রব্যমূল্যের ঊধর্্বগতি এবং বেকারত্ব এ অঞ্চলের হতদরিদ্র মানুষকে কুরে কুরে খাচ্ছে। প্রায় দু'যুগ আগে ভোলার শাহবাজপুরে আবিষ্কৃত গ্যাস ব্যবহারের জন্য বিগত কোন আমলেই পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রী ঐ গ্যাস বরিশাল ও গোপালগঞ্জসহ দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে সরবরাহের ঘোষণা দেবে বলে প্রত্যাশা করছেন এ অঞ্চলের মানুষ। ভোলার গ্যাস উত্তোলন করে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলে শিল্পনগরী গড়ে তোলার ঘোষণা শুনতে চায় দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। বিগত আওয়ামী লীগ আমলে এ অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন হলেও গত ১১ বছরে বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক বেহাল দশায় রূপ নিয়েছে। কুয়াকাটায় আধুনিক পর্যটন নগরী গড়ে তোলার জন্য সড়ক সেতু নির্মাণের দাবি এ অঞ্চলের কোটি মানুষের। কুয়াকাটায় যাতায়াতের পথে লেবুখালী, কলাপাড়া, হাজীপুর ও মহিপুর নদীর উপর এখনো কোন সেতু নির্মাণ হয়নি। দক্ষিণের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার উন্নয়নের স্বার্থে ঐ ৪টি সেতু দ্রুত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি শোনার অপেক্ষায়। একই সাথে বিশ্বাসের হাট নদীর উপর সেতু বাস্তবায়নের ঘোষণার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে অবহেলিত এ অঞ্চলের মানুষ। এই ৫ সেতুসহ নেহালগঞ্জ সেতু নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন থাকলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কাজ শুরু করা যায়নি। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এখানকার দানবীর শিল্পপতি অমৃত লাল দে বলেন, রাজধানীর ঢাকার যানজট কমাতে মাওয়ায় পদ্মা সেতুর দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি বিভাগীয় শহরগুলোতে রেললাইন স্থাপন জরুরি। চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সাঈদুর রহমান রিন্টু বলেন, গ্যাস লাইনের সাহায্যে বরিশালে শিল্প কল-কারখানা গড়ে তুলতে এখানকার ব্যবসায়ীরা আগ্রহী। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে উদ্যোগী হলে শিক্ষার নগরী বরিশাল শিল্পনগরীতে রূপ নিতে বেশি সময় লাগবে না। জাহাজ শিল্পের সম্ভাবনার কথা উলেস্নখ করে ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, এ অঞ্চলে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারেন একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যোগাযোগ বৈষম্যে পিছিয়ে থাকা এ অঞ্চলের সাথে রাজধানী ঢাকার সহজ যোগাযোগ স্থাপন করতে ও যাত্রী দুর্ভোগ কমাতে লঞ্চের রোটেশন প্রথা বাতিল ও অচল বিমান বন্দরকে সচল করতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে ঘোষণা শুনতে চান দক্ষিণের অবহেলিত কোটি মানুষ। লবণাক্ততার নতুন অভিশাপে কৃষক বাঁচাতে করণীয় উদ্যোগ না নিলে বাংলার শস্যভাণ্ডার তার ঐতিহ্য হারাতে পারে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগী হবেন বলে এখানকার মানুষের প্রত্যাশা।&lt;strong&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-3692124970375829883?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/3692124970375829883'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/3692124970375829883'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/02/blog-post_22.html' title='প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরিশালে আসছেন'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-PV5MrbF8F84/TWOOCSFWZaI/AAAAAAAACeo/2B1EH5M7-4E/s72-c/60685635-bangladeshs-prime.jpg' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-5889040578063209230</id><published>2011-02-17T21:39:00.000+01:00</published><updated>2011-02-17T21:42:21.873+01:00</updated><title type='text'>ICC Cricket World Cup Opening Ceremony 2011</title><content type='html'>&lt;object style="height: 390px; width: 640px"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/K4lXQdFX7X8?version=3"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowScriptAccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/K4lXQdFX7X8?version=3" type="application/x-shockwave-flash" allowfullscreen="true" allowScriptAccess="always" width="640" height="390"&gt;&lt;/object&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-5889040578063209230?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/5889040578063209230'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/5889040578063209230'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/02/icc-cricket-world-cup-opening-ceremony.html' title='ICC Cricket World Cup Opening Ceremony 2011'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-9066922451806352334</id><published>2011-02-15T21:11:00.002+01:00</published><updated>2011-02-15T21:16:33.608+01:00</updated><title type='text'>‎****যুদ্ধাপরাধ ::: দালাল আইনে বন্দির তালিকা মন্ত্রণালয়ে******৫৫৫ দালালের তালিকা******</title><content type='html'>&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#ff0000;"&gt;‎****যুদ্ধাপরাধ ::: দালাল আইনে বন্দির তালিকা মন্ত্রণালয়ে******৫৫৫ দালালের তালিকা******&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#009900;"&gt;১৯৭২ সালে দালাল আইনের আওতায় গ্রেপ্তার হয়ে যারা কারাগারে ছিল, তাদের নাম-ঠিকানা খুঁজে বের করা হচ্ছে। এরই মধ্যে এ রকম ৭৭৫ জন যুদ্ধাপরাধীর নাম-ঠিকানা পাওয়া গেছে। সেগুলো কারা কর্তৃপক্ষ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েও দিয়েছে।সূত্র জানায়, ওই সময় দেশে মোট ২৩ টি  কারাগার ছিল। এর মধ্যে চারটি ছিল কেন্দ্রীয় কারাগার, বাকি ১৯টি জেলা করাগার।&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt; &lt;strong&gt;&lt;em&gt;&lt;span style="color:#3333ff;"&gt;মূলত এই ২৩টি কারাগারেই সে সময় রাজাকার, আলবদর, আলশামসসহ প্রায় ৩৭ হাজার যুদ্ধাপরাধীকে বন্দি করা হয়েছিল। তবে তাদের অধিকাংশই ছিল জেলা (বৃহত্তর জেলা) কারাগারগুলোতে।এখন পর্যন্ত আটটি কারাগারে বন্দি করে রাখাদের মধ্য থেকে ওই ৭৭৫ জনের নাম-ঠিকানা জোগাড় করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।&lt;/span&gt;&lt;/em&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;যথেষ্ট কাগজপত্রের অভাবে বাকি কারাগারগুলোর তালিকা এখনো পাওয়া যায়নি।তবে &lt;strong&gt;&lt;span style="color:#ff0000;"&gt;কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম খান কালের কণ্ঠকে বলেন&lt;/span&gt;,&lt;/strong&gt; বাকি কারাগারগুলোতে থাকা যুদ্ধাপরাধের আসামিদের নামও খুঁজে বের করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কারা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কারা সদর দপ্তর থেকে ২০১০ সালের জুন মাসে তাঁরা নির্দেশ পান ১৯৭২ সালে দালাল আইনে আটক বন্দিদের তালিকা খুঁজে বের করার। এ নির্দেশের পর তাঁরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব্ব দিয়ে ওই তালিকা খোঁজা শুরু করেন। কিন্তু এই কারাগারে সে রকম কোনো রেকর্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেই বিষয়টি তাঁরা সদর দপ্তরে লিখে জানিয়েছেন। তবে তিনি বলেন, এখনো নানাভাবে খোঁজার চেষ্টা চলছে। পাওয়া গেলে সদর দপ্তরে তালিকা পাঠানো হবে।কারা সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত বাহাত্তরের দালাল আইনে বন্দি যে ৭৭৫ জনের নাম-ঠিকানা পাওয়া গেছে, তাদের মধ্যেরাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ৩০৯ জন,নওগাঁ কারাগারের ২৮৬ জন,পাবনা কারাগারের ১০,কুমিল্লা কারাগারের ৮৩,পটুয়াখালী কারাগারের ৮,ময়মনসিংহ কারাগারের ২৪,জামালপুর কারাগারের ৩২মুন্সীগঞ্জ কারাগারের ২৩ জন।***এসব নাম পাওয়ার পর গত বছর জুলাই মাসে কারা সদর দপ্তর থেকে ওই তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।****একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নির্বাহী সভাপতি বিশিষ্ট লেখক-সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতার দায়ে রাজাকার, আলবদর, আলশামসসহ স্বাধীনতাবিরোধী বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৩৭ হাজার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।&lt;br /&gt;*****১৯৭২ সালে দালাল আইন প্রণয়ন করা হয়। তবে বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর দালাল আইনে আটক ২৬ হাজার কারাবন্দি মুক্তি পায়। আর হত্যা, ধর্ষণ, হত্যাচেষ্টা, অগি্নসংযোগ, নির্যাতনসহ ১৮টি অপরাধের সঙ্গে জড়িত বাকি ১১ হাজার বন্দি ওই সাধারণ ক্ষমার আওতায় না আসায় তারা সে সময় মুক্তি পায়নি। পরে তাদের বিচারের জন্য ৭৩টি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ওইসব ট্রাইব্যুনালে কিছু আসামির বিচার সম্পন্ন হয়।এর মধ্যে ৭৫২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তিও দেওয়া হয়েছিল। বাকিদের বিচার চলছিল। পরে তৎকালীন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর দালাল আইন বাতিল করে দিলে বিচার হওয়া ও বিচারাধীন সব আসামিই মুক্তি পেয়ে যায়।&lt;br /&gt;****একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির পুস্তিকা 'যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া বানচালের ষড়যন্ত্র :****সরকার ও নাগরিক সমাজের করণীয়' থেকে জানা যায়, ১৯৭৫ সালে দালাল আইন বাতিল হলেও ১৯৭৩-এর আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনটি বহাল আছে। এই আইনের আওতায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হওয়া সম্ভব।&lt;br /&gt;****সূত্র জানায়, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর নতুন করে যুদ্ধাপরাধের বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়। এরই অংশ হিসেবে গত বছর ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। পরে দালাল আইনে বন্দিদের নাম-ঠিকানা খুঁজে বের করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়। কারা অধিদপ্তর থেকে সেই নির্দেশনা পাঠানো হয় দেশের সব কটি কারাগারে।&lt;br /&gt;*****বর্তমানে দেশে ৬৮টি কারাগার থাকলেও ওই সময় বৃহত্তর জেলাগুলোতে একটি করে কারাগার ছিল।&lt;br /&gt;*****একটি কারাগারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জেলার বলেন, 'হেড কোয়ার্টারের নির্দেশ পাওয়ার পরই আমরা কাজ শুরু করে দেই। কিন্তু কাগজপত্র পাওয়া বেশ কষ্টকর। অনেক খুঁজে যাদের নাম পেয়েছি তা পাঠিয়ে দিয়েছি সদর দপ্তরে।'***কারা মহাপরিদর্শক মো. আশরাফুল ইসলাম খান বলেন, 'মন্ত্রণালয় দালাল আইনে বন্দিদের নাম-ঠিকানা চাওয়ার পর আমরা যদ্দূর পারি কালেক্ট করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি। আরো পাওয়া যায় কি না তার চেষ্টা চলছে।'&lt;br /&gt;******যাদের তালিকা পাওয়া গেছে তাদের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন শাহরিয়ার কবির। তিনি বলেন, 'বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লাহ কায়সারকে হত্যার অভিযোগে ১৯৭২ সালে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন ঢাকা সিটি আমির ও একাত্তরে আলবদর বাহিনীর নেতা খালেক মজুমদারকে সাত বছর কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। দালাল আইনের সীমাবদ্ধতার কারণে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যায়নি। আমি মনে করি, এখন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিচার হওয়া দরকার।&lt;br /&gt;'*****একজন সাবেক কারা কর্মকর্তা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর হাজার হাজার রাজাকারকে ফৌজদারি আইনে গ্রেপ্তার করে কারাগারে রাখা হয়েছিল। পরে তাদের দালাল আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই আইনে বিচারও হয় অনেকের। অনেকে সাজাও পায়। তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালে একটি অর্ডার হয়_যেসব রাজাকার সাজার অর্ধেক ভোগ করেছে, তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হোক। এভাবে ১৯৭৪ সালের মার্চ মাসে অনেকে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে চলে যায়।*****কারা সূত্র জানায়, ওই সময় দেশে যে ২৩টি কারাগার ছিল, তার মধ্যে ঢাকা, কুমিল্লা, রাজশাহী ও যশোরে চারটি কেন্দ্রীয় ও বাকি ১৯টি ছিল জেলা কারাগার। মহকুমাগুলোতেও কিছু সাব-জেল ছিল। তবে যুদ্ধাপরাধীদের জেলা কারাগারগুলোতেই বেশি রাখা হয়েছিল।&lt;br /&gt;*********************************************************************৫৫৫ দালালের তালিকা***********************************************************************&lt;br /&gt;আলাউদ্দিন, বাবা : আলী হোসেন, কাতলী, নেত্রকোনা; আবদুর রশীদ, বাবা : জান্নাত আলী, খতিব নগোয়া নেত্রকোনা; মকবুল হোসেন, বাবা : আহমদ আলী, নেত্রকোনা; মতিউর রহমান, বাবা : বশির উদ্দিন খান, নেত্রকোনা; কালা চান, বাবা : আবুল হোসেন, পূর্বধলা, নেত্রকোনা; শেখ সুবেদ আলী, বাবা : হামিদ, জারিয়া, পূর্বধলা, নেত্রকোনা; সৈয়দ নজর আলী, বাবা : সৈয়দ আখতার, ৮৮/এ ব্রাহ্মপল্লী ময়মনসিংহ; হাছেন আলী, বাবা : আবদুল আজিজ, প্রাবঞ্জ, কিশোরগঞ্জ; আইয়ুব আলী, আলিয়াবাদ, গোলামবাড়ী, বাজিতপুর কিশোরগঞ্জ; আব্বাস আলী, বাবা : তফাতুল্লা, গোপালপুর, দেওয়ানগঞ্জ, জামালপুর; নজরুল ইসলাম, দশাইর হাট, হিমনগর, তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ; আবুল হোসেন, বাবা : পাষাণ প্রামাণিক, বেলাবাড়ী, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ; ওয়াহেদ আলী পরামাণিক, বাবা : নওশের পরামাণিক, কুমারপাড়া, তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ; জয়নাল, বাবা : আকবর আলী, আমসারা, তাড়াশ; মোকসেদ আলী সরদার, বাবা : মোবারক সরদার, বাশতুল, তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ; রশিদ আহমেদ, বাবা : নূর আহমেদ, চায়ের তলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া; ওয়ালিউর রহমান, বাবা : কাবিল, নাটাই, ব্রাহ্মণবাড়িয়া; আবুল মোতালেব, বাবা : নূরুজ্জামান, পরানপুর, লাকসাম, কুমিল্লা; নূরুল হুদা, বাবা : আবুল হোসেন, হাকিমপুর, ছাগলনাইয়া, ফেনী; তোফাজ্জল হোসেন, বাবা : আসর আলী, মজলিসপুর, ফেনী; শামসু উদ্দিন, বাবা : ফজলু করিম, চানবাড়ী বাউফল, পটুয়াখালী; হাশেম হাওলাদার বড়পাশা বাকেরগঞ্জ বরিশাল; এম এ হালিম চৌধুরী, বাবা : তমিজ উদ্দিন, বানারীপাড়া বরিশাল; খলিলুর রহমান, বাবা : মালেক মিয়া, মাদারতলী, পটুয়াখালী; আবদুল আজিজ, বাবা : হাতেম আলী, শৌলা, লোহালিয়া, পটুয়াখালী;জামাল উদ্দিন, বাবা : মনসুর আলী, কালীগঞ্জ, জামালপুর; মফিজ উদ্দিন, বাবা : ওসমান গনি, বকশীগঞ্জ, জামালপুর; নূর ইসলাম, বাবা : ইমান আলী, মানিকচর, দেওয়ানগঞ্জ, জামালপুর; জয়নাল আবেদীন, বাবা : মুদারব হাই, তেলীপাড়া, শ্রীবর্দী, শেরপুর; জিয়াবর আলী খান, বাবা : নায়েব আলী, সূর্যদি, শেরপুর;রুস্তম আলী হালদার, বাবা : আরব আলী, দীঘির পাড় টঙ্গিবাড়ী, মুন্সীগঞ্জ; এ কে এম ফারুক ওরফে বাবুল, বাবা : কাদের শেখ, শামুরবাড়ী লৌহজং, মুন্সীগঞ্জ; কাজী নিজাম উদ্দিন, ১৮/২৩ গোপালঘাট সিরাজদিখান, মুন্সীগঞ্জ; আনোয়ার হোসেন ওরফে আইন উদ্দিন মোল্লা, বাবা : নওয়াব আলী মিয়া, হাট লক্ষ্মীগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ;দবির উদ্দিন, বাবা : সাহাবুদ্দিন, বড়বিহানলী, বাগমারা, রাজশাহী; ইয়ার মোহাম্মদ, বাবা : আছির উদ্দিন খান, শালজোড়, পাশুড়িয়া, বাগমারা, রাজশাহী; আবদুল জব্বার, বাবা : বাল্লক পাইক, কয়ামাজমপুর, তাহেরপুর, দুর্গাপুর, রাজশাহী; গোলাম মোরতজা, বাবা : হাজী মনির উদ্দিন, হাজেরা পুকুর, ঘোড়ামারা, পবা, রাজশাহী; আমিনুল ইসলাম, বাবা : মোহাম্মদ আলী ওরফে আহাম্মদ আলী, হাজেরা পুকুর, ঘোড়ামারা, পবা, রাজশাহী; গিয়াস উদ্দিন মণ্ডল, বাবা : সোলাইমান মণ্ডল, মেহেরচণ্ডী, মেহেরচণ্ডী, পবা, রাজশাহী;মোসলেম আলী, বাবা : আলীম উদ্দিন, নখপাড়া, বাগমারা, রাজশাহী; কাশেম আলী, বাবা : লিখন প্রামাণিক, নখপাড়া, বীরগাছা, বাগমারা, রাজশাহী; বেনজীর আহমেদ, বাবা : মোহাম্মদ আলী, মনাকষা, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আলী হোসেন, বাবা : আবদুল আজিজ, হাটনওগাঁ, নওগাঁ; আবদুস ছাত্তার, বাবা : রসুল মোহাম্মদ, হাটনওগাঁ, নওগাঁ; আবদুর রাজ্জাক, বাবা : গোলাম রসুল, হাটনওগাঁ, নওগাঁ; আবদুর রশিদ, বাবা : আবদুল জলিল, হাটনওগাঁ, নওগাঁ; আবদুল মজিদ, বাবা : আবদুর রহিম, সৈয়দপুর, রংপুর; খলিল শেখ, বাবা : বজলু শেখ, নিয়ামতপুর, নওগাঁ; সুকুর উল্লাহ, বাবা : মুংরু, আদমদীঘি, বগুড়া; আদম আলী ওরফে সফি উদ্দিন, বাবা : সুরাত আলী, মোহাদেবপুর, নওগাঁ; মো. হাদিস, বাবা : আলাল হোসেন, বোয়ালিয়াপাড়া, সুলতানাবাদ, বোয়ালিয়া, রাজশাহী; আহাদ আলী, বাবা : আবদুল প্রামাণিক, রাইনগর, বাগমারা, রাজশাহী; সলু প্রামাণিক, বাবা : বাটীলা প্রামাণিক, রাইনগর, বাগমারা, রাজশাহী; আমিন ফৌজদার, হেঙ্গল ফৌজদার, রাইনগর, বাগমারা, রাজশাহী; মশরতুল্লাহ মণ্ডল, বাবা : দশরথ মণ্ডল, রাইনগর, বাগমারা, রাজশাহী; আবু শাহা, বাবা : মঙ্গল শাহা, রাইনগর, বাগমারা, রাজশাহী; মোসলেম উদ্দিন, বাবা : জোমন উদ্দিন, সাজুরিয়া, বাগমারা, রাজশাহী; ইয়াদ আলী, বাবা : ইছাক আলী, খালিশপাড়া, বাগমারা, রাজশাহী; কাশেম আলী কবিরাজ, বাবা : ইমান আলী কবিরাজ, খালিশপাড়া, বাগমারা, রাজশাহী; এম এ মজিদ, বাবা : জামাল উদ্দিন, উত্তর সাজুরিয়া, বাগমারা, রাজশাহী; আবদুর রহমান, বাবা : দবির প্রামাণিক, শ্যামপাড়া, বাগমারা, রাজশাহী; কালাম বেপারী, বাবা : ইউসুফ আলী, মাঁইধারা, বাগমারা, রাজশাহী; আবদুল বাকী, বাবা : আবদুর রহমান, মাঁইধারা, বাগমারা, রাজশাহী; আনিছ, বাবা : হাজী নীলমন মণ্ডল, মাঁইধারা, বাগমারা, রাজশাহী; কাশেম, বাবা : ফজু সরদার, মাঁইধারা, বাগমারা, রাজশাহী; জসিম উদ্দিন, বাবা : বশির উল্লাহ, মাঁইধারা, বাগমারা, রাজশাহী; মজিবর রহমান, বাবা : তাছির উদ্দিন, মাঁইধারা, বাগমারা, রাজশাহী; আনিসুর রহমান, বাবা : দবির উদ্দিন, মাঁইধারা, বাগমারা, রাজশাহী; মজের উদ্দিন প্রামাণিক, বাবা : হযরত আলী, মাঁইধারা, বাগমারা, রাজশাহী; জসিম উদ্দিন, বাবা : ডামন মণ্ডল, মাঁইধারা, বাগমারা, রাজশাহী; ইয়ার আলী, বাবা : বোদা মোল্লা, গোবিন্দপাড়া, বাগমারা, রাজশাহী; আক্কাছ আলী, বাবা : গরিব উল্লাহ, গোবিন্দপাড়া, বাগমারা, রাজশাহী; সুজন তালুকদার, বাবা : ভজন তালুকদার, গোবিন্দপাড়া, বাগমারা, রাজশাহী; আফছার আলী, বাবা : বশির সরদার, দেওপাড়া, বাগমারা, রাজশাহী; আনছার আলী, বাবা : বশির সরদার, দেওপাড়া, বাগমারা, রাজশাহী; ইব্রাহিম প্রামাণিক, বাবা : ইউসুফ উদ্দিন, নওদাপাড়া, আত্রাই, নওগাঁ; ফজের আলী, বাবা : কদম প্রামাণিক, দ্বীপনগর, বাগমারা, রাজশাহী; আক্কাছ আলী, বাবা : কলম প্রামাণিক, পূর্ব দৌলতপুর, বাগমারা, রাজশাহী; হাসান আলী, বাবা : ডোমন প্রামাণিক, পূর্ব দৌলতপুর, বাগমারা, রাজশাহী; জালাল, বাবা : আবদুল জব্বার, পূর্ব দৌলতপুর, বাগমারা, রাজশাহী; আবদুল জব্বার, বাবা : কলম প্রামাণিক, পূর্ব দৌলতপুর, বাগমারা, রাজশাহী; মনছুর, বাবা : সেলেমান, জশপাড়া, মান্দা, নওগাঁ; ওছিম উদ্দিন, বাবা : মহির উদ্দিন, জশপাড়া, মান্দা, নওগাঁ। মুনসুর রহমান, বাবা : তরিকুল্লাহ, মহব্বতপুর, মোহনপুর, রাজশাহী; আফছার আলী মণ্ডল, বাবা : সোলেমান মণ্ডল, মহব্বতপুর, মোহনপুর, রাজশাহী; বয়েন উদ্দিন, বাবা : বাহার উদ্দিন, মধ্যঝিনা, বাগমারা, রাজশাহী; কলিম উদ্দিন, বাবা : আবদুল গনি, মধ্যঝিনা, বাগমারা, রাজশাহী; ফজলুর রহমান, বাবা : আয়েন উদ্দিন, কাজীপাড়া, বাগমারা, রাজশাহী; রহিম উদ্দিন, বাবা : লব প্রামাণিক, বরইকুড়ি, আত্রাই, নওগাঁ; ওসমান মণ্ডল, বাবা : ওমর আলী, বরইকুড়ি, আত্রাই, নওগাঁ;মোসলেম মৃধা, বাবা : রহমতুল্লাহ, বরইকুড়ি, আত্রাই, নওগাঁ। আজিম উদ্দিন, বাবা : কছিম উদ্দিন, বরইকুড়ি, আত্রাই, নওগাঁ; আবদুল মজিদ, বাবা : মফিজুদ্দিন, বরইকুড়ি, আত্রাই, নওগাঁ; মফিজ, বাবা : মুক্তা প্রামাণিক, বরইকুড়ি, আত্রাই, নওগাঁ; আবদুল গফ্ফার ওরফে আবদুল গফুর, বাবা : মড়িয়া মোল্লা, বরইকুড়ি, আত্রাই; এরশাদ আলী, বাবা : লালু মণ্ডল, বরইকুড়ি, আত্রাই; কাশেম আলী, বাবা : বশির মণ্ডল, বরইকুড়ি, আত্রাই, নওগাঁ; ওসমান গনি, বাবা : নজর মোহাম্মদ, সুখদেবপুর, পত্নীতলা, নওগাঁ; ইমাজ উদ্দিন সরদার, বাবা : খোদা বক্স সরদার, পরানপুর, মান্দা, নওগাঁ; আবদুল খালেক, বাবা : জিয়াদ আলী মোল্লা, চকবুলাকি, নওগাঁ; তছির ফকির, বাবা : লেদা ফকির, চকবুলাকি, রানীনগর, নওগাঁ; তাহের আলী মণ্ডল, বাবা : জান বঙ্ মণ্ডল, হরিশপুর, রানীনগর, নওগাঁ; লিয়াকত আলী, বাবা : বাসতুল্লাহ মণ্ডল, খাগড়া, মান্দা, রাজশাহী; আবুল হোসেন, বাবা : সাজন প্রামাণিক, তিলাবুদরী, আত্রাই, নওগাঁ; গিয়াস উদ্দিন মণ্ডল, বাবা : রাজাই মণ্ডল, মহাদীঘি, আত্রাই; নুরুল ইসলাম ওরফে নজরুল, বাবা : রহমতুল্লাহ, সাহাপুর, ঈশ্বরদী, পাবনা; মহসিন আলী, বাবা : শুকুর আলী শেখ, আটোয়া, পাবনা; ওমর আলী, বাবা : আয়েন উদ্দিন, দেবশীনপাড়া, ঘোড়ামারা, পবা, রাজশাহী; ইউনুস আলী প্রামাণিক, বাবা : ছলিম প্রামাণিক ওরফে গলিম, জামালপুর, বাগমারা, রাজশাহী; মো. সোবাহান, বাবা : কছির উদ্দিন, জামালপুর, বাগমারা, রাজশাহী; সাহাদ আলী, ইউসুফ আলী, রামপুর পাথার, বাগমারা, রাজশাহী; জফির উদ্দিন, বাবা : খবীর উদ্দিন, বালানগর, বাগমারা, রাজশাহী; সাবের আলী প্রামাণিক, বাবা : মনির উদ্দিন, ছোট কয়া, বাগমারা, রাজশাহী; আবদুল আজিজ, বাবা : দিয়ানতুল্লাহ, বালানগর, বাগমারা, রাজশাহী; সওদাগর, বাবা : লবাই প্রামাণিক, একডালা, বাগমারা, রাজশাহী; মো. আইয়ুব, নেছার আহম্মেদ, ২৩১ কাজী রিয়াজউদ্দিন রোড, পোস্তা, লালবাগ, ঢাকা; ইব্রাহীম, বাবা : আবুল হোসেন, ৮৯ পোস্তা, লালবাগ, ঢাকা; শেখ জামাল উদ্দিন, বাবা : মা. রফিকুল মিয়া, ৯৪ পোস্তা, লালবাগ, ঢাকা; মো. মুসলিম, বাবা : শেখ মাস্তুল, ৯৪ পোস্তা, লালবাগ, ঢাকা; মো. শরীফ, বাবা : জাবেদ আলী, ৩৩/৩২ পোস্তা, লালবাগ, ঢাকা; আলতাফ উদ্দিন, বাবা : সিদ্দিক মণ্ডল, নামোশংকরবাটী, নবাবগঞ্জ; লোকমান আলী, ছমির উদ্দিন, নামোশংকরবাটী, নবাবগঞ্জ; লাল মোহাম্মদ, বাবা : আশেক শেখ, রিফুজি কলোনি-১, নবাবগঞ্জ; আবদুল গফ্ফার, বাবা : আবদুর রহিম, রিফুজি কলোনি-১ নবাবগঞ্জ, রাজশাহী; ওসমান বিশ্বাস, বাবা : উমেদ আলী বিশ্বাস, সিয়েলা, নবাবগঞ্জ, রাজশাহী; আবদুর রশিদ, বাবা : সিরাজ উদ্দিন, রিফুজি কলোনি-১, নবাবগঞ্জ, রাজশাহী; আনিছ উদ্দিন, বাবা : রমজান আলী, রিফুজি কলোনি-১, নবাবগঞ্জ, রাজশাহী; আফছার বিশ্বাস ওরফে আফসার আলী, বাবা : কাজীর উদ্দিন বিশ্বাস, রামচন্দ্রপুরহাট, নবাবগঞ্জ, রাজশাহী; আফজালুর রহমান, বাবা : জহির উদ্দিন, শংকরবাটী, রাজারামপুর, নবাবগঞ্জ, রাজশাহী; মো. সাইদুল হক, বাবা : নাসির আহম্মেদ, ঝিকরামপুর, নবাবগঞ্জ, রাজশাহী; ঘাটু ঘোষ, বাবা : ইনছান ঘোষ, কাঁঠালিয়া, গোমস্তাপুর, রাজশাহী; আবদুল হামিদ, বাবা : আবদুর রশিদ, নন্দলালপুর, গোমস্তাপুর, রাজশাহী; আবদুল কুদ্দুস ওরফে পালামী খলিফা, বাবা : কালু শেখ ওরফে ভাসু শেখ, রহনপুর, গোমস্তাপুর, রাজশাহী; জিয়াউল জিন্নাত, বাবা : সিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ, রহনপুর, গোমস্তাপুর, রাজশাহী; আবদুর রহিম, বাবা : শমতুল্লাহ মণ্ডল, নাচোল, নাচোল; রফিজুদ্দিন, বাবা : ওসমান আলী, রতিপুর, নাচোল; মো. হোসাইন কারী, বাবা : আবদুল করিম, দেওপাড়া, নাচোল; আফসার আলী, বাবা : আবদুল গফুর, হাট কাজলা, নাচোল; আবদুর রহমান, বাবা : শাহ মোহাম্মদ, বাউল, নাচোল; কলিম উদ্দিন, বাবা : জহুর আলী মুন্সী, জাগডাইল, রাজশাহী; হযরত আলী, বাবা : বেলাল মণ্ডল, উপমুস্রিবাজার, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সিরাজ উদ্দিন, বাবা : পাঠানু, নামো মুস্রিবাজার, ভোলাহাট; আবদুল লতিফ, বাবা : হাসেম উদ্দিন, নামো মুস্রিবাজার, ভোলাহাট; কেরাত আলী, বাবা : উজির আলী, তাঁতীপাড়া, ভোলাহাট; আবুল হোসেন ওরফে গুরু, আমতুল্লাহ মণ্ডল, কালুপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; লাল মোহাম্মদ, বাবা বজলুর রহমান, শিবপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; বদিউর রহমান ওরফে এজাবুল, বাবা আপাল পাইকার, খড়িয়াল মনাকষা, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ফসির উদ্দিন সরকার, বাবা কসির উদ্দিন, নন্দনপুর, বাগমারা, রাজশাহী; আফসার আলী, বাবা তছির মোল্লা, জগন্নাথপুর, বাগমারা, রাজশাহী; ছলিম উদ্দিন, বাবা আওলাদ আলী, চক বাহরামপুর, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; জহুর আহম্মেদ, বাবা হাজি শামসুদ্দিন, রহনপুর, নাচোল, রাজশাহী; আলাউদ্দিন, বাবা মাহামুদ মমিন, বিশ্বনাথপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাই নবাবগঞ্জ। নিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, বাবা গোলাম রসুল, চেলোপাড়া, বগুড়া; আবদুর রহমান, বাবা হাজি কবির উদ্দিন, ১২ রসিয়া, নবাবগঞ্জ; আবদুল হক, বাবা নজরতুল্লাহ মিয়া, চকচুনি খালিয়া, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; জাকি উদ্দিন, বাবা হাজি তোফাজ্জল হোসেন, আলীনগর, গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; শের মোহাম্মদ, বাবা ইসলাম রসুল, চেলোপাড়া, বগুড়া; জসিম উদ্দিন, বাবা জিয়ান উদ্দিন, সাহেবগাঁও, গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; জিল্লুর রহমান, বাবা বদিউজ্জামান, বিনোদপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আবদুস সালাম, বাবা তমিজ উদ্দিন মোল্লা, নামো মুস্রিবাজার, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ইয়াছিন আলী, বাবা রিয়াজ উদ্দিন, উপ মুস্রিপাড়া, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ফজলুর রহমান, বাবা সোলেমান মণ্ডল, বারিন্দা, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; কছিম উদ্দিন, বাবা মোকছেদ আলী, বেনকইল, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; বাসেদ আলী, বাবা মোসাক আলী, মোক্তারপুর, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ছানা উল্লাহ, বাবা পেশকার আলী, ঘিওর, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ফয়েজ উদ্দিন, বাবা দিরাজতুল্লাহ, গুটইল, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; মতিন রহমান ওরফে মতি হাওলাদার, বাবা মোতাহার হোসেন, দায়েনপুর, গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আবদুল খালেক, বাবা আবদুর রাজ্জাক, নামো মুস্রিপাড়া, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ছানা উল্লাহ, বাবা তমিজ উদ্দিন বিশ্বাস, কাজীগ্রাম, গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; নিজাম ওরফে লাজাম, বাবা মেহের আলী, চৌডালা, গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আবদুর রাজ্জাক, বাবা সিদ্দিক আহম্মেদ, চৌদ্দ নারায়ণপুর, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সেকান্দার আলী, বাবা নেশ মোহাম্মদ, সিডুনগর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; রাসেদ আলী, বাবা জাবেদ আলী, ইসলামপুর চেরাগদিয়া, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; জালাল উদ্দিন, বাবা মোহাম্মদ আলী, নামোশংকরবাটী, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সদরুল ওরফে সদু, বাবা সোবহান বিশ্বাস, ঝিবতলা চারঘাট প্রতাব, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সাইফুর রহমান, বাবা ইসান মণ্ডল, নামোশংকরবাটী, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; হাবিবুর রহমান, বাবা কলিম উদ্দিন বিশ্বাস, নামোশংকরবাটী, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সাইফুল ইসলাম, বাবা ফনিস মণ্ডল, নামোশংকরবাটী, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আবদুস সাত্তার, বাবা রহিম বকস, বইপুর, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ইয়াহিয়া, বাবা ফাকু মণ্ডল, ইসলামপুর চেরাগদিয়া, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ইয়াছিন মণ্ডল, বাবা প্রল্লাদ ওরফে প্রলাদ, ইসলামপুর চেরাগদিয়া, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; মোসলেহ উদ্দিন ওরফে পেয়ার উদ্দিন, বাবা মফিজ উদ্দিন, সুরানপুর, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; মোজাহার হোসেন, বাবা আবদুল করিম, সুরানপুর, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; জোকারুল হোসেন, বাবা বশির উদ্দিন সরদার, বিরেশ্বরপুর, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; লুথু মণ্ডল, বাবা জাকির মণ্ডল, বিরেশ্বরপুর, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ছমির উদ্দিন, বাবা আমানতুল্লাহ, বিরেশ্বরপুর, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আবদুস সাত্তার, বাবা ওয়াহেদ আলী, ধানিয়াপাড়া, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; মন্তাসউদ্দিন ওরফে ঘাটু, বাবা শাম মোহাম্মদ, পীরগাছি, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আজিজ উদ্দিন, বাবা নিয়ামত আলী, সুরানপুর, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; হারুনার রশিদ, বাবা নাসির উদ্দিন, ছাতিরপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; শমসের আলী, বাবা আবেদ আলী মণ্ডল, আইরামারী, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; মোজাহার আলী, বাবা ছমির উদ্দিন, বিশ্বনাথপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সোবহান মমিন, বাবা লুধু মমিন, বিশ্বনাথপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সুরুজ, বাবা মনসুর উদ্দিন, বাগদুর্গাপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; নুরুল ইসলাম, বাবা ছলিম মণ্ডল, কৃষ্ণচন্দ্রপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; মহিউদ্দিন, বাবা ইসাহাক, বিনোদপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; বজলুর রহমান, বাবা ইসাহাক বিশ্বাস, বিনোদপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; গাবু, বাবা শাহজাহান বিশ্বাস, বিশ্বনাথপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ইয়াছিন আলী, বাবা আবদুর রহমান, দাদনচক, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; মো. ইসমাইল, বাবা আয়েন উদ্দিন বিশ্বাস, বাবুপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আশরাফ আলী, বাবা আজমত আলী, শিবগঞ্জ, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; নাজির হোসেন, রসুলপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; শাহজামান, বাবা শামসুদ্দিন, রহনপুর, গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; মো. ইব্রাহিম, বাবা ছমির উদ্দিন, জিতিরপাড়া পোর্সা, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; কলিম উদ্দিন বিশ্বাস, বাবা বিকাল মণ্ডল, সিয়ালা, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সোহরাব আলী, বাবা শামসুদ্দিন, নামোশংকরবাটী, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; হাজি আবদুল গনি, বাবা মহসীন উদ্দিন কাসাই, নামোশংকরবাটী, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; রইস উদ্দিন, বাবা রুসলাম আলী, দারিয়াপুর, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; এমরান আলী, বাবা রইসউদ্দিন মণ্ডল, নয়াগোলা, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সবুর আলী, বাবা কলিম উদ্দিন, ইনসাননগর, গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আবদুল কুদ্দুস, বাবা ঝুরান মণ্ডল, সামপুর, গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আবদুল রুসলাম, বাবা পোরসাদী মিয়া, আমনুরা, পাওয়ার হাউস, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; তসলিম উদ্দিন মিয়া, বাবা দিলশাদ মিয়া, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; হজরত আলী, পিতা-ওসমান মণ্ডল, সাং-চৌডালা, পো. চৌডালা, থানা-গোমস্তাপুর, শেরু মোল্লা ওরফে মণ্ডল, বাবা কেরাতুল্লাহ মণ্ডল, পুসলিয়া গ্রাম, পোরসা, নওগাঁ; রশিদ উদ্দিন মণ্ডল, বাবা খবির উদ্দিন, চক ঝাগড়া, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; নুরুল আলম ওরফে নুর আলম, বাবা লাল মোহাম্মদ, আমনুরা, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; দীন মোহাম্মদ, বাবা সেলিম উদ্দিন, জিকরামপুর, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সোলেমান, বাবা আজের উদ্দিন, দরকাপুর, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ইমরান আলী, বাবা লোকমান আলী, নামোশংকরবাটী, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আবদুর রাজ্জাক, বাবা আহাতুল্লাহ বিশ্বাস, আরামবাগ, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; তাজামুল হক, বাবা রাহাতুল্লাহ মোল্লা, জিকরামপুর, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; মহসিন মণ্ডল, বাবা কালু মণ্ডল, নামোশংকরবাটী, নবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; জহুর আলী, বাবা কাশিম উদ্দিন মোল্লা, খড়কপুর, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সাইফুদ্দিন, বাবা সায়েব আলী, ৫ জিকরাল, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ইলিয়াছ মণ্ডল, বাবা মুছা মণ্ডল, বিরেশ্বরপুর, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সাহেব উদ্দিন, বাবা ছমেদ আলী, ৫ জিকরাল, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; রোস্তম আলী, বাবা আবদুল কাদের মণ্ডল, ৫ জিকরাল, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আয়নাল হক, বাবা ইছাহাক আলী, হাঁসপুকুর, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; মো. হোসেন, বাবা ইছাহাক মণ্ডল, পিরোজপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ইয়াছিন আলী, বাবা আমিন মণ্ডল, হাউসনগর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; মকবুল হোসেন, বাবা নিজাম মণ্ডল, হাউসনগর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; জয়নাল আবেদীন, বাবা নিয়াজ উদ্দিন, কমলাকান্তপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; দুলু, বাবা শামসুদ্দীন, মনাকষা, নামতলা, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; এনামুল হক, বাবা সতাব উদ্দিন পণ্ডিত, হাউসনগর, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; লোকমান হোসেন, বাবা মুর্তজা আলম, বনকুট, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; সিদ্দিক হোসেন, বাবা আমজাদ হোসেন, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; এমরান হোসেন, বাবা লুৎফুল হক, রসিয়া, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; হাসেম উদ্দিন বিশ্বাস, বাবা পেয়ার বঙ্ বিশ্বাস, বাহারাইল, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ছহির উদ্দিন, বাবা ইদ্রিস আলী, মুরাদপুর, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; এমদাদুল হক, বাবা হাজি তমিজ উদ্দিন, মোক্তারপুর, নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ইউনুস, বাবা মাজেদ আলী, সাহেবগ্রাম, গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; ধলু মণ্ডল ওরফে জিয়াউর রহমান, বাবা খুদু মণ্ডল, রহনপুর, গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আশিক হোসেন, বাবা সাহামত হোসেন, ভগলু, গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আলতাব হোসেন, বাবা বরকত উল্লাহ বিশ্বাস, গোমস্তাপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ; আবদুস ছাত্তার, বাবা হোসেন মিয়া, কোকিল, ধামুইরহাট, নওগাঁ; মোজাহার আলী খান, বাবা মহিউদ্দিন খান, বেনকইল, পত্নীতলা, নওগাঁ; সফি উদ্দিন, বাবা ময়েন উদ্দিন, সান্তাহার, আদমদীঘি, বগুড়া; নাইম উদ্দিন, বাবা সিরাজ উদ্দিন, সান্তাহার, আদমদীঘি, বগুড়া; অন্তিম কুমার মণ্ডল, বাবা যোগেশ্বর মণ্ডল, বদলগাছি, নওগাঁ; ফায়েজ উদ্দিন খান, বাবা সাহাবত আলী খান, ডাঙ্গিসারা, বদলগাছি, নওগাঁ; আবুল খায়ের, বাবা জব্বার মিয়া, ভাঙ্গাবাড়িয়া রিফুজি কলোনি, নওগাঁ; সাইদ, বাবা সফি মিয়া, ভাঙ্গাবাড়িয়া রিফুজি কলোনি, নওগাঁ; সৈয়দ জামিল আহম্মেদ, বাবা জাহেদ আলী, সেন্ট্রাল কাস্টম এঙ্াইজ অফিস, বিএমই কলেজ, নওগাঁ; নিজাম উদ্দিন, বাবা হাবিব মিয়া, পার নওগাঁ, নওগাঁ; মো. জলিল, বাবা গোলাম হোসেন, পার নওগাঁ, নওগাঁ; আমানত উল্লাহ, বাবা লাসা মিয়া, পার নওগাঁ, নওগাঁ; মাসুদ হোসেন, বাবা শেখ আমজাদ আলী, হাট নওগাঁ, নওগাঁ; হায়দার আলী, বাবা ইয়াহিয়া, হাট নওগাঁ, নওগাঁ; দবির উদ্দিন, বাবা ছাবের আলী মোল্লা, গাইবানা, মান্দা, নওগাঁ; জজিরা পাইকার ওরফে জজির, বাবা আবির পাইকার, কুসুম্বা, মান্দা, নওগাঁ; আবদুল বারী মণ্ডল, বাবা হাজি মিয়াজান আলী মণ্ডল, দেউলাবাড়ী, মান্দা, নওগাঁ; তমিজ উদ্দিন, বাবা হাজি মিয়াজান আলী মণ্ডল, দেউলাবাড়ী, মান্দা, নওগাঁ; মোহাম্মদ আলী, বাবা আফতাব উদ্দিন, নগেন্দ্রনগর, আত্রাই, নওগাঁ; আবদুল আলী পাইকার, বাবা বাহার আলী পাইকার, মির্জাপুর, আত্রাই, নওগাঁ; তামজান মণ্ডল, বাবা দুখাই মণ্ডল, বাদাপাড়া, পুঠিয়া, রাজশাহী; সামসুল মণ্ডল, বাবা সাবের মণ্ডল, তাবারিয়া, পুঠিয়া, রাজশাহী; মোস্তাক আহম্মেদ, বাবা সাবের মণ্ডল, তাবারিয়া, পুঠিয়া, রাজশাহী; মকবুল কবিরাজ, বাবা কফিল উদ্দিন, মালিপাড়া, পুঠিয়া, রাজশাহী; আতিয়া মণ্ডল, বাবা সদর মণ্ডল, বাদাপাড়া, পুঠিয়া, রাজশাহী; মধু মণ্ডল, বাবা মহির মণ্ডল, বাদাপাড়া, পুঠিয়া, রাজশাহী; মনির মণ্ডল, বাবা টক্কর মণ্ডল, বাদাপাড়া, পুঠিয়া, রাজশাহী; বদু মণ্ডল, বাবা জাদু মণ্ডল, বাদাপাড়া, পুঠিয়া, রাজশাহী; তাছের আলী শাহ্, বাবা দরবেশ শাহ্, কাশিয়াপাড়া, পুঠিয়া, রাজশাহী; সরোয়ার কামাল ওরফে স্বপন, বাবা আজহারুল ইসলাম, মহিশবাথান, পবা, রাজশাহী; শাজাহান আলী, বাবা আবদুল লতিফ, ফিরোজাবাদ, পবা, রাজশাহী; সুলতান উদ্দিন আহম্মেদ, বাবা রমজান আলী মিয়া, মালোপাড়া, বোয়ালিয়া; রাজশাহী; আবদুল হামিদ, বাবা আবদুল মিয়া, ফিরোজাবাদ, পবা, রাজশাহী; নাজিমউদ্দিন, শেখ আদু বেপারী, সপুরা, পবা, রাজশাহী; রেজাতুল্লাহ সরকার, বাবা আবদুল্লাহ সরকার, মোহনপুর, তানোর, রাজশাহী; ডা. গোলাম মওলা, বাবা গোলাম সাত্তার চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক সার্জারি, আরএমসিএইচ, বোয়ালিয়া, রাজশাহী; আবদুস সালাম চৌধুরী, বাবা মজিবুর রহমান চৌধুরী, নিয়ামতপুর, নওগাঁ; মো. নুরুল ইসলাম, বাবা ইসমাইল মণ্ডল, গুটিয়া, পুঠিয়া, রাজশাহী; কাশিম উদ্দিন, বাবা আবদুল আজিজ, উজানপাড়া, গোদাগাড়ী, রাজশাহী; আবদুল হামিদ, বাবা বারিকুল্লাহ, বাগমারা, রাজশাহী; সাবের আলী সরদার, বাবা সাদেক সরদার, বালানগর, বাগমারা, রাজশাহী; আবদুর রহমান, বাবা ফজর আলী সরদার, বালানগর, বাগমারা; তাহসান আলী, বাবা হাজি কলিম উদ্দিন, কাঁঠালবাড়িয়া ওরফে হরি শংকরপুর, গোদাগাড়ী; আইয়ুব আলী, বাবা ওসমান আলী, বাগমারা, বাগমারা; আবদুল করিম, বাবা ইব্রাহিম সরদার, বাদুরিয়া, চারঘাট, রাজশাহী; জেকের আলী প্রামাণিক, বাবা মাধব প্রামাণিক, নরসিংহপুর, বাগমারা, রাজশাহী।আবদুর রহমান, বাবা ইদ্রিস আলী, শ্রীপুর, বাগমারা; আবদুল মান্নান, বাবা কিসমত উল্লাহ, নওহাটা, পবা, রাজশাহী; মতিউর রহমান, বাবা বুদা গাইন, রানীবাজার, রানীবাজার, বোয়ালিয়া, রাজশাহী; মারফৎ আলী, বাবা হোসেন আলী সর্দার, গোয়ালকান্দি, বাগমারা, রাজশাহী; মো. জাহিদ, বাবা শরীফ, এসডিপিও অফিস, নওগাঁ; শেখ আ. রশিদ, বাবা রওশন আলী, মহাদেবপুর, নওগাঁ। আশরাফ আলী মিয়া, বাবা ইবির আলী, দোহালী, মহাদেবপুর, নওগাঁ; খলিলুর রহমান, বাবা হাশেম উদ্দিন মৃধা, কালিকাপুর, মান্দা, নওগাঁ; আবদুস সামাদ, বাবা রিয়াজ উদ্দিন পাই, দারিয়াপুর, আদমদীঘি, বগুড়া; আ. রহিম ওরফে বিশু, বাবা সাফাতুল্লাহ, ছিনিয়াপাড়া, রানীনগর, নওগাঁ; নুর মোহাম্মদ কাজী, বাবা সোনা উল্লাহ কাজী, মোহর, তানোর, রাজশাহী; আ. মজিদ, বাবা সোনা উল্লাহ কাজী, মোহর, তানোর, রাজশাহী; এবাদুল্লাহ মণ্ডল, বাবা বকুল মণ্ডল, মোহর, তানোর, রাজশাহী; মজিবর রহমান, বাবা মাইজুদ্দিন সরদার, সুখদেবপুর, তানোর; সাহেদ আলী, বাবা হাজী জহির উদ্দিন, সাধনপুর, পুঠিয়া, রাজশাহী; মজিবর রহমান, বাবা ময়েজ উদ্দিন শেখ, চক মহব্বতপুর, বাগমারা, রাজশাহী; ইরাত উল্লাহ, বাবা জমির উদ্দিন পাই, হাসনিপুর, বাগমারা; রহমান পাইকার, বাবা নাজির পাইকার, হাট মধ্যনগর, বাগমারা; বাহার উদ্দিন, নয়বতুল্লাহ, বারইপাড়া, বাগমারা; ছমির উদ্দিন, গোকুল পাইকার, বারইপাড়া, বাগমারা; ওসমান গনি পাইকার, বাবা শুকুর উদ্দিন, অমৃতপুর, পুঠিয়া, রাজশাহী; গুল মোহাম্মদ ওরফে গোলাম মোহাম্মদ, বাবা আন্দারুল মৃধা, সাধনপুর, পুঠিয়া, রাজশাহী; আফছার শাহ, বাবা আব্বাস আলী, মারিয়া, চারঘাট, রাজশাহী; আব্দুস সাত্তার, বাবা আব্দুস সোবহান, খড়েরবাড়ী, চারঘাট, রাজশাহী; আমজাদ হোসেন, বাবা কবির উদ্দিন, ভাটপাড়া, চারঘাট; আজিজুল হক, বাবা ইসমাইল মিস্ত্রি, কামিনি গঙ্গারামপুর, চারঘাট; মো. তমিজ উদ্দিন, বাবা কবির উদ্দিন, চত্রা, বাগমারা; আ. সামাদ ওরফে দুলু, বাবা গরিবুল্লাহ, কানাইপাড়া, পুঠিয়া; সোলাইমান, বাবা আ. হাকিম, ভগবানপুর, গোদাগাড়ী; এমদাদুল সাহা, বাবা ফয়েজউদ্দিন, ভগবানপুর, গোদাগাড়ী; আব্দুর রহমান, বাবা গোলাম মণ্ডল, মিরেরচান, পবা; মুসা সরকার, বাবা হাবিব উল্লাহ, শেখেরচর, বোয়ালিয়া; কাজেম উদ্দিন মৃধা, বাবা তাছের উদ্দিন, মারিয়া, দুর্গাপুর; রহিম উদ্দিন, বাবা ইসরাত মণ্ডল, বকতিয়ারপুর, দুর্গাপুর, রাজশাহী; মোজাফ্ফর মৃধা, বাবা ওমর আলী মৃধা, মারিয়া, দুর্গাপুর; মোসলেম পাইকার, বাবা মজিবর রহমান, মারিয়া, দুর্গাপুর; আলিম উদ্দিন, বাবা নহির মণ্ডল, জয়কৃষ্ণপুর,&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-9066922451806352334?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/9066922451806352334'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/9066922451806352334'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/02/blog-post_15.html' title='‎****যুদ্ধাপরাধ ::: দালাল আইনে বন্দির তালিকা মন্ত্রণালয়ে******৫৫৫ দালালের তালিকা******'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-4010018307055754722</id><published>2011-02-15T00:39:00.001+01:00</published><updated>2011-02-15T00:42:10.112+01:00</updated><title type='text'>সংবিধানে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে : রয়েছে ‘বিসমিলস্নাহির রাহমানির রাহিম’ ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলামও</title><content type='html'>&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#cc0000;"&gt;সংবিধানে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে : রয়েছে ‘বিসমিলস্নাহির রাহমানির রাহিম’ ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলামও কাগজ প্রতিবেদক : পুনর্মুদ্রিত সংবিধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#cc0000;"&gt;&lt;p align="justify"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5573694545855904978" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; WIDTH: 251px; CURSOR: hand; HEIGHT: 145px; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://1.bp.blogspot.com/-NYgWXk602M4/TVm9qKRF_NI/AAAAAAAACeY/_8fEKzCIKPk/s400/57160_1.jpg" border="0" /&gt;&lt;/p&gt;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ ছাড়া ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রও সংবিধানে সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘বিসমিলস্নাহির রাহমানির রাহিম’ ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলামও রয়েছে পুনর্মুদ্রিত সংবিধানে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div align="justify"&gt;গতকাল সোমবার আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ এ কথা জানিয়েছেন।&lt;br /&gt;যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য সংস্থা ইউএসএইডের বিশেষ দূত জেমস মিকেলের সঙ্গে এক বৈঠকের পর আইনমন্ত্রী তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। আইনমন্ত্রী বলেন, উচ্চ আদালতের রায়ের ভিত্তিতেই সংবিধানে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।&lt;br /&gt;এক প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার শফিক বলেন, ৫ম সংশোধনীর যেসব অনুচ্ছেদ বাতিল করতে বলা হয়েছে সেগুলো নতুন মুদ্রিত সংবিধান থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের যেসব অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে সেগুলো অন্তর্ভুক্ত করেই সংবিধান ছাপানো হয়েছে। সীমিত আকারে এ সংবিধানের কপি ছাপানো হয়েছে। এর আলোকেই এখন রাষ্ট্র পরিচালিত হবে বলে জানান আইনমন্ত্রী। আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের জাতীয় চার মূলনীতিসহ অধিকাংশ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল হয়েছে নতুন সংবিধানে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার যে ডাক দিয়েছেন তা এবারই প্রথমবারের মতো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া মুজিবনগর সরকারের গৃহীত ঘোষণাপত্রও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।&lt;br /&gt;ইউএসএইডের দূতের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, আমাদের মধ্যে বিচার কাজের দীর্ঘসূত্রতা, মামলাজট ও মামলা ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা হয়েছে। এ ছাড়া নিম্ন আদালতে বিচারক সংকট নিয়েও আলোচনা হয়েছে। পাশাপশি বিচার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে নিম্ন আদালতে ২০০ বিচারক নিয়োগ হওয়াসহ আরো ২০০ বিচারক নিয়োগ-প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছি।&lt;br /&gt;আইনমন্ত্রী বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সরকার কী কী পদৰেপ নিয়েছে তা জেমস জানতে চেয়েছেন। আমরা তাকে জানিয়েছি, বাংলাদেশ সরকার সুশাসন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সবসময় সচেতন। সুশাসন প্রতিষ্ঠার সঙ্গে বাংলাদেশের অবস্থান ও মর্যাদা জড়িত। আর দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা&lt;br /&gt;হলে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত হবেন বলে মনে করে সরকার।&lt;br /&gt;ব্যারিস্টার শফিক জানান, মুদ্রিত সংবিধানের এ কপি সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হবে এবং তারাই সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বহাল রাখবেন এবং কোন অনুচ্ছেদ বাদ দেবেন তা সুপারিশ করবেন। সে সুপারিশের আলোকেই সংশোধনী সংসদে পাস হবে।&lt;br /&gt;এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিসমিলস্নাহ’ ও ‘ধর্মনিরপেৰতা’ সাংঘর্ষিক (কনফ্লিক্টিভ) কিছু হবে বলে মনে হয় না। তবে এ বিষয়ে সংবিধান সংশোধন কমিটিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা কেবল আদালতের রায় বাস্তবায়ন করেছি। এর মাধ্যমে সংবিধানের মূল চারটি স্তম্ভ আবার সংবিধানে ফিরে আসছে বলে জানান আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-4010018307055754722?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/4010018307055754722'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/4010018307055754722'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/02/blog-post.html' title='সংবিধানে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে : রয়েছে ‘বিসমিলস্নাহির রাহমানির রাহিম’ ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলামও'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-NYgWXk602M4/TVm9qKRF_NI/AAAAAAAACeY/_8fEKzCIKPk/s72-c/57160_1.jpg' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-509507206409341587</id><published>2011-01-23T14:42:00.002+01:00</published><updated>2011-01-23T14:46:16.915+01:00</updated><title type='text'>*ইতিহাসের ধারাবাহিকতা ও জিয়া পরিবারের গন্তব্য কোথায়...?</title><content type='html'>&lt;span style="font-size:180%;color:#cc0000;"&gt;&lt;strong&gt;*ইতিহাসের ধারাবাহিকতা ও জিয়া পরিবারের গন্তব্য কোথায়...?&lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;বেগম জিয়া বললেন "২৬ মার্চ জাতীয় জীবনে ঐতিহাসিক দিন। এদিনে রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন।"স্বাধীনতার চল্লিশ বছরে বেগম জিয়ার এই নতুন বক্তব্য পড়ে হাসতে ইচ্ছা করলেও হাসতে পারলাম না। কারণ এতদিন জানতাম মেজর জিয়াউর রহমান ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছিলেন এবং কোনদিন কারও কাছে শুনিনি যে জিয়াউর রহমান ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। অথচ স্বাধীনতার চল্লিশ বছর পরে বেগম জিয়া বললেন "২৬ মার্চ জাতীয় জীবনে ঐতিহাসিক দিন। এদিনে রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;"****মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটি চেতনা অন্তরে লালন করে থাকি। বাংলা আর বাঙালী ছাড়া অন্তরে আর কিছুই খুঁজে পাই না। বাংলা ভাষা, বাঙালিত্ব এই ধারণ করে স্বাধীনতার এই চল্লিশ বছরে বাংলাদেশের ইতিহাস বিশ্লেষণ করে স্বাধীনতার ইতিহাসের কোথাও জিয়াউর রহমানের অস্তিত্ব খুঁজে পাইনি। ১৯৪৮ থেকে ১৯৭০ সাল বাঙালীর স্বাধীনতা আর সংগ্রামের ইতিহাস। বাঙালীদের দীর্ঘ ২৩ বছরের এই সংগ্রামী জীবনে জিয়াউর রহমান কোথায় ছিলেন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;*******মেজর জিয়াউর রহমান। ১৯৭৫ সালের পূর্বে বাংলাদেশীদের কাছে মেজর জিয়াউর রহমান একটি প্রায় অপরিচিত নাম ছিল। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলা ভাষা, নাকি উর্দু এই নিয়ে বাঙালী আর পাকিস্তানীদের মধ্যে শুরু হয় মতবিরোধ। ১৯৪৮ সালে ভাষা আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে বীজ বপন হয় বাঙালীর স্বাধিকার আন্দোলন। এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাঙালীদের জীবনে আসে '৫২ সালের একুশে ফেরুয়ারি। ভাষার জন্য এদিন প্রাণ দেন রফিক, জব্বার, সালাম, বরকতসহ আরও অনেকে। ২১ দফা দাবি নিয়ে ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ থেকে ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি ও নেজাম-ই-ইসলাম ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। ২১ দফা দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল রাষ্ট্রভাষা বাংলা। এই নির্বাচনে ২৩৭টি সিটের মধ্যে ২১৫ ভোট লাভ করে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি ও নেজাম-ই-ইসলাম ঐক্যজোট। নির্বাচনে আওয়ামী মুসলিম লীগ পায় ১৪২ সিট, কৃষক-শ্রমিক দল পায় ৪৮, নেজাম-ই-ইসলাম পায় ১৯ সিট এবং গণতন্ত্রী পার্টি ১৩ সিটসহ সর্বমোট ২২২ সিট নিয়ে আওয়ামী মুসলিম লীগের নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট পূর্ব বাংলায় সরকার গঠনের সুযোগ লাভ করে। ১৯৫৪ সালের ১৫ মে সমঝোতার ভিত্তিতে সরকার গঠন করে। কিন্তু বানোয়াট অভিযোগে পাকিস্তানের সেন্ট্রাল গবর্মেন্ট ১৯৫৪ সালের ২৯ মে এই সরকারকে বাতিল করে দিয়ে নিজস্ব কর্তৃত্ব স্থাপন করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৫৫ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে যাত্রা শুরু হয় আওয়ামী লীগের। আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান বাংলা, বাঙালী আর বাংলা ভাষার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে ১৯৫৮ থেকে ১৯৬২ সালের প্রায় পুরোটা সময় পাকিস্তানী সামরিক জান্তার কারাগারে জেল খাটেন। ১৯৬৩ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক গুরু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন এবং তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়। ১৯৬৪ সালের নির্বাচনের পূর্বে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা আবারও শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে।ধীরে ধীরে বাঙালীর আন্দোলন দানা বাঁধে। বাঙালীরা স্বপ্ন দেখতে শুরু করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের। ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ৬ দফার আন্দোলনের ডাক দেন। শেখ মুজিবুর রহমানের এই ৬ দফা পুরো পূর্ব বাংলায় বাঙালীদের মধ্যে জাগরণের সৃষ্টি করে। একদিকে বাঙালীরা শুরু করে 'সিক্স পয়েন্ট মুভমেন্ট।' অন্যদিকে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা বাঙালীর কণ্ঠরোধ করার জন্য আবারও শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে। পুরো দুই বছর তিনি জেলে কাটান। পাকিস্তানী সামরিক জান্তা সামরিক আইনে শেখ মুজিবুর রহমানের বিচার শুরু করে যা পরবর্তীতে "আগরতলা ষড়যন্ত্র" হিসেবে সারাবিশ্বে পরিচিতি লাভ করে।কিন্তু বাঙালীর অবিসংবাদিত নেতা 'বঙ্গবন্ধু' নামে পরিচিত শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য বাঙালীদের আন্দোলনের তীব্রতা দেখে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা ১৯৬৯ সালে শেখ মুজিবকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। শেখ মুজিবুর রহমান জেল থেকে বেরিয়ে এসে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুদিবসে আয়োজিত এক জনসমাবেশে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানকে 'বাংলাদেশ' হিসেবে নাম দেন। সমাবেশে তিনি ঘোষণা করেন, "আজ থেকে পূর্ব পাকিস্তানকে 'বাংলাদেশ' নামে ডাকা হবে। বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণায় সারা পাকিস্তানে ঝড় ওঠে। বাঙালীরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বুনতে থাকে।১৯৭০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সাইক্লোন 'ভোল' আঘাত হানে এবং এই সাইক্লোনের আঘাতে প্রায় ৫ লাখ জীবন হারায়। আরও লাখ লাখ বাঙালী হারায় ঘরবাড়িসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি। সাইক্লোনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালীদের প্রতি তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের কোন কিছু না করা বাঙালীদের তাদের স্বাধিকারের আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ করে তোলে এবং এরই ধারাবাহিকতায় আসে ১৯৭০ নির্বাচন। এই নির্বাচনে নির্যাতিত নিপীড়িত বাঙালীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানায়। নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর দল বিপুল ভোটে নির্বাচনে জয় লাভ করে।নির্বাচনে জয়লাভ করে মুজিব বাঙালীর স্বাধিকার আন্দোলনে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন দাবি করে। কিন্তু মুজিবের দলের ভিতরে দাবি ওঠে বাংলাদেশের স্বাধীনতার।&lt;br /&gt;পাকিস্তানী সামরিক শাসক বাঙালীদের অধিকারের কোন মূল্য না দিয়ে শুরু করে বাঙালীদের ওপর নির্মম অত্যাচার; আর এরই ধারাবাহিকতায় আসে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ "...এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।" বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের এই ভাষণের পর পরই বাঙালীরা স্বাধীনতার আন্দোলনে জড়িয়ে পড়ে এবং যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে পাকিস্তানীদের বিতাড়নের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে শুরু করে।২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গবন্ধু তৎকালীন ইপিআর ওয়্যারলেসের মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার পর পরই পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন। শুরু হয় বাঙালীর মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশ মুক্ত হয়।কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে বছর না যেতেই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক শক্তি আওয়ামী লীগ ও জাসদের ভাগ হয়ে দেখা দেয় মতা আর রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব। সম্মিলিতভাবে শিশু রাষ্ট্রটিকে গড়ার কাজে লিপ্ত না হয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্বপরে শক্তির মধ্যে শুরম্ন হয় রাজনৈতিক আর মতার বিরোধ। একদিকে রাষ্ট্রীয় মতায় আসীন আওয়ামী লীগের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আর অন্যদিকে মতার বাইরে থাকা জাসদের সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার দ্বন্দ্বের ফলে দুই মুক্তিযুদ্ধের শক্তির মধ্যে দেখা দেয় বিরোধ। আর এই বিরোধের মধ্যে আগুন দেয় দেশের অভ্যন্তরে পালিয়ে থাকা এন্টাই লিবারেশন ফোর্স হিসাবে চিহ্নিত মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি জামায়াত শিবির, রাজাকার, আলবদর, আলশামস্ বাহিনী। শুরু হয় জাসদের সশস্ত্র বিপ্লব। জাসদের এই সশস্ত্র বিপ্লবের সূচনার পাশাপাশি মুত্তিযুদ্ধের পর পালিয়ে থাকা পরাজিত ঘাতকরা সংগঠিত হতে শুরু করে। যুক্ত হয় দেশী বিদেশী যড়যন্ত্র। সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কর্নেল আবু তাহেরকে সামনে রেখে শুরু হয় জাসদের সশস্ত্র বিপ্লবের নীলনকশা। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী কর্নেল আবু তাহের ১৯৭২ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে প্রমোশন লাভ করেন। কিন্তু কর্নেল আবু তাহের জাসদভিত্তিক সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সঙ্গে একীভূত হবার ফলে সেনাবাহিনী থেকে পদত্যাগ করে কর্নেল আবু তাহের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।কর্নেল আবু তাহেরের সক্রিয় জাসদে যোগদান সেনাবাহিনীতে বিভিন্নভাবে বঞ্চিত ননকমিশন্ড অফিসার ও সাধারণ সৈনিকদের উজ্জীবীত করে এবং পাশাপাশি দেশে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জাসদকে উজ্জীবিত করে তোলে।একদিকে কর্নেল আবু তাহেরকে সামনে রেখে জাসদ আর সেনাবাহিনীর বঞ্চিত সেনা অফিসার ও সৈনিকদের একত্রীকরণ, আর অন্যদিকে জাদসের সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নীলনকশা আর এই নীলনকশার মধ্যে উস্কানি দেয় পালিয়ে থাকা দেশবিরোধী শক্তি জামায়াত শিবির রাজাকার আলবদর আলশামস বাহিনীর সদস্যরা আর দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা। জাসদের সশস্ত্র বিপ্লব, সেনাবাহিনীর বঞ্চিত অফিসার সৈনিকদের সঙ্গে পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্রে সঙ্গে দেশী বিদেশীদের চক্রান্তকারীদের সক্রিয় পরিকল্পনায় ক্ষমতা দখলের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীর একটি ক্ষুদ্র অংশ তৎকালীন সেনা অফিসার জিয়াউর রহমানের সক্রিয় সম্মতির নিয়ে কর্নেল ফারুক-রশিদের নেতৃত্বে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে হত্যা করা হয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আর তাঁর পুরো পরিবারকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করার পর মুক্তিযুদ্ধের সপরে শক্তিকে মতা থেকে চিরতরে হটানোর নীলনকশার ধারাবাহিকতায় ঘটানো হয় ৩ নবেম্বরের জেল হত্যাকান্ড। হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে। জাসদের সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আর দেশবিরোধীদের নীলনকশায় একের পর এক মুক্তিযুদ্ধের সপরে শক্তির নেতাদের হত্যাকান্ডের ফলে মতা দখল করে নেয় মুক্তিযোদ্ধা খালেদ মোশাররফ। বন্দী করা হয় জেনারেল জিয়াউর রহমানকে।১৯৭৫ সালের ৭ নবেম্বর সেনাবাহিনীর বঞ্চিত সেনা অফিসার আর সৈনিকদের অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে কর্নেল আবু তাহের জিয়াউর রহমানকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করেন। কর্নেল তাহেরের এই সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে হত্যা করা হয় সেনাবাহিনীর শত শত অফিসার ও সৈনিক। বন্দী অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে জিয়াউর রহমান প্রধান বিচারক আবু সাঈদ মোহাম্মদ সায়েমকে সঙ্গে নিয়ে মার্শাল ল জারির মাধ্যমে দেশের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হন।১৯৭৫ সালের ৭ নবেম্বর জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা দখলের পরে কর্নেল তাহের বুঝতে পারেন, যে উদ্দেশ্যে তিনি সশস্ত্র বিপ্লব ঘটিয়েছেন তা বিফল হয়েছে। সফল হয়েছে জিয়াউর রহমানের প্রতি বিপ্লব। কিন্তু কর্নেল আবু তাহেরের সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্লোগান সেনাবাহিনীতে ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে এবং কর্নেল আবু তাহের জিয়াউর রহমানকে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য হুমকি দিতে শুরু করলে বিপদ টের পেয়ে ১৯৭৫ সালের ২৪ নবেম্বর জিয়াউর রহমান কর্নেল তাহেরের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের অভিযোগ এনে তাঁকে গ্রেফতার করেন এবং কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেন।ক্ষমতা দখলের পর জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তি জামায়াত শিবির-রাজাকার-আলবদর-আলশামস বাহিনীর সদস্যদের রাজনীতি করবার সুযোগ করে দেয় এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠন করে জিয়াউর রহমান সক্রিয় রাজনীতি করা শুরু করেন। জিয়াউর রহমানের এই রাজনীতির ছায়াতলে দেশের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা স্বাধীনতাবিরোধীরা জড়ো হতে শুরু করে। একদিকে জিয়াউর রহমানের ধর্মভিত্তিক রাজনীতি চালু, দেশবিরোধী জামায়াত-শিবির-রাজাকার-আলবদর-আলশামস্ বাহিনীর রাজনীতির অনুমতি প্রদান সবকিছু মিলিয়ে যাত্রা শুরু হয় এক নতুন বাংলাদেশের। এই নতুন বাংলাদেশের মতার শীর্ষে চলে আসে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি।১৯৭৮ সালের নির্বাচনে জিয়াউর রহমান ৫ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।&lt;br /&gt;১৯৭৯ সালের নির্বাচনে জিয়াউর রহমানের নবঘটিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ৩ শ' সিটের মধ্যে ২০৭ সিট পেয়ে বিজয় লাভ করে। জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা গ্রহণের পর পরই বাংলাদেশ একটি নতুন পথে যাত্রা শুরু করে এবং এই যাত্রায় জিয়াউর রহমানের সঙ্গে পায়ে পায়ে হাতে হাতে চলতে শুরু করে ধর্মীয় রাজনীতি। ধর্মের নামধারী দেশদ্রোহী জামায়াত-শিবির-আলবদর-আলশামস্ বাহিনী ধর্মের নাম নিয়ে ধীরে ধীরে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করে এবং '৮০-এর দশকে এই ধর্মীয় রাজনীতি বাংলাদেশের সর্বত্র এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। শুরু হয় রগকাটার রাজনীতি।কিন্তু দেশদ্রোহী জামায়াত-শিবির-আলবদর-আলশামস্ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ধর্মীয় রাজনীতি আর সেনা বিদ্রোহের উন্মাদনা হতে জিয়াউর রহমানও রেহাই পাননি। ১৯৮১ সালের ৩০ মে সেনাবাহিনীর একটি বিদ্রোহে জিয়াউর রহমানকে প্রাণ হারাতে হয়। যে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করেছিলেন সেই ক্ষমতা দখলের ছয় বছরের মাথায় তাঁকেও সেই ষড়যন্ত্রের বলি হতে হয়। পিছনে রেখে যান বিধবা স্ত্রী, দুই সন্তান আর ভাঙ্গা একটি ব্রিফকেস। হত্যার এই ধারাবাহিকতায় তৎকালীন সামরিক প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এক রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে ক্ষমতা দখল করেন। ক্ষমতা দখল করে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদও দেশদ্রোহী জামায়াত-শিবির-আলবদর-আলশামস্ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ধর্মীয় রাজনীতির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন এবং দেশে ধর্মীয় রাজনীতি চালু রাখেন।&lt;br /&gt;১৯৮৩ সালে জিয়াউর রহমানের বিধবা স্ত্রী ভারতে জন্মগ্রহণকারী বেগম খালেদা জিয়াকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন বিচারপতি আবদুস সাত্তার এবং ১৯৮৪ সালের ১৪ আগস্ট বেগম জিয়া বিএনপির চেয়ারপার্সন হিসেবে নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক আন্দোলনের ফলে ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করেন এবং ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বেগম জিয়া ও তাঁর জোট রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন এবং বেগম জিয়াও দেশদ্রোহী জামায়াত-শিবির-আলবদর-আলশামস্ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ধর্মীয় রাজনীতির ছায়ায় রাষ্ট্র পরিচালনা শুরু করেন।১৯৯১ সালের বিএনপি ও জামায়াত-শিবির জোট ক্ষমতা গ্রহণের পর পরই একদিকে যেমন শুরু হয় ধর্মীয় রাজনীতির উন্মাদনা, অন্যদিকে শুরু হয় বেগম জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের ভয়ঙ্কর উত্থান। সরকারের মদদে এই সময় তারেক রহমান টেঙ্টাইল মিল, শিপিং ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। ক্ষমতার শীর্ষে চলে আসেন তিনি। ধীরে ধীরে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে দুর্নীতি, হত্যা, ধর্ষণ ও লুটপাটসহ নানা অপরাধ। বিএনপির ঘাড়ে চড়ে দেশদ্রোহী জামায়াত-শিবির-আলবদর-আলশামস্ বাহিনী নৃশংসভাবে ঝঁপিয়ে পড়ে দেশের সংখ্যালঘু ও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির উপর। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত জামায়াত শিবিরের ভয়াবহ এই উত্থানের পাশাপাশি বাংলাদেশের ইতিহাসে ভয়াবহভাবে উত্থান ঘটে তারেক রহমানের।বিভিন্ন দুর্নীতি আর ধর্মীয় রাজনীতির উন্মাদনার মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আবারও নির্বাচনে কারচুপি করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকলেও রাজনৈতিক অন্দোলনের ফলে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয় চারদলীয় জোট এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ১২ জুন ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ এবং প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের এবং বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে।১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগ ক্ষমতা গ্রহণের পর পরই ভারতের সঙ্গে বহুল আলোচিত ফারাক্কা বাঁধ নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে ৩৩ হাজার কিউবিক পানি প্রতি সেকেন্ডে পাবার নিশ্চয়তা বিধান হয়। এ ছাড়া পাহাড়ী আদিবাসীদের সশস্ত্র বিদ্রোহ দমনের জন্য 'শান্তি চুক্তি' করে। এই চুক্তির ফলে পাহাড়ী এলাকা শান্তি স্থাপিত হয় এবং বিদ্রোহীরা তাদের অস্ত্র সরকারের কাছে জমা দেয়। এ ছাড়াও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের সত্যিকারের ইতিহাস পাল্টে দেয়া হয়েছিল তা সঠিক করতে উদ্যোগ নেয়।২০০১ সালের পহেলা অক্টোবরের নির্বাচনে আবারও ক্ষমতায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট। প্রধানমন্ত্রী হন বেগম খালেদা জিয়া।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০০১ সালের নির্বাচনে চারদলীয় জোটের ক্ষমতা গ্রহণের পর পরই সারা বাংলাদেশে ধর্মীয় রাজনীতির বিভীষিকা ছড়িয়ে পড়ে। সংখ্যালঘু হিন্দু ও আহমেদীয় সমপ্রদায়ের ওপর বীভৎসভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশদ্রোহী জামায়াত-শিবির-আলবদর-আলশামস্ বাহিনী। হত্যা, রাহাজানি, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, সংখ্যালঘুদের ওপর পাশবিক অত্যাচার, বাড়িঘর লুটপাট এবং প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের হত্যা ইত্যাদি সবকিছু মিলিয়ে দেশে এক অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।একদিকে জোট সরকারের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কালো ছায়া, অন্যদিকে দেশদ্রোহী জামায়াত-শিবির-আলবদর-আলশামস্ বাহিনীর রগকাটা রাজনীতির পাশাপাশি ভয়াবহভাবে উত্থান ঘটে বহুল আলোচিত হাওয়া ভবন। বেগম জিয়ার সরকারের পাশাপাশি চালু হয় তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন হাওয়া ভবন প্রশাসন। বেগম জিয়ার জোট সরকারের পাশাপাশি তারেক রহমানের হাওয়া ভবন শাসনে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত দেশে চলে দু'টি পাশাপাশি সরকারের কার্যক্রম। সৃষ্টি হয় এক ভয়াবহ পরিস্থিতির এবং এক পর্যায়ে সরকারের সকল কার্যক্রমকে ছাড়িয়ে আলোচনা, ক্ষমতা আর শাসনের শীর্ষে উঠে আসে হাওয়া ভবন।যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-শিবির-রাজাকার- আলবদর-আলশামস্ বাহিনীর সঙ্গে জোট বেঁধে বেগম জিয়ার সরকার দেশের ইতিহাস বিকৃত করে মরহুম জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বানিয়েছিলেন। দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নাম নিশানা মুছে ফেলার কি কুৎসিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল যা জিয়াউর রহমান খোদ ক্ষমতায় থাকতে করতে সাহস পায়নি। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থাকতে যে স্বাধীনতার দলিল তিনি রচনা করেছিলেন সেখানেও তিনি নিজেকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে দাবি করেননি। কিন্তু ২০০৩/৪ সালে জিয়াউর রহমান কর্তৃক রচিত সেই স্বাধীনতার দলিল সংশোধন করে জিয়াউর রহমানকে বেগম জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক বানাবার অপচেষ্টা চালিয়েছেন।বর্তমান বিএনপির আশপাশে এখনও সুবিধাবাদী দুর্নীতিবাজরা শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে আছে। বিএনপিকে এখনও ঘিরে আছে জঙ্গীবাদী জামায়াত-শিবির-রাজাকার-আলবদরেরা। আরও আছে দেশে প্রবাসে খাম্বা মামুনের মতো বহু খাম্বা মামুন। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে এইসব দুর্নীতিবাজদের দল থেকে বহিষ্কার অতীব জরুরি।দেশের মানুষ আন্দোলন চায় না। দেশের মানুষ হরতাল চায় না। দেশের মানুষ দেশে সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা চায়। শিক্ষিত নেতৃত্ব চায়। বাংলাদেশ পিছিয়ে যেতে পারে না। তথ্যপ্রযুক্তি আর কানেকটিভিটির মাধ্যমে বিশ্ব আজ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কানেকটিভিটি আর সুসম্পর্কের মাধ্যমে নিজস্ব স্বকীয়তা বজায় রেখে তথ্য প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধিশালী হয়ে বাংলাদেশকেও এগিয়ে যেতে হবে এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা কোন দল বা ব্যাপ্তি বা পরিবারের কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে না। রাসত্মার আন্দোলনের পরিবর্তে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপিকে সংসদে এসে মানুষের কথা বলতে হবে। সরকারের ভুল ত্রুটি শুধরে দিতে হবে। ইতিহাস বিকৃতির রাস্তা থেকে সরে আসতে হবে। জামায়াত-শিবির-রাজাকার-আলবদরদের সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে। দেশের আইনের শাসন কায়েম করতে হবে। সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার করে দেশকে একটি সুখী সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশে পরিণত করার কাজে সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে।দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতি পরিহার করে দুর্বৃত্তায়নের সঙ্গে জড়িত রাজনীতিবিদদের দল থেকে বের করে দিয়ে শিক্ষিত সভ্য এবং দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদদের দিয়ে বিএনপিকে আবারও ঢেলে সাজিয়ে একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি কাজ করতে পারলে হয়ত বাংলাদেশে জিয়া পরিবারের নাম সুনামের সহিত অক্ষুণ্ন থাকবে। কিন্তু তা না হলে কোন এক পাকিস্তান বা জামায়াত-শিবির-রাজাকার-আলবদর-আলশামসদের কাঁধে বসিয়ে জিয়া পরিবারকে টিকিয়ে রাখা যাবে না।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-509507206409341587?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/509507206409341587'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/509507206409341587'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/01/blog-post_23.html' title='*ইতিহাসের ধারাবাহিকতা ও জিয়া পরিবারের গন্তব্য কোথায়...?'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-349471513162379193</id><published>2011-01-10T00:45:00.002+01:00</published><updated>2011-01-10T00:50:23.576+01:00</updated><title type='text'>বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : বিজয় পূর্ণতা পায় যেদিন</title><content type='html'>&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#ff0000;"&gt;বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : বিজয় পূর্ণতা পায় যেদিন &lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#ff0000;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#ff0000;"&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5560337430285458338" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; WIDTH: 452px; CURSOR: hand; HEIGHT: 212px; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/TSpJbtN5G6I/AAAAAAAACeA/2Q4OoIX9MxA/s400/bb.png" border="0" /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। বাঙালি জীবনের এক অবিস্মরণীয় দিন। মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর কাছে প্রায় ৯৩ হাজার পাকসেনার আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬৬ দিনের স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান হলো, অর্জিত হলো আমাদের কাঙিৰত বিজয়। সেদিন থেকেই ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস। ক্যালেন্ডারের পাতায় ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ শুধুই আমাদের, আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত প্রশিৰিত ও পেশাদার পাকসেনার বিপরীতে বাংলার আবালবৃদ্ধবনিতার লাঠি, তীর, ধনুক ও মান্ধাতার আমলের অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ নিতান-ই ছিল একটি অসম যুদ্ধ। যে বাঙালিকে তারা ভীর" ও কাপুর"ষ বলে তিরস্কার করতো, সৈনিক হিসেবে যে বাঙালিকে কখনই উপযুক্ত বলে মনে করতো না সেই বাঙালি জাতি যে তাদেরকে পরাজিত করে বিশ্ব দরবারে বীরের জাতি হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে তা তাদের বোধগম্য ছিল না। বাঙালির এ বীরত্বের কাহিনী তাক লাগিয়ে দিয়েছিল বিশ্ববাসীকে। বাঙালি তাদের এ অসাধ্য সাধনের মূলমন্ত্র মূলত খুঁজে পেয়েছিল বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে। তর্জনী উঁচিয়ে সেদিন তিনি উজ্জীবিত করতে পেরেছিলেন প্রতিটি বাঙালিকে। বজ্রকণ্ঠ নামে খ্যাত ঐতিহাসিক এই দৈববাণীর মতো গগন বিদারী কণ্ঠে ঘোষিত হয়েছিল কিছু ভবিষ্যদ্বাণী ও স্বাধীনতার মূলমন্ত্র। জলদগম্ভীর স্বরে তিনি ঘোষণা করেছিলেন তার নির্দেশাবলী- ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো, যার যা আছে তাই দিয়ে শত্র"র মোকাবেলা করতে হবে। সর্বস-রের বাঙালি অৰরে অৰরে তার নির্দেশ পালন করলো। আমরা বিজয় পেলাম অনুপসি'ত সেনাপতির এমন সেনাপতিত্ব পৃথিবীর ইতিহাসে সত্যিই বিরল। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন বিশ্বের সর্বত্র শ্রদ্ধেয় জননেতা। বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও স্বাধীনতা শব্দ তিনটি তখন সমার্থক। যেন স্বাধীনতা মানেই বঙ্গবন্ধু আর বঙ্গবন্ধু মানেই স্বাধীনতা। তাই কাঙিৰত বিজয় অর্জিত হলেও বাঙালির হৃদয়ে অপূর্ণতা রয়ে গেলো। কারণ বাংলাদেশ রাহুমুক্ত হলেও বিজয়ের মহানায়ক তখনো মুক্ত হননি। তখনো তিনি পাকিস-ানি খলনায়কের কারাগারে বন্দী। পূর্ণ বিজয়ের স্বাদ পেতে হলে বঙ্গবন্ধুকে চাই তার মুক্ত স্বদেশে।&lt;br /&gt;অতএব তৎকালীন সাড়ে সাত কোটি বাঙালি তাদের প্রাণপ্রিয় নেতা, তাদের আশা আকাঙ্খার মূর্ত প্রতীক শেখ মুজিবকে মুক্তাবস'ায় কাছে পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়লো। বঙ্গবন্ধুর মুক্তির ব্যাপারে ইয়াহিয়ার দোসর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো প্রথমত গড়িমসি করলেও বিশ্ববিবেকের প্রবল চাপে ১৯৭২ সালের ৩ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে বিনাশর্তে মুক্তিদানের কথা ঘোষণা করলো। চতুর ভুট্টো ঐ দিনই করাচির এক জনসভায় বক্তৃতা দানকালে জনতার কাছে জানতে চাইলো তারা শেখ মুজিবের মুক্তিদানের সঙ্গে একমত কিনা? জনতা এক বাক্যে হ্যাঁ সূচক রায় দিলেন। এরপর ভুট্টো বলেন, ‘আমি এখন ভারমুক্ত হলাম’। শেখ মুজিবকে বিনাশর্তে মুক্তি দেয়া হবে। অবশেষে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পিআইএর একটি বিশেষ বিমান লন্ডন অভিমুখে রওনা হয়। বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিট এবং লন্ডন সময় ৬টা ৩৬ মিনিটে লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে তার বিমান অবতরণ করে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;১০ জানুয়ারি ১৯৭২ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রয়াল এয়ার ফোর্সের একখানি কমেট বিমানযোগে লন্ডন থেকে নয়াদিলিস্ন পৌঁছেন। সেখানে পেলাম বিমানবন্দরে ভারতীয় রাষ্ট্রপতি, ভিপিগিরি প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী, অন্যান্য মন্ত্রীবর্গ ও বিদেশী কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা তাকে অভ্যর্থনা জানান। দিলিস্ন প্যারেড গ্রাউন্ডে এক বিশাল জনসমাবেশে বাংলায় মর্মস্পর্শী ভাষণদানের পর ঐ দিনেই বিমানযোগে বঙ্গবন্ধু ১টা ৪১ মিটিটে ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। বাঙালি জীবনের আর এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। সাড়ে সাত কোটি মানুষের প্রাণপ্রিয় নেতা, নিপীড়িত জনতার আশা-আকাঙৰার মূর্ত প্রতীক শেখ মুজিবকে দেখার জন্য লৰ লৰ জনতার ঢাকা বিমানবন্দরে জমায়েত হওয়ার সে দৃশ্যের বর্ণনা তখন দৈনিক বাংলায় পাওয়া যায় এইভাবে ‘রূপালী ডানার মুক্ত বাংলাদেশের রোদ্দুর, জনসমুদ্রে উলস্নাসের গর্জন, বিরামহীন করতালি, স্লোগান আর স্লোগান। আকাশে আন্দোলিত হ"েছ যেন এক ঝাঁক পাখি। উন্মুখ আগ্রহের মুহূর্তগুলো দুরন- আবেগে ছুটে চলেছে। আর তর সইছে না। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এসেছেন রক্তস্নাত বাংলার রাজধানী ঢাকা নগরীতে দখলদার শক্তির কারা প্রাচীর পেরিয়ে। আমার সোনার বাংলার সাড়ে সাত কোটি মানুষের নয়নমণি, হৃদয়ের রক্ত গোলাপ শেখ মুজিব এসে দাঁড়ালেন। আমাদের প্রত্যয়, আমাদের সংগ্রাম, শৌর্য, বিজয় আর শপথের প্রতীক বঙ্গবন্ধু ফিরে এলেন তার স্বজনের মাঝে। চারধারে উলস্নাস, করতালি, আকাশে নিৰিপ্ত বদ্ধ মুঠি, আনন্দে পাগল হয়ে যাওয়া পরিবেশ- যা অভূতপূর্ব, শুধু অভূতপূর্ব। এই প্রাণাবেগ অবর্ণনীয়।’ (দৈনিক বাংলা, ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২)&lt;br /&gt;তেজগাঁওস' বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)। গাড়ি যাত্রায় মাত্র কয়েক মিনিটের পথ। অথচ জনসমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ ভেদ করে সেখানে পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ ঘণ্টা। লাখ লাখ জনতার সমাবেশের দিকে তাকিয়ে তিনি শিশুর মতোকেঁদে ফেলেন। কান্না বিজড়িত কণ্ঠে তিনি প্রথমবারের মতো স্বাধীন দেশে দাঁড়িয়ে এক হৃদয়বিদারক মর্মস্পর্শী ভাষণ দেন। ৭ মার্চের সেই সিংহপুর"ষ যিনি এখানে দাঁড়িয়ে গর্জে উঠেছিলেন এই বলে যে, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। আজ তার চোখে কান্না। না, এ কোনো পরাজয়ের গ্লানি নয়, বিজয়ের আনন্দ। তার এ কান্না কোনো ব্যক্তিগত সম্পদ হারানোর কান্না নয়। নিজের বাবা-মা, স্ত্রী-পুত্র-কন্যা থেকে বি"িছন্ন থাকার বেদনার বহিঃপ্রকাশ নয়। এ ছিল নিপীড়িত, নির্যাতিত, গৃহহারা, আশ্রয়হারা মানুষ তথা দেশমাতৃকার প্রতি মমত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ। হাজার মাইল দূরবর্তী ইয়াহিয়ার কারাগারে যখন তার ফাঁসির হুকুম হয়েছিল, তার সেলের পাশে যখন তার কবর খোঁড়া হয়েছিল- মৃত্যু প্রতীৰায় থাকা সে সময় তার চোখে পানি আসেনি, অথচ দেশের মানুষের দুর্দশা স্বচৰে দেখার পর তিনি চোখের পানি রোধ করতে পারেননি।&lt;br /&gt;এ সেই মহাত্মা যিনি ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও নিজের পরিবার-পরিজনের কথা না ভেবে বাঙালির মুক্তির কথা ভেবেছেন। তাই তো তিনি বলতে পেরেছিলেন, ‘তোমরা আমাকে মেরে ফেলো আমার কোনো দুঃখ নেই। শুধু আমার লাশটা আমার বাঙালির কাছে পৌঁছে দিও। আমি বাঙালি বাংলা আমার দেশ, বাংলা আমার ভাষা”। ১০ জানুয়ারি ১৯৭২-এ স্বাধীন দেশে তার প্রথম ভাষণ দানকালে যখন বাংলার কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, মুক্তিযোদ্ধা ও জাতির উদ্দেশ্যে সালাম জানিয়ে বলেছিলেন, “আমার জীবনের স্বাদ আজ পূর্ণ হয়েছে। আমার সোনার বাংলা আজ স্বধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র।’ বাঙালির অনুভূতিতে তখন এক নতুন সংযোজন। আজ তারা শুধু স্বাধীনই নয়, তারা ফিরে পেয়েছে তাদের প্রাণপ্রিয় নেতা স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে। মহাত্মার প্রত্যাবর্তনে তাদের বিজয় আজ পূর্ণতা পেয়েছে, পূর্ণতা পেয়েছে স্বাধীনতা। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br /&gt;মোঃ আনোয়ার"ল ইসলাম ফার"ক শিৰক ও কলাম লেখক &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/7567643579744090770-349471513162379193?l=awamileaguefordemocracy.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/349471513162379193'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/7567643579744090770/posts/default/349471513162379193'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://awamileaguefordemocracy.blogspot.com/2011/01/blog-post_10.html' title='বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : বিজয় পূর্ণতা পায় যেদিন'/><author><name>A.M.Khan, Support For Bangladesh Awami League</name><uri>http://www.blogger.com/profile/08083707842155579233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='14' height='32' src='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/S7pJI0LghiI/AAAAAAAACaA/eor8kx9PPT8/S220/ams1.bmp'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/TSpJbtN5G6I/AAAAAAAACeA/2Q4OoIX9MxA/s72-c/bb.png' height='72' width='72'/></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-7567643579744090770.post-5790437038095920156</id><published>2011-01-06T20:34:00.002+01:00</published><updated>2011-01-06T20:37:34.456+01:00</updated><title type='text'>জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ</title><content type='html'>&lt;div&gt;&lt;strong&gt;&lt;span style="color:#009900;"&gt;জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/strong&gt;&lt;img id="BLOGGER_PHOTO_ID_5559159275696256450" style="DISPLAY: block; MARGIN: 0px auto 10px; WIDTH: 403px; CURSOR: hand; HEIGHT: 289px; TEXT-ALIGN: center" alt="" src="http://2.bp.blogspot.com/_WaNozhWa594/TSYZ6FWxdcI/AAAAAAAACd4/fSNa2L8IMoM/s400/sh.jpg" border="0" /&gt;&lt;br /&gt;প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৬ জানুয়ারি বৃহষ্পতিবার ঢাকায় বর্তমান সরকারের দু‘বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন।&lt;br /&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম প্রিয় দেশবাসী, আস্‌সালামু আলাইকুম। ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা নিন। ২০০৮ সালের ২৯শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনারা বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটকে বিজয়ী করেছিলেন। ২০০৯ সালের ৬ই জানুয়ারি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করি। আজ সরকারের দুই বছর পূর্ণ হল। এ সময় সরকার পরিচালনায় সহযোগিতা করার জন্য আমি আপনাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি জাতীয় ৪-নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামরুজ্জামানের প্রতি। আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ৩০ লাখ শহীদ এবং ২ লাখ নির্যাতিত মা-বোনকে। যাঁদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা পেয়েছি। আমি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমমর্মিতা জানাই। আমি গভীর বেদনার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের ঘৃণ্য হত্যাকাণ্ডের শিকার আমার মা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, আমার তিন ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, লেফটেন্যান্ট শহীদ শেখ জামাল ও দশ বছরের শহীদ শেখ রাসেলকে। সে রাতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার সকল শহীদের প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।&lt;br /&gt;স্মরণ করছি, ২০০৪ সালের ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহত আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী রহমানসহ শহীদ ২২ নেতা-কর্মীকে। স্মরণ করছি, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী এসএএমএস কিবরিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা আহসানউল্লাহ মাস্টার, মমতাজউদ্দিনসহ ২১ হাজার নেতাকর্মীকে। গত বছর জুনে রাজধানীর নিমতলীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১২১ জনসহ বিগত এক বছরে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, আমি তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। প্রিয় দেশবাসী, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার ’রূপকল্প ২০২১’ এর প্রতি আস্থা স্থাপন করে আপনারা আমাদের দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আমি এবং আমার সহকর্মীগণ আপ্রাণ চেষ্টা করছি আপনাদের আস্থার প্রতি সমমান দেখিয়ে সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের। আমরা ২ বছরে কতটুকু সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি, তার বিচারের ভার আপনাদের। তবে আপনাদেরকে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের প্রথম ২ বছর আর আমাদের গত দুই বছরের মধ্যে তুলনা করতে অনুরোধ করব। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের ৫ বছরে এবং পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ২ বছরে দেশের সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ভেঙে পড়েছিল। বিদেশে বাংলাদেশের পরিচিতি ছিল সন্ত্রাস, দুর্নীতি আর জঙ্গিবাদের দেশ হিসেবে। তাদের রেখে যাওয়া জঞ্জাল দূর করে বিশ্বমন্দা সত্ত্বেও অর্থনীতিসহ সকল ক্ষেত্রে স্থবিরতা কাটিয়ে দেশকে সচল করা অত্যন্ত কঠিন কাজ ছিল। কিন্তু আমি দৃঢ়ভাবে বলতে পারি আমরা চেষ্টার ত্রুটি করছি না এবং অনেক সফলতাও অর্জন করেছি। অর্থনৈতিক অবস্থায় গতিশীলতা এনেছি। সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছি। মানুষের জীবনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট সফল হয়েছি। ২ বছর আগে আমরা যখন সরকার গঠন করেছিলাম সে সময় চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ছিল আকাশচুম্বী। আমরা জিনিসপত্রের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছিলাম। যে চালের দাম ছিল প্রতি কেজি ৪৫ টাকা, আমাদের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে তা ১৮/২০ টাকায় নেমে আসে। পরবর্তীতে কৃষকের উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার জন্য আমরা চালের দাম বাড়িয়ে ২৮ টাকা করি। ভরা মৌসুমে চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে কী কারণে তা আমরা তদন্ত করে দেখছি এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারেও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য আমরা উদ্বিগ্ন। কারণ আমাদের দেশেও এর প্রভাব পড়েছে। আমাদের নিজস্ব উৎপাদন বাড়াতে হবে। এক ইঞ্চি জমিও ফেলে রাখবেন না। নিজেরা উদ্যোগী হয়ে উৎপাদন করুন। সরকার সহায়তা দেবে। আমরা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শ্রমজীবী মানুষের বেতন বৃদ্ধি করেছি। মানুষের আয়ও দেড় থেকে দুই গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশ এখন উদার, গণতান্ত্রিক এবং অর্থনৈতিকভাবে সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করায় বাংলাদেশ জাতিসংঘ এমডিজি এওয়ার্ড অর্জন করেছে। এ অর্জন গোটা দেশবাসীর। আন্তর্জাতিক সাময়িকী ’দি ইকোনোমিস্ট’, ওয়ার্ল্ড স্ট্রিট জার্নাল এবং বিভিন্ন সংস্থা বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেছে। জাতিসংঘ মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০১০ অনুযায়ী ৯৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। প্রিয় দেশবাসী, ২০০১ সালে আমরা যখন ক্ষমতার পাঁচ বছর পূর্ণ করি, তখন দেশের অর্থনীতি, কৃষি, শিল্প, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎসহ সকল সেবাখাত সুদৃঢ় অবস্থানে ছিল। মুল্যস্ফীতি ১.৫৯ শতাংশ, দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, স্বাক্ষরতার হার ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৬০০ মেগাওয়াট থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৪৩০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছিল। এছাড়া, এসব খাতে আমরা ব্যাপক জন-বান্ধব কর্মসূচি ও প্রকল্প গ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু ২০০১ সালে কারচুপির নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি-জামাত জোট সরকার ক্ষমতায় এসে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে আমাদের অসমাপ্ত কর্মসূচিগুলো বন্ধ করে দেয়। পাশাপাশি বহু অনুমোদিত প্রকল্প বাতিল করে। ফলে দেশ ও জাতির যথেষ্ট ক্ষতি হয়। আজকে দেশব্যাপী বিদ্যুৎ-জ্বালানির যে তীব্র সঙ্কট, তার মূলে রয়েছে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের চরম ব্যর্থতা এবং এখাতে ব্যাপক লুটপাট ও দুর্নীতি। তবে আমরা কঠোর পরিশ্রম করে সংকট কাটিয়ে উঠছি। তাদের সময়ে ৫ বছর দেশে এক মেগাওয়াট বিদ্যুতও উৎপাদিত হয়নি। কিন্তু লুটপাট হয়েছে হাজার কোটি টাকা। আপনারা জানেন, একটি বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করতে ৩-৪ বছর সময় লাগে। বিদ্যুতের আশু চাহিদা মেটানোর জন্য আমরা তাই অতি দ্রুত, মাঝারি এবং দীর্ঘ-মেয়াদি কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। এ পর্যন্ত মোট ৩৩টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এতে ২ হাজার ৯৪১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। ৩ হাজার ৮৪০ মেগাওয়াট ক্ষমতা-সম্পন্ন আরও ২৪টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হয়েছে। আগামী বছরের মধ্যে আরও ২ হাজার ৩৬১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে। আমরা আগামী ৫ বছরে প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কর্মসূচি নিয়েছি। গ্যাস-ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পাশাপাশি আমরা তরল জ্বালানি, কয়লা, ডুয়েল ফুয়েল এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ শুরু করেছি। রাশিয়ার সহযোগিতায় রূপপুরে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এখানে পর্যায়ক্রমে ২০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। পাশাপাশি ভারত, নেপাল, ভূটান ও মায়ানমার থেকে বিদ্যুৎ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০১২ সালের মধ্যে ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আমরা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়েও পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। জনগণের মধ্যে বিনামূল্যে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৫ লাখ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী সিএফএল বাল্ব বিতরণ করা হয়েছে। আরও এক কোটি ৭৫ লাখ সিএফএল বাল্ব বিতরণ করা হবে। ২০০৯-এ গ্যাসের উৎপাদন ছিল দৈনিক ১৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। গত মাসে গ্যাস উৎপাদন দৈনিক ২০৩৫ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে। সঞ্চালন লাইন নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছে। গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন গ্যাস ক্ষেত্রের সন্ধান, আবিষকৃত গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে নতুন কূপ খননসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ২০১২ সালের মধ্যে দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সমপরিমাণ এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুই বছরে আমরা যত কাজ করেছি, এটা কেবল আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষেই সম্ভব। অতীতে কোন সরকারের পক্ষেই এত উন্নয়ন কাজ করা সম্ভব হয়নি। প্রিয় দেশবাসী, কৃষি আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। পুনরায় দেশকে খাদ্যে স্বয়ং-সম্পূর্ণ করার উদ্যোগ নিয়েছি। গত ২ বছরে সারের দাম আরও ৩ দফা হ্রাস করেছি। ইউরিয়া এখন ১২ টাকা, টিএসপি ২০ এবং ডি.এ.পি ২৫ টাকা কেজি। কৃষকদের সেচের জন্য ডিজেল ও বিদ্যুতে চলতি অর্থবছরে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা কৃষক পরিবারের মধ্যে কৃষি কার্ড বিতরণ করেছি। ১০ টাকা দিয়ে ব্যাংক একাউন্ট খোলার ব্যবস্থা করেছি। কৃষক এখন ভর্তুকির টাকা সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে পাচ্ছেন। আমরা ১৯৯৮ সালে বর্গা চাষীদের মাঝে কৃষি ঋণ দেওয়া শুরু করি। গত অর্থবছরে ১১ হাজার ১১৭ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করেছি। চলতি অর্থবছরে ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হবে। এসব কর্মসূচির ফলে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হয়েছে। এ কারণেও চালের দাম বেড়েছে। আমরা পাট শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করেছি। পাটের মণ প্রতি দাম ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা। আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য পাটের জেনোম সিকোয়েন্স বা জন্ম রহস্য আবিষকার। এ আবিষকারের ফলে আমরা পাটের উন্নত জাত উদ্ভাবন এবং বহুবিধ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারব। দরিদ্র এবং সীমিত আয়ের মানুষের জন্য বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করছি। চতুর্থ শ্রেণীর সরকারি কর্মচারী, পুলিশ এবং গ্রাম পুলিশ সদস্যদের জন্য রেশনের মাধ্যমে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। দেশের উত্তরাঞ্চল থেকে আমরা মঙ্গা বিতাড়িত করেছি। বয়স্ক ভাতার হার ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা করা হয়েছে। উপকারভোগীর সংখ্যা ২০ লাখ থেকে বৃদ্ধি করে সাড়ে ২২ লাখ করা হয়েছে। দুস্থ মহিলা ভাতা ৩০০ টাকা করা হয়েছে। এ খাতে ৩৩১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী উপকারভোগীর সংখ্যা ২ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৬০ হাজার করা হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচিতে ১ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। আমরা ’একটি বাড়ি একটি খামার’ কর্মসূচি পুনরায় বাস্তবায়ন শুরু করেছি। গৃহহীনদের জন্য বাস্তবায়ন করা হচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্প। বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান ব্যাংকের মাধ্যমে জামানত ছাড়া ঋণ দেওয়া হচ্ছে। গৃহায়ন তহবিল থেকে গৃহ নির্মাণের জন্য ঋণ প্রদান করা হচ্ছে। প্রিয় দেশবাসী, দেশের সার্বিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুষ্ঠু যোগাযোগ ব্যবস্থা। দুই বছরে আমরা যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এনেছি। ইতোমধ্যে আমরা সুলতানা কামাল সেতু, শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতু এবং চট্টগ্রামে শাহ আমানত সেতু উদ্বোধন করেছি। চালু করা হয়েছে ঢাকা বাইপাস সড়ক। দপদপিয়া সেতু এবং করতোয়া ও তিস্তা নদীর উপর সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। কালুরঘাট ব্রিজের পাশে আরেকটি ব্রিজ এবং লেবুখালি ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম-হাটহাজারী মহাসড়ককে চার লেইনে এবং জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ সড়কসহ আরও কয়েকটি সড়ক চার-লেইনে উন্নীত করছি। রেল সংযোগহ বহু আকাঙ্ক্ষিত পদ্মা বহুমুখী সেতুর মূল নির্মাণ কাজ এবং পদ্মা সেতুর উভয় প্রান্তে রেললাইন স্থাপনের কাজও শিগগিরই শুরু হবে। ঢাকার যানজট নিরসনে বিজয় সরণী এবং টঙ্গীর আহসানউল্লাহ মাস্টার উড়াল সেতু চালু করা হয়েছে।। কুড়িল এবং গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ি এবং বনানী-জুরাইন ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজ চলছে। ২৬ কিলোমিটার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের কাজও শীঘ্রই শুরু হবে। ঢাকা শহরে ১০০টি নতুন বিআরটিসি বাস নামানো হয়েছে। আরও ৪৩০ বাস শিগগিরই রাস্তায় নামবে। ঢাকায় মেট্রোরেল স্থাপনের লক্ষ্যে সমীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। আমিন বাজার থেকে সদরঘাট পর্যন্ত ওয়াটার বাস চালু করা হয়েছে। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা-জয়দেবপুর এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে কম্যুটার ট্রেন সার্ভিস চালুর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আমরা শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি গুণগত পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছি। সকলের মতামতের ভিত্তিতে আমরা একটি বিজ্ঞানসমমত ও যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছি। ২০১৪ সালের মধ্যে দেশ থেকে নিরক্ষরতা দূর করা হবে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে সকল ছাত্রছাত্রীর মধ্যে চলতি বছর ২৩ কোটি বই বিতরণ শুরু হয়েছে। ওয়েবসাইটে সব বই দেওয়া হয়েছে। ২০০৯ থেকে পঞ্চম শ্রেণীতে সমাপনী পরীক্ষা এবং গত বছর থেকে অষ্টম শ্রেণীতে জুনিয়র স্কুল ও দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। গত দু্‌ই বছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশের হার শতকরা ৮০ ভাগের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তির সংখ্যা ১৭ লাখ থেকে বৃদ্ধি করে ৩০ লাখে উন্নীত করা হয়েছে। এ দুই বছরে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৫২ হাজার সহকারী শিক্ষক এবং প্রায় দুই হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিন হাজার মাধ্যমিক স্কুল, ৭১টি কলেজের একাডেমিক ভবন এবং ৩০৬টি মডেল স্কুল স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। ঢাকা মহানগরীতে ১১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ছয়টি কলেজ স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। প্রতি জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাশ করা হয়েছে। উচ্চ শিক্ষা প্রসারের জন্য ঢাকায় ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাবনায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চালু করা হয়েছে। আরও ছয়টি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কারিগরি স্কুল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করা হচ্ছে। মাধ্যমিক পর্যায়ে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে ৩০টি মডেল মাদ্রাসা স্থাপন করেছি। ১০০টি মাদ্রাসায় ভোকেশনাল কোর্স খোলা হয়েছে। ৩১টি মাদ্রাসায় অনার্স কোর্স চালু করা হয়েছে। আমরা চাই, নতুন প্রজন্মকে যথাযথভাবে ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে। প্রিয় দেশবাসী, সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। আমরা গত মেয়াদে ১৮ হাজার কম্যুনিটি ক্লিনিক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার সেগুলো বন্ধ করে দেয়। এবার আমরা নতুন করে ১০ হাজার ক্লিনিক চালু করেছি। আমরা ১৩ হাজার ৫০০ হেলথকেয়ার প্রোভাইডার, সাড়ে চার হাজার ডাক্তার, ২ হাজার নার্স এবং সাড়ে ৬ হাজার স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ দিয়েছি। ইতোমধ্যেই সারাদেশে ২২৩টি নতুন অ্যাম্বুলেন্স বিতরণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবায় তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেবাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ এবং জেলা হাসপাতালে ওয়েব ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। মাতৃকালীন ছুটি ছয় মাস করা হয়েছে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রিয় দেশবাসী, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আমরা ২০২১ সালের মধ্যে ’ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আইসিটি নীতিমালা ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১ হাজার ৬০০ টির বেশি কম্পিউটার ল্যাব, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২০টি সাইবার সেন্টার, ১৫২টি কমিউনিটি ই-সেন্টার এবং ৬৪ জেলায় তথ্য বাতায়ন স্থাপন করা হয়েছে। সারাদেশে চার হাজার ৫০১টি ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। সফটওয়্যার এবং কম্পিউটার শিল্প প্রসারের লক্ষ্যে কালিয়াকৈরে হাইটেক পার্ক এবং কারওয়ান বাজারে আইসিটি ইনকিউবেটর স্থাপন করা হয়েছে। ঢাকায় একটি সফটওয়্যার টেকনোলোজি পার্ক স্থাপনের কাজ চলছে। বিভাগীয় শহরগুলোতে আইটি ভিলেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তিকে সিলেবাসভুক্ত করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় দেড় হাজার ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়েছে। সকল ইউনিয়ন পরিষদে ২০১৩ সালের মধ্যে ফাইবার অপটিক ক্যাবল সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি উদ্যোগে দেশেই অনেক কম দামে ল্যাপটপ তৈরির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যুব সমাজই পারে একটি দেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে যুব সম্প্রদায়ের অকুণ্ঠ সমর্থনে আমরা ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করি। আমরা প্রতিটি যুবককে আধুনিক রাষ্ট্রের উপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তাঁদের উৎপাদনমুখী কাজে নিয়োজিত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে চাই। এজন্য ন্যাশনাল সার্ভিস চালু করা হয়েছে। পাইলট কর্মসূচির আওতায় এ পর্যন্ত তিনটি জেলার প্রায় ৬৫ হাজার বেকার যুব ও যুবমহিলাকে দুই বছরের জন্য আমরা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি। পর্যায়ক্রমে সবগুলো জেলায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। কর্মসংস্থান ব্যাংক বিনা জামানতে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করেছে। ট্রেনিং শেষে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে। ২০১০ সালে আমরা সাফল্যের সঙ্গে সাউথ এশিয়ান গেমসের আয়োজন করি। অন্যতম স্বাগতিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশে আসন্ন বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধন অনুষ্ঠান এবং ১২ টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ক্রিকেটে ইংল্যান্ডকে তাঁদের মাটিতে হারানো ছাড়াও নিউজিল্যান্ডকে একদিনের ক্রিকেটে পরপর চারটি খেলায় হারিয়ে সিরিজ জয় করেছে বাংলাদেশের টাইগাররা। প্রিয় দেশবাসী, বিশ্বব্যাপী মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশ গত অর্থবছরে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় মাথাপিছু আয়ও বৃদ্ধি পেয়ে ৭৮০ ডলার হয়েছে। ২১ ডিসেম্বর ২০১০ পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৫ কোটি ডলার। বর্তমান অর্থবছরের নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৬ শতাংশ বেশি। অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের বেকার সমস্যা দূর করার জন্য প্রয়োজন শিল্পায়ন। আগের যে কোন সময়ের চাইতে দেশে বর্তমানে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যাংক ঋণের সুদের হার আগেকার ১৬/১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১২/১৩ শতাংশ করা হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ৪০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। একটি মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে হলে মাথাপিছু আয় অন্ততঃ ২ হাজার মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে হবে। এজন্য আমরা চঁনষরপ-চৎরাধঃব চধৎঃহবৎংযরঢ় (চচচ) কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। দুই ধাপে পাঁচ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়ে সহযোগিতা করায় তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। আমদানিকারক দেশগুলোতে অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও আমরা এ কৃতিত্ব অর্জন করেছি। তৈরি পোশাক, ঔষধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জাহাজ, ফার্নিচার, খাদ্যদ্রব্য, পাট ও পাটজাত দ্রব্য, সিরামিকস, কুটির শিল্প, ইট, সিমেন্ট, টাইলস্‌ ইত্যাদি বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। ৯২ হাজার ৮৪৭ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে প্রথম তিন মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ২১ হাজার কোটি টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২২.৬ শতাংশ বেশি। চলতি ২০১০-১১ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপিতে ৩৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আমরা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়ন করেছি। নতুন মজুরি কমিশন ঘোষণা করা হয়েছে। গার্মেন্টস খাতে ন্যূনতম মজুরি ২০০৬ সালের ১ হাজার ৬৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে তিন হাজার টাকা করা হয়েছে। রেমিটেন্স বৃদ্ধি পেয়েছে। গত অর্থবছরে আয় হয়েছে ১ হাজার ৯৯ কোটি ডলার। প্রবাসীরা যাতে বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে পারে সে জন্য আমরা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন প্রণয়ন করেছি। বিভিন্ন দেশে মানি এক্সচেঞ্জ ও ব্যাংকের শাখা খোলা হয়েছে। এখন প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের আত্মীয়-স্বজনদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এসএমএস-এর মাধ্যমে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বিদেশে গেলে আর বাড়িঘর, জমি বিক্রি করতে হবে না। এই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিদেশে কাজের জন্য যেতে পারবেন। আন্তর্জাতিক চাহিদা অনুসারে মেসিন রিডেবল পার্সপোর্ট ও ভিসা প্রদান করা হচ্ছে। গৃহায়ন সমস্যা সমাধানের জন্য রাজধানীর চারপাশে ৪টি স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতি জেলা ও উপজেলায় গৃহায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া নগরীতে এক লাখ ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হচ্ছে। ঢাকা নগরীকে বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা ডিটেইল্ড এরিয়া প্লান বা ড্যাপ প্রণয়ন করেছি। প্রিয় দেশবাসী, সুষ্ঠু আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের পূর্ব শর্ত। পূর্বের যে কোন সময়ের তুলনায় এ বছর আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এজন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মানুষ যাতে নির্বিঘ্ন্নে চলাফেরা করতে পারে, ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারে এবং নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে আমরা এমন পরিবেশ তৈরি করার জন্য সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ বিরোধী কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছি। গত দু’টি ঈদ, পূজা এবং বড়দিন উদ্‌যাপনের সময় জনগণ গভীর রাত পর্যন্ত নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করেছে। জনগণ উৎসবের সত্যিকার আমেজ ভোগ করেছে। ২০০৯ সালের নৃশংস বিডিআর হত্যাকাণ্ড এবং বিডিআর বিদ্রোহের বিচার শুরু হয়েছে। এজন্য নতুন আইন করা হয়েছে। বিডিআর-এর নাম পরিবর্তন করে বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ বি.জি.বি করা হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাকারী বাহিনীকে শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ক্রয় করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। শিল্প এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য শিল্প পুলিশ গঠন করা হয়েছে। এছাড়া পর্যটন পুলিশ, মেরিন পুলিশ, সিকিউরিটি ও প্রটেকশান ব্যাটালিয়ন এবং জঙ্গী দমনে পুলিশ ব্যুরো অব কাউন্টার টেরোরিজম গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি। মুক্তিযোদ্ধাদের সমমানী ভাতা ৯০০ টাকা থেকে দুই হাজার টাকা করেছি। মুুক্তিযোদ্ধাদের চাকুরির শতকরা ৩০ ভাগ কোটা তাঁদের সন্তান এবং নাতি-নাতনিদের জন্য প্রযোজ্য হবে। সচেতন দেশবাসী, আমরা অবাধ তথ্য প্রবাহে বিশ্বাস করি। সেজন্য আমরা তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন এবং তথ্য কমিশন গঠন করেছি। আমাদের মিডিয়া এখন পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করছে। আমরা এবার দায়িত্ব নেওয়ার পর ১২টি নতুন টেলিভিশন চ্যানেল, ১৪টি কম্যুনিটি রেডিও এবং ১টি এফএম রেডিও খোলার অনুমতি দিয়েছি। গত মেয়াদেও আমরাই বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলোর অনুমোদন দেই। স্থানীয় সরকার কাঠামো শক্তিশালী করা আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার। এ লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ কে সংশোধন করা হয়েছে। পৌরসভা আইন, সিটি কর্পোরেশন আইন এবং ইউনিয়ন পরিষদ আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য চার হাজার ৪৮৪টি ইউনিয়নে ৪৪২ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বিশ্বের ১০টি ঝুঁকিপূর্ণ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। এজন্য আমরা দায়ী নই। আমরা বিষয়টি বিশ্ব সম্প্রদায়কে বুঝাতে সক্ষম হয়েছি। কানকুনে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সংক্রান্ত সমেমলনে গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনে ঐকমত্য হয়েছে। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার জন্য আমরা নিজস্ব তহবিল গঠন ও ১৩৪টি কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। তহবিল থেকে ১৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করেছি। গড়াই ও যমুনা নদীসহ অন্যান্য নদীতে ক্যাপিটাল ড্রেজিং এর মাধ্যমে মৃতপ্রায় নদীগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করা হচ্ছে। প্রিয় দেশবাসী, মহান জাতীয় সংসদকে আমরা আমাদের সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছি। নবম জাতীয় সংসদের সাতটি অধিবেশনের ১৭৪টি কার্যদিবসে সর্বমোট ১৩০টি আইন পাশ হয়েছে। গত দুই বছরে আমরা মাত্র চারটি অধ্যাদেশ জারি করেছি। জাতীয় শিক্ষা নীতি, পিআরএসপি, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, জলবায়ু পরিবর্তন, জাতিসংঘে বাংলাকে অফিসিয়াল ভাষার মর্যদা প্রদানের প্রস্তাবসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত সাধারণ আলোচনা হয়েছে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো নিয়মিত বৈঠক করছে। দূঃখের বিষয় সংসদে আমাদের প্রধান বিরোধী দল তাদের যথাযথ ভূমিকা পালন করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তারা জাতীয় সংসদের ১৭৪টি কার্য দিবসের মধ্যে মাত্র ৪৪ কার্য দিবস উপস্থিত ছিল। বিরোধীদলের নেতা মাত্র ৫দিন সংসদে উপস্থিত ছিলেন। অথচ সংসদে কথা বলতে তাদের কোন বাধা নেই। নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিচার বিভাগ এখন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে। ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্টের আওতায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব এ বিচার কাজ হবে। প্রিয় দেশবাসী, ’সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়’- এই নীতির ভিত্তিতে আমরা আমাদের প্রতিবেশি দেশ এবং বহির্বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছি। আমাদের বন্ধু এবং উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও বেশি ঘনিষ্ঠ হয়েছে। আমাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তারা আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আ
